দেবাশিস্ ভট্টাচার্য
এই আস্তিত্বিক কূটাভাসই মৌলবাদীদের ঠেলে দেয় ওই আপাত-অসম্ভব পরিস্থিতির দিকে, যেখানে তারা একদিকে পরম-ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার গলা কাঁপানো ডাক দেয় স্বধর্মীদের প্রতি, এবং একই সঙ্গে আবার মনে মনে পাশের দেশে স্বধর্মীদের নৃশংস বলিদানে খুশিও হয়! তাদের বিজ্ঞান নেই, প্রযুক্তি নেই, অর্থনীতি নেই, সভ্যভব্য আচরণ করবার মতো বোধবুদ্ধিও নেই। কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াবে তারা, এই একুশ শতকের পৃথিবীতে? তাই স্বঘোষিত পরম-শত্রুদের নিজেদের মধ্যে এই আশ্চর্য গোপন বোঝাপড়া, সামনের দিকে মুখ খিঁচিয়ে পেছন দিক দিয়ে পরস্পরের হাত ধরে থাকা
মৌলবাদের হাতে পুড়েছে মানুষ, আবারও। আজ হয়তো বাংলাদেশে, গতকাল হয়তো-বা ভারতে। তার আগের দিন পাকিস্তানে। ধর্মীয় ঘৃণা হিংসা বিদ্বেষের গাঢ় ধোঁয়ায় দম আটকে মরছে গোটা উপমহাদেশ। তবু, হাসির গল্প মনে পড়ে— এই উদ্ভট দুঃস্বপ্নের মধ্যেও!
রাস্তার পেঁচো মাতালদের নিয়ে তারাপদ রায়ের এক চমৎকার মজার গল্প আছে। কয়েকটা মাতাল গভীর রাতে আকণ্ঠ মদ গিলে নির্জন রাস্তায় জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে আছে, আর স্খলিত কণ্ঠে বারবার বলছে, ‘ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড, ডিভাইডেড উই ফল!’ তাদের দশাটা স্বাভাবিক মানুষের কাছে হাস্যকর, কিন্তু তাদের নিজেদের কাছে খুবই উদ্বেগের। তাদের তো সত্যি সত্যিই নিজে নিজে দাঁড়িয়ে থাকার ক্ষমতা নেই, তাই একে অপরকে জড়িয়ে ধরে না থাকতে পারলে প্রত্যেকটা মাতালকেই অসহায় কুমড়োর মতো রাস্তায় গড়াতে হবে।
এই উপমহাদেশের তিন প্রধান দেশ ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশের মৌলবাদীদের দেখলে সেই হাস্যকর পেঁচো মাতালদের কথা মনে পড়ে। এরা নিজের নিজের দেশের অসহায় ভিন্নধর্মী সংখ্যালঘুদেরকে সোল্লাসে কোতল করতে চায়। আবার একই সঙ্গে, সারা পৃথিবী জুড়ে স্বধর্মের লোকদের এক হওয়ার ডাকও দেয়। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার, এদেশে সংখ্যালঘুদের কোতল করলে যে ঠিক একই যুক্তিতে পাশের দেশে স্বধর্মীয়রা কোতল হবে, যেহেতু সেখানে তারাই সংখ্যালঘু, এবং তখন তার বিরুদ্ধে বলবার মতো জায়গা বলে আর কিছুই থাকবে না— এইটা মোটেই তাদের খেয়ালে থাকে না। কেন থাকে না? স্রেফ নির্বোধ বলে, নিজের নিরাপত্তাটা নিজেরা বোঝে না বলে? না।
মৌলবাদীরা যে মূর্খ ও বর্বর তাতে সন্দেহ নেই, কিন্তু এক্ষেত্রে এই না-বুঝতে পারাটা নিছক মূর্খতা নয়, এর মধ্যে আছে এক ধূর্ত ও নিষ্ঠুর প্রতারণা। যতই তারা সারা পৃথিবীর স্বধর্মীদেরকে গলা কাঁপিয়ে ‘ভাই’ বলে ডাক দিক না কেন, তারা নিজেরা খুব ভালো করেই জানে যে, আসলে এর কোনও মানে নেই।
মানে নেই, কারণ, প্রথমত ‘সর্বশক্তিমান’ রামচন্দ্র এবং আল্লা নিজের দেশের বাইরে ঠুঁটো জগন্নাথ মাত্র। যেখানে যথেষ্ট সংখ্যক ধর্মান্ধ ও হিংস্র ভক্ত নেই, সেখানে তাঁদের গুণ্ডাবাজির ক্ষমতাও নেই। ভারতে যদি মসজিদ ভাঙা পড়ে, তো সর্বশক্তিমান আল্লা স্রেফ তাকিয়ে দেখেন, যদিও, পাশের দেশে তাঁর বর্বর ভক্তের দল অনায়াসে মন্দির ভাঙতে পারে— এবং তখন আবার রামচন্দ্র সেটা অসহায়ভাবে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেন। একটু ভাবলেই বোঝা যায়, যাবতীয় মৌলবাদী আস্ফালন দাঁড়িয়ে আছে এই মূলগত আস্তিত্বিক ভাঁড়ামোটুকুর ওপরে!
