মহাত্মা গান্ধির দেখানো পথেই হাঁটছেন সোনম ওয়াংচুক

শঙ্খদীপ চক্রবর্তী

 


ছাত্র-যুবদের ডাকে দিল্লিতে প্রায় একমাস যাবৎ যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলনে তাঁদের সঙ্গে পুনরায় অনশনে বসেছেন সোনম। আহ্বান জানিয়েছেন দেশের প্রগতিশীল, গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষদেরও এই আন্দোলনে যোগ দিতে। তাঁর মতে যে ২০ জন শিক্ষার্থী যারা প্রাণ হারিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের গাফিলতির জন্য, তাদের ন্যায়বিচারের দাবিতে তিনি এই আন্দোলনে যোগদান করেছেন এবং অনশনরত যুবক-যুবতীদের দাবির সঙ্গে তিনি পূর্ণ সহমত পোষণ করছেন। এই প্রতিবেদনটি লেখার সময় তাঁর অনশনের ১৩ দিন কেটে গেছে। ইতিমধ্যেই সোনমের ওজন প্রায় ৭-৮ কিলো কমে গিয়েছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। শরীর অত্যন্ত দুর্বল। কিন্তু তিনি তাঁর অবস্থানে অনড়

 

সাল ১৯৪৮। সদ্য চিড়ে ফেলা হয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশের মানচিত্র। বাংলা থেকে পাঞ্জাব, শেকড় থেকে উপড়ে ফেলা হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষকে। গোটা দেশ জুড়ে চলছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। হিন্দুত্ববাদী নেতারা দায়ী করছে মুসলমানদের। মুসলিম লিগের নেতারা দায়ী করছে হিন্দুদের। কিন্তু নিজের দেশে নিজের ভিটেমাটিতে থেকেও একরাতেই উদ্বাস্তু হয়ে পড়লেন যে লক্ষ‌ লক্ষ মানুষ, তাঁদের কী হবে? এ প্রশ্নের উত্তর নেই কোনও পক্ষের কাছেই। শহর থেকে গ্ৰাম, দিকে দিকে পড়ে রয়েছে মহিলা থেকে শিশু, নাম-না-জানা শত শত নিথর ঠান্ডা লাশ। কোনও এককালের স্বপ্নের ভারত যেন হয়ে উঠেছে এক দৃশ্যমান নরক। এহেন অবস্থায় পুলিশ, মিলিটারি, কোনও বাহিনীই কাজে আসছে না, কেউই এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না।

এমন সময় এগিয়ে এলেন এক অশীতিপর বৃদ্ধ। হাতে লাঠি, গায়ে খাদির চাদর, চোখে গোল চশমা। গোটা দেশকে জানান দিলেন যদি অবিলম্বে এই পরিস্থিতি শান্ত না হয়, আমরণ অনশনে বসবেন‌ তিনি। প্রয়োজনে নিজের প্রাণ বলিদান করতে দ্বিধা করবেন না। যদি তাতে এই রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা বন্ধ হয়ে শান্তি ফিরে আসে, তবে তাই সই। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৪৮। দিল্লি শহরে তিনি অনশনে বসলেন। তৃতীয় দিনের পর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে লাগল। আর আশ্চর্যজনকভাবে তারপর থেকে উন্নতি হতে শুরু হল রাজধানী দিল্লি তথা গোটা দেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির। মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই গোটা দেশ গান্ধিজির ডাকে সাড়া দিল। এমনকি সীমান্তের ওপারে পাকিস্তান থেকেও আসতে শুরু করল মহাত্মা গান্ধির জন্য উদ্বেগবার্তা ও শান্তি প্রচেষ্টার খবরাখবর। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি সেদিন আত্মধ্বংসী অনশনের মাধ্যমে দেশের হিংসা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। অন্তত কিছুদিনের জন্যে হলেও। গোটা বিশ্ব সেদিন অবাক হয়ে প্রত্যক্ষ করেছিল যে মাঝে মাঝে বন্দুক-বুলেটের থেকেও শক্তিশালী হয়ে ওঠে কিছু মানুষের সত্য ও ন্যায়ের প্রতি আস্থা এবং তাকে জীবনে প্রতিষ্ঠা করার জন্য দৃঢ়তা।