মানে নেই, কারণ, দ্বিতীয়ত, পৃথিবী জুড়ে সমস্ত স্বধর্মীর সুরক্ষা দেওয়াটা আদৌ মৌলবাদীদের উদ্দেশ্যই নয়— তারা আসলে চায় স্বধর্মীর অনিরাপত্তার জিগির তুলে নিজের দেশে দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হওয়া, যথেচ্ছ লুটপাট মারদাঙ্গা খুনখারাপি করবার ক্ষমতা অর্জন করা। ভারতের হিন্দু মৌলবাদীরা আদৌ চায় না যে, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সংখ্যালঘু হিন্দুরা ভালো থাকুক, নিরাপদে থাকুক। বরং তারা এইটাই চায় যে, সেখানে তাদের ওপরে নিপীড়ন চলুক, যাতে সেইটা দেখিয়ে তারা এইখানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে পারে, বিরোধী কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে পারে, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করতে পারে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল উপড়ে ফেলতে পারে। বলা বাহুল্য, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মুসলমান মৌলবাদীরাও ঠিক এটাই চায়। ফলত, বিশ্বজুড়ে মুসলমান (বা হিন্দু) ভ্রাতৃত্বের ডাকটি আসলে এক বিশুদ্ধ প্রতারণা।
কিন্তু, তা বলে কি কেউই সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়ান না? হ্যাঁ, দাঁড়ান বইকি। প্রতিটি দেশেই এর বিরুদ্ধে চিৎকার করেন বাম ধর্মনিরপেক্ষ উদারপন্থী প্রগতিশীলেরা, যদিও এ প্রতিরোধের সাফল্য নির্ভর করে সেই নির্দিষ্ট দেশে তাঁদের শক্তি-সামর্থ্যের ওপরে। এবং, তার ফলে নিজের নিজের দেশে তাঁরা মৌলবাদীদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন— মৌলবাদীরা অনায়াসে বিধর্মীদের সঙ্গে একাসনে বসিয়ে তাঁদেরকেও কোতল করতে থাকে। ‘এরা এদেশে না হয় আমাদের বিরোধিতা করছে, কিন্তু পাশের দেশে তো এরা আমারই স্বধর্মীদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার পক্ষে লড়ছে’— এটা এমনিতে স্বাভাবিক যুক্তি হওয়ার কথা, কিন্তু এই কথা ভেবে কোনও মৌলবাদী শক্তিই কখনও ধর্মনিরপেক্ষ উদারপন্থীদেরকে রেয়াত করেনি। এবং, হ্যাঁ— সব দেশেই হুবহু এই একই কীর্তি, ধর্মের রং যা-ই হোক না কেন!
প্রশ্ন হচ্ছে, এরা এমন করে কেন? মৌলবাদীরা ঠিক কোন যুক্তিতে আশা করে যে, স্রেফ অন্ধত্ব হিংস্রতা আর প্রতারণার ওপরে দাঁড়িয়ে তারা ক্ষমতা দখল করে তা দীর্ঘদিন বজায় রাখতে পারবে, এবং এক সুস্থিত সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে পারবে? একজন আধুনিক মানুষ অবাক হয়ে গালে হাত দিয়ে ভাবতেই পারেন, এদের আছেটা কী রে ভাই, যা দিয়ে নাকি এরা এই একুশ শতকে দাঁড়িয়ে একটা রাষ্ট্র চালাতে চায়? এদের না আছে স্বাভাবিক যুক্তিবোধ, এরা না জানে বিজ্ঞান অর্থনীতি ইতিহাস সমাজতত্ত্ব, না বোঝে শিল্প-সাহিত্য, না মানে আইন-কানুন গণতন্ত্র মানবাধিকার। সম্বল বলতে শুধু প্রাচীন ধর্মশাস্ত্র, যার সত্যিকারের অর্থ আসলে তাদের জানা নেই। সে সব বুঝতে গেলে ইতিহাস পুরাতত্ত্ব ভাষাতত্ত্বে দখল থাকতে হবে, যা তাদের মোটেই নেই। আর আছে লোকায়ত পৌরাণিক গল্প ও কিছু রীতিনীতি নিষেধাজ্ঞাকে অন্ধের যষ্টির মতো আঁকড়ে থাকা, এবং হয়তো-বা আছে একটা অজ্ঞ জনগোষ্ঠীকে মিথ্যে গর্বে ফাঁপিয়ে তোলবার জন্য কিছু বানানো গল্প— বাইরের মানুষ যা শুনলে তাচ্ছিল্যে হেসে উঠবে। শুধু এই দিয়েই তারা পৃথিবী জয় করবে, এই একুশ শতকের পৃথিবীতে? কীভাবে সম্ভব?
এর সহজ উত্তরটা হচ্ছে, আদৌ পৃথিবী জয় করবে না, বরং কিছুকাল সারা পৃথিবীকে উত্ত্যক্ত করে, এবং শেষপর্যন্ত সবার অশ্রদ্ধা অর্জন করে নির্মূল হবে। নিজেদের এই অতিস্বাভাবিক পরিণতিটা কি তারা বোঝে না? না, অজ্ঞ বর্বর আম-মৌলবাদী তা সত্যিই বোঝে না। সে পরিণতি বোঝবার ক্ষমতা থাকলে তো আর সে আদৌ মৌলবাদী হত না! কিন্তু, ওপরদিককার মৌলবাদী নেতারা তা না বোঝবার মতো নির্বোধ নয়, অন্তত তাদের মধ্যে সবাই নয়। তবুও তারা এটা চালিয়ে যায়, কারণ তারা জানে, একটা সামাজিক-ঐতিহাসিক ‘ফেনোমেনন’ হিসেবে ধর্মের আর বেশি দিন নেই, অতএব অস্তিত্বের সম্ভাবনাকে টিকিয়ে রাখতে ওই অযুক্তি অন্ধত্ব হিংস্রতাটুকুই একমাত্র ভরসা। আজকের পৃথিবীতে মূলস্রোতের জ্ঞান শিল্প প্রযুক্তি অর্থনীতি শিক্ষা রাষ্ট্র আইন প্রশাসন নৈতিকতা সবই ধর্মের হাতের বাইরে (অন্তত প্রকাশ্যে, আনুষ্ঠানিকভাবে)— তার হাতে রয়েছে শুধু পারিবারিক রীতিনীতি, গোষ্ঠীগত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত বিশ্বাস— যার পরিসরটিও আবার ক্রমশই ছোট হয়ে আসছে। ফলত, জীবনে নতুন অর্থ যোগ করার আশ্বাস নিয়ে কোনও নতুন ধর্ম আজ আর মানুষের কাছে হাজির হতে পারে না, হাজির হতে পারে শুধু বস্তাপচা প্রাচীনকে রক্ষা করার এবং বিধ্বংসী অনর্থ ঘটাবার আহ্বান নিয়ে! ধর্মের জন্য ইতিহাস-নির্দিষ্ট ভবিতব্য হয়তো-বা ছিল আগামী দেড়-দুশো বছর ধরে এক ধীর, যন্ত্রণাময় মৃত্যু। ধর্মের মাথাদের একাংশ এই স্বাভাবিক মৃত্যু মানতে রাজি নয়, তারা চায় ধর্মের গুরুত্ব হারিয়ে যাওয়া এই একুশ শতকের পৃথিবীতে এক গৌরবময় পুনর্বাসন, সেই আগের দিনের মতো করে। যদিও আসলে, তার বদলে যে জুটতে পারে অল্প কয়েক দশকের ভেতরেই ‘বীরের মতো’ দ্রুত বিলুপ্তি, সে কি আর তারা একেবারেই বোঝে না? উঁহু, সে সম্ভব না। সে সম্ভাবনার কথা হয়তো-বা তারা কিছুটা হলেও বোঝে। কিন্তু তবুও আত্মঘাতী পথ থেকে সরে যায় না, কারণ, হয়তো-বা ধর্মের বর্তমান দশার চেয়ে তারা সেইটাই শ্রেয় মনে করে।
ফলত, এই অন্ধত্ব, এই উন্মত্ততা, এই আত্মপ্রতারণা, এই আত্মহনন! এ থেকে নিস্তার আছে কি, তাদের?