আজ ২০২৬। গান্ধির ভাবনার ভারতবর্ষ আজ অস্তগামী। কিন্তু পরিস্থিতি যেন ফিরে গিয়েছে ৭৫ বছর আগে। দিকে দিকে চলছে সংখ্যালঘুর প্রতি প্রকাশ্যে ঘৃণা-বিদ্বেষ উগড়ে দেওয়ার প্রতিযোগিতা। নৈরাজ্য গ্ৰাস করছে গোটা দেশকে।

ভারতবর্ষের বিগত ৭৫ বছর ধরে ক্রমপরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সসম্মানে টিকে থাকার মূল ভিত্তি ছিল তার সংবিধান। যে সংবিধান ভারতবর্ষের প্রতিটি নাগরিককে দিয়েছিল তাঁর মৌলিক অধিকারগুলিকে প্রয়োগ করে মাথা তুলে বেঁচে থাকার একটি সুযোগ। কিন্তু আজ আমাদের দেশে চলছে সেই সাংবিধানিক অধিকারগুলিকে খর্ব করার কুশলী প্রচেষ্টা। বহু ক্ষেত্রে সফলও হচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু বর্তমান সময় মানুষের সাংবিধানিক অধিকারের ওপর, মৌলিক অধিকারের ওপর যেমন নেমে আসছে ঔপনিবেশিক আমলের মতন আক্রমণ ঠিক তেমনই আবার জনমানসে ফিরে আসছে মহাত্মা গান্ধির সত্যাগ্ৰহের চেতনা। ফিরে আসছে তাঁর অহিংস প্রতিবাদের ভাবনা।

বিগত প্রায় ১ মাস ধরে দিল্লিতে চলছে ছাত্র-যুবকদের আন্দোলন কর্মসূচি। আহ্বায়ক ককরোচ জনতা পার্টি।

২০২৬-এর মে মাস নাগাদ ভারতের চিফ জাস্টিস সূর্যকান্ত ভারতের আন্দোলনকারী, উকিল এবং বেকার যুবকদের ‘ককরোচ’ অর্থাৎ ‘আরশোলা’র সঙ্গে তুলনা করে কটূক্তি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে এইসব মানুষরা ‘সমাজের কীট’। এখান থেকেই শুরু হয় এক অভিনব প্রতিবাদ, সোশাল মিডিয়াতে যার শুরু। ইনস্টাগ্ৰামে তৈরি হয় একটি পেজ। যার নাম রাখা হয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। এই পেজের কর্ণধাররা দাবি করেন যে চিফ জাস্টিস যাদের ‘ককরোচ’ বলে অভিহিত করেছেন তারাই এই পেজটি বানিয়েছে। এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যে চিফ জাস্টিস তাঁর পূর্বতন বক্তব্যকে ঘিরে যে বিতর্ক সৃষ্টি সেটিকে কেন্দ্র করে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেন। কিন্তু তিনি কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাননি।

কিন্তু এই আন্দোলনের কারণ শুধু এটি নয়। সম্প্রতি ভারতবর্ষে ডাক্তারির পরীক্ষা ‘নিট’-এ দেখা যায় ব্যাপক দুর্নীতি এবং অব্যবস্থা। পরীক্ষার পেপার ফাঁস হয়ে যাওয়া থেকে পরীক্ষার সেন্টারের গরমিল এবং পুনরায় পরীক্ষাগ্ৰহণ। এই গোটা প্রক্রিয়ায় মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী। গোটা ব্যবস্থা যে ভেঙে পড়েছে সেই অবস্থাকেই নির্দেশ করে এই অল্পবয়সি প্রাণগুলির হারিয়ে যাওয়া, আত্মহননের পথ বেছে নেওয়া। এই শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকেই কমবেশি সদ্য বিদ্যালয় পাশ করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রণালয় ও নিট-এর ব্যবস্থাকারী এনটিএ-র গাফিলতিতে প্রাণ হারাতে হয় তাদের। এই যুবকদের মৃত্যুর দায় কার?