এই আস্তিত্বিক কূটাভাসই তাদেরকে ঠেলে দেয় ওই আপাত-অসম্ভব পরিস্থিতির দিকে, যেখানে তারা একদিকে পরম-ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার গলা কাঁপানো ডাক দেয় স্বধর্মীদের প্রতি, এবং একই সঙ্গে আবার মনে মনে পাশের দেশে স্বধর্মীদের নৃশংস বলিদানে খুশিও হয়! তাদের বিজ্ঞান নেই, প্রযুক্তি নেই, অর্থনীতি নেই, সভ্যভব্য আচরণ করবার মতো বোধবুদ্ধিও নেই। কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াবে তারা, এই একুশ শতকের পৃথিবীতে? তাই স্বঘোষিত পরম-শত্রুদের নিজেদের মধ্যে এই আশ্চর্য গোপন বোঝাপড়া, সামনের দিকে মুখ খিঁচিয়ে পেছন দিক দিয়ে পরস্পরের হাত ধরে থাকা।
তারাপদ রায় বর্ণিত সেই স্খলিত মাতালদের কথা মনে পড়ছে কি, এবারে? সেই যে, যারা নাকি একা একা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে না, তাই গভীর রাতে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে চাপা গলায় আওড়াতে থাকে, ‘ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড, ডিভাইডেড উই ফল’?
যদি মনে পড়ে, তাহলে জরুরি প্রশ্নটা বোধহয় এই হবে যে, এই নির্বোধ অপরিণামদর্শী আত্মপ্রতারণাময় হিংস্রতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমরা তবে কী করব? ‘আমরা’ মানে, যারা কিনা উপদ্রব অপমান উদ্বেগ ব্যাতিরেকে শুধু একটু ভদ্রলোকের মতো করে বাঁচতে চাই, ধর্ম জাত ভাষা লিঙ্গ-নির্বিশেষে কাউকেই অকারণে ঘৃণা করতে চাই না, শুধুমাত্র ভিন্ন বিশ্বাস পোষণ করবার কারণে মরবার বা মারবার কথা ভাবতেও পারি না, পৃথিবীর যাবতীয় জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সাংস্কৃতিক অর্জনগুলোকে জানতে বুঝতে রক্ষা করতে চাই, পৌরাণিক চরিত্রের সম্মানরক্ষায় বলিপ্রদত্ত বলে নিজেকে ভাবতে পারি না, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধর্মের পরিবর্তে যুক্তি ও প্রশ্নের জন্য বরং কিছু পরিসর আশা করি— সেই সব অনতি-ক্ষমতাবান অধোবদন শান্তিপ্রিয়ের দল? মৌলবাদের মোকাবিলায় কী করণীয়, আমাদের?
এ-প্রশ্নের উত্তর বোধহয় এই মুহূর্তে আমাদের পুরোপুরি জানা নেই। হয়তো তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে ঐতিহাসিক মোকাবিলার মধ্যে দিয়েই, বাস্তবের সঙ্গে রগড়ানি খেতে খেতে, আগামী কয়েক দশকে। শুধু আমাদের দেশে নয়, গোটা পৃথিবী জুড়ে। তবু, আপাতত দুটো কথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
এক, রাষ্ট্রের কাছে সোচ্চারে বলতে হবে, মৌলবাদী হিংস্রতা বন্ধ হোক, ধর্মকে প্রকাশ্য রাস্তা থেকে হটিয়ে কঠোরভাবে বন্দি করা হোক ব্যক্তিগত পরিসরে, আর ধর্মীয় ইজ্জতের উন্মাদ রক্ষকেরা হয় যাক কারাগারে, নয় যাক উন্মাদাগারে।
দুই, মানুষকে বলতে হবে, মৌলবাদকে প্রত্যাখ্যান করুন। ঘৃণা অন্ধত্ব হিংস্রতা ছাড়া তার আর কোনও সম্বল নেই, এবং ফলত, এই একুশ শতকে বসে রাষ্ট্র ও সমাজকে চালনা করার যোগ্যতাও নেই বিন্দুমাত্র। শুধুমাত্র আপনি নিজেই তার জ্বালানি। নিজেকে সরিয়ে নিন, জ্বালানি অচিরে ফুরিয়ে যাবে। মৌলবাদী হুঙ্কারের বিরুদ্ধে আপনার আরও জোরে হুঙ্কার দেওয়ার দরকার নেই। মৌলবাদী হত্যা ও নিগ্রহের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি ব্যক্তিকেও হত্যা বা নিগ্রহ করবার দরকার নেই।
শুধু মৌলবাদকে ‘না’ বলুন। এক উদাসীন, নির্লিপ্ত, নির্ভয়, সুশীতল প্রশান্তির সঙ্গে মৌলবাদকে প্রত্যাখ্যান করুন!
*মতামত ব্যক্তিগত