যখন কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে নিছকই একটি দুর্ঘটনারূপে এই মৃত্যুগুলিকে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় ঠিক তখনই দিল্লিতে অনশনে বসেন একাধিক শিক্ষার্থী। তাঁদের প্রধান দাবি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শিক্ষার্থীদের এই‌ দাবিকে সমর্থন জানিয়ে তাঁদের এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক‌। এই সেই সোনম ওয়াংচুক যাঁকে গতবছর লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় আনার দাবিতে অনশনে বসায় এনএসএ (জাতীয় নিরাপত্তা আইন)-এর ধারায় গ্ৰেপ্তার করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

সোনম ওয়াংচুক-কে ভারতের এক বড় অংশ চিনেছিল থ্রি ইডিয়টস চলচ্চিত্রে আমির খান অভিনীত ‘ফুংসু ওয়াংডু’ চরিত্রটির মাধ্যমে। ফুংসু ছিলেন একজন উদ্ভাবক ও টেকনোক্র‍্যাট। সিনেমার চরিত্রের গণ্ডি ছাপিয়ে সোনম ওয়াংচুক প্রকৃতপক্ষে একজন বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, যিনি নিজের মাতৃভূমি লাদাখের মানুষদের স্বশাসনের অধিকার আদায়ের জন্য এবং লাদাখের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার জন্য নিরলস লড়াই করছেন। বিশ্ব উষ্ণায়ন-সহ আরও বিভিন্ন মানবপ্রসূত কারণের জন্য ক্রমাগত ক্ষতিগ্ৰস্ত হচ্ছে লাদাখের ভূমি, এবং সেটিকে রক্ষা করার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ডাক দেন‌। সাড়াও মিলেছিল প্রবলভাবে। সেইসময় তিনি ২১ দিন অনশন করেছিলেন। যখন কেন্দ্রীয় সরকার থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় শীঘ্রই আলোচনায় বসার, তিনি অনশন ভঙ্গ করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরও যখন সরকারের পক্ষ থেকে কোনওপ্রকারের সাড়া পাওয়া যায়নি তখন তিনি ২০২৫ সালে পুনরায় আন্দোলনের ডাক দেন। কিন্তু সেইবার আন্দোলনের পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠার ফলে তিনি আন্দোলনভঙ্গের ডাক দিতে বাধ্য হন এবং জানান যে এই সহিংস পথে কখনওই দাবি আদায় করা সম্ভব নয়।

কিন্তু তাঁকে রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দেওয়া, লাদাখের মতন আন্তর্জাতিক সীমান্ত অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, এমনকি নেপালের জেন-জি আন্দোলনের আদলে সরকারকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে রুজু করা হয়। তাঁর আন্দোলন নাকি ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ প্রবণতাযুক্ত এই অভিযোগও ওঠে। তার ভিত্তিতেই জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় প্রায় ৬ মাস আটক করে রাখা হয় সোনমকে, যা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে চরম অনৈতিক। কিন্তু গান্ধিজির দেখানো পথেই অনড় সোনম ওয়াংচুক। কখনওই আন্দোলনকে দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে পরিচালিত করার আহ্বান তিনি জানাননি। বরং মানুষের ন্যূনতম অধিকার রক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথকে বারবার তিনি তুলে ধরেছেন, জ্বলন্ত ইস্যুগুলিকে জনমানসে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ঠিক সেভাবেই এবারও ছাত্র-যুবদের ডাকে দিল্লিতে প্রায় একমাস যাবৎ যে আন্দোলন চলছে সেই আন্দোলনে ছাত্র-যুবদের সঙ্গে পুনরায় অনশনে বসেছেন তিনি। আহ্বান জানিয়েছেন দেশের প্রগতিশীল, গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষদেরও এই আন্দোলনে যোগ দিতে। তাঁর মতে যে ২০ জন শিক্ষার্থী যারা প্রাণ হারিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের গাফিলতির জন্য, তাদের ন্যায়বিচারের দাবিতে তিনি এই আন্দোলনে যোগদান করেছেন এবং অনশনরত যুবক-যুবতীদের দাবির সঙ্গে তিনি পূর্ণ সহমত পোষণ করছেন। এই প্রতিবেদনটি লেখার সময় তাঁর অনশনের ১৩ দিন কেটে গেছে। ইতিমধ্যেই সোনমের ওজন প্রায় ৭-৮ কিলো কমে গিয়েছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। শরীর অত্যন্ত দুর্বল। কিন্তু তিনি তাঁর অবস্থানে অনড়।

কিন্তু তাঁর এই প্রতিবাদের ধরন সম্পর্কে ভিন্নমত পোষণ করছে দেশের ছাত্রদের একাংশ। ককরোচ পার্টির এই আন্দোলন শহরের মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবর্ণকেন্দ্রিক— এই সমালোচনা পূর্বেই করেছিল একাংশ। আদৌ এই আন্দোলন সরকারকে প্রভাবিত করবে কিনা তাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এই একই সরকার কৃষকদের কোভিডকালে প্রায় দেড় বছর দিল্লিতে ঢুকতে দেয়নি কারণ তাঁরা ৩টি কালো কৃষি আইন ফেরত নেওয়ার প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। তাঁদের ওপর জলকামান, কাঁদানে গ্যাস সবকিছু প্রয়োগ করা হয়। দীর্ঘসময় পরে কৃষকদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে তিনটি আইন প্রত্যাহার করা হয়। যে সরকার দেশের কৃষকদের ওপর সেইরূপ নির্মম আক্রমণ নামিয়ে আনতে পিছপা হয়নি সেই সরকার নিরস্ত্র ছাত্র-যুবদের আন্দোলনকে আদৌ ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে শিক্ষার্থীদের একাংশের। প্রয়োজনে পরবর্তী সময় এই আন্দোলনের উপরও একইভাবে সরকার থেকে আক্রমণ নামানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন একাংশ। অবশ্য ভারতবর্ষের বিভিন্ন বামপন্থী দলের নেতৃত্ব-সহ বিভিন্ন গণসংগঠন, শিক্ষার্থী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সময় সময় উপস্থিত হয়েছেন আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে, ছাত্রদের দাবির প্রতি নিজেদের সমর্থন প্রকাশ‌ করেছেন। বিভিন্ন শিল্পী, সাংবাদিক, লেখকরাও পৌঁছে গিয়েছেন অনশনরত শিক্ষার্থী এবং সোনমের সঙ্গে দেখা করতে।

মহাত্মা গান্ধির অনশন প্রতিবারই যে সফল হয়েছিল তা নয়। এমনকি নির্মম সহিংস শোষকের লাগাতার আক্রমণের সামনে অহিংস প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া কতখানি কার্যকরী ও নীতিসম্মত তা নিয়েও মতভেদ আছে। কিন্তু এও সত্য যে গান্ধিজির ‘অহিংস সত্যাগ্ৰহে’র গভীর দার্শনিক ব্যাখ্যা দেশে দেশে উদ্ধুদ্ধ করেছে নেলসন ম্যান্ডেলা থেকে মার্টিন লুথার কিংয়ের মতন রাজনীতিবিদদের। আজ সেই পথেরই আরেক পথিক সোনম ওয়াংচুক।

আজ ভারতবর্ষ যখন তার ইতিহাসের এক অন্ধকার সময় অতিক্রম করছে, তখন গান্ধির আদর্শকে সামনে রেখে দিল্লিতে সাদা কুর্তা-পাজামা পরে অনশনে বসেছেন সোনম। ইতিহাস তাঁকে ও আন্দোলনরত ছাত্রদের আশীর্বাদ করে কিনা, আপাতত সেটাই দেখার।

 


*মতামত ব্যক্তিগত

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 5420 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.