সম্প্রীতি চক্রবর্তী
লিভ-ইন আইনের সঙ্গে আমরা যদি ইউসিসি-র ‘ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ন’ বিল মিলিয়ে দেখি তাহলে মেননের উক্তি বুঝতে আরও সুবিধা হবে। নামে 'ফ্রিডম' শব্দটি থাকলেও, এই আইন যে অনেকাংশে ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, তা নিয়ে চর্চা চলছে। রিলিজিয়ন বিল অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি ধর্মান্তরণে উদ্যত হলে তাঁকে ৬০ দিন আগে রাষ্ট্রকে জানাতে হবে, এবং কোনও তৃতীয় ব্যক্তি যদি এই কনভার্সন-এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে, তাহলে পুলিশ এফআইআর নিতে বাধ্য। অর্থাৎ লিভ-ইন বা ধর্মীয় আচরণে দেখা যাচ্ছে উক্ত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ছাড়াও পরিবারের সম্মতি, আত্মীয় কিংবা পাড়ার মতামত বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বারবার প্রশ্ন উঠছে যে এই আইনগুলি ভারতীয় সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করে। তবু নানা অজুহাতে এমন আইন বলবৎ করা হচ্ছে যা ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আচরণ বা ধর্মীয় মতামতকে রাষ্ট্র দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে
ইউসিসি বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে আলোচনা তুঙ্গে। ‘পার্সোনাল ল’ বা পারিবারিক আইন যা রয়েছে আমাদের দেশে, তা জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সকলের জন্য সমানভাবে কার্যকরী হবে। আপাতদৃষ্টিতে এই বিলের সংজ্ঞা শুনে সমানাধিকার বা আইনের চোখে সমতার কথাই মাথায় আসে। ‘এক দেশ-এক আইন’ এমন সাম্যের বাণীর বিরোধিতা কীভাবে হয়! কিন্তু এই যুক্তিপথ ধরেই যদি বলি এক দেশ, এক ভাষা, রং, ধর্ম, খাদ্যাভ্যাস তাহলে বোধহয় এর সমূহ বিপদ কিছুটা বোঝা যাবে। ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্র বিদ্যমান, অর্থাৎ স্বাধীনতার পরে ফেডারেল গঠনকে আপন করা হয়েছিল দেশের বৈচিত্র্যময় ইতিহাসকে লক্ষ করে। তাই ইউসিসি-র মতো আইন দেশকে ‘ঐক্যবদ্ধ’ করবে বা এক জায়গায় আনবে— এমন শব্দবন্ধ ব্যবহার করার আগে ভাবা উচিত যে কোনও একটি জাতি বা ধর্মের মানুষের সামাজিক নিয়ম রক্ষা পেল আর বাকিদের পেল না— এমনটা নয় তো? আমরা জানি যে ভারতে বিয়ে, উত্তরাধিকার বা পারিবারিক মূল্যবোধ অনেকটাই ধর্মকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। ধর্ম ছাড়াও, দলিত সম্প্রদায়, আদিবাসী ও নানা গোষ্ঠীর আলাদা আলাদা ঐতিহ্য এক্ষেত্রে মান্যতা পায়। সুতরাং ইউসিসি বিল যে একীকরণ বা standardization-কে গুরুত্ব দিচ্ছে, সেখানে কতটা সংখ্যালঘুর মতামত গ্রাহ্য পাবে, তা নিয়ে সংশয় থেকে যায়। সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন যে standardization বিষয়টাই খুব গোলমেলে। গ্রেট ট্র্যাডিশন দ্বারা লিটল ট্র্যাডিশনকে নিষ্পেষিত করার ইতিহাস। এখানে গ্রেট আর লিটল বলতে মহৎ বা ক্ষুদ্র নয়, বরং সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু বলে ভাবা যেতে পারে। ইউনিফর্ম শব্দটা গুরুত্ব পাচ্ছে ইউসিসি-তে, এই অভিন্নতার যে ধারণা, তা কি ভারতীয় ফেডারেল স্ট্রাকচার বা শতাব্দীপ্রাচীন বৈচিত্র্যের পরিপন্থী নয়?
এই প্রবন্ধ যদিও ইউসিসি-র সামগ্রিকতা নিয়ে কথা বলার পরিসর নয়। আমরা বরং বেছে নেব ইউসিসি বিলেরই একটি দিক, আরও নির্দিষ্ট করে বললে লিভ-ইন সম্পর্ক নিয়ে যে নয়া আইন পাশ হয়েছে, তার সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা।

সারা দেশের মধ্যে প্রথম ইউসিসি চালু হয় উত্তরাখণ্ডে। তারপর একে একে আসাম, গুজরাত এবং বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গেও নতুন সরকারি জমানায় এই বিল আনার প্রস্তাব গৃহীত হচ্ছে। গত সপ্তাহে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর প্রতিনিধিত্বে এই আইন পাশের সিদ্ধান্ত হয় পশ্চিমবঙ্গে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই রাজ্যে চালু হবে নয়া আইন। নানাবিধ শর্তের মধ্যে লিভ-ইন প্রসঙ্গে ইউসিসি বলে যে, কোনও প্রাপ্তবয়স্ক যুগল একসঙ্গে থাকা শুরু করলে ৩০ দিনের মাথায় তাদেরকে রেজিস্ট্রেশন করে রাষ্ট্রকে জানাতে হবে। তিন বা ছ-মাসের মধ্যে সহবাসের নথিবদ্ধকরণ না হলে জেল বা জরিমানা দুই হতে পারে। দিল্লির অধ্যাপক নিবেদিতা মেনন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে রেজিস্ট্রেশন না করলে উক্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রের চোখে একজন ক্রিমিনাল, এই ধারা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি একটি surveillance state বা নজরদার রাষ্ট্রের দৃষ্টান্তকে সামনে আনে। এখানে বিবাহিত দম্পতি আর লিভ-ইনের মধ্যে কোনও ফারাক রইল না। দুজন মানুষ যদি বিবাহবন্ধনে না গিয়ে একসঙ্গে থাকতে চায়, তবুও বিবাহের সমস্তরকম দায় ও কর্তব্য তাদের উপর বর্তাবে। যেমন ধরুন, বিবাহের ক্ষেত্রে আমরা জানি যে থার্ড পার্টি বা সাক্ষীর প্রয়োজন হয়। এই আইনেও দেখা যাচ্ছে যে লিভ-ইনে থাকতে গেলে প্রেমিকদম্পতির তৃতীয় ব্যক্তির অনুমোদন প্রয়োজন। ভারতবর্ষের মতো দেশে যেখানে আন্তঃধর্মীয় বা অসবর্ণ বিবাহে পারিবারিক আপত্তি খুব সাধারণ ব্যাপার, যা অনেক সময় লিভ-ইন সম্পর্ককে মদত দেয়, সেখানে তৃতীয় ব্যক্তির অনুমোদন প্রাপ্তি প্রায়শই কঠিন হতে পারে। শুধুমাত্র মুম্বাই, দিল্লি বা বড় বড় মেট্রো শহরগুলি দিয়ে এই বিষয় বিচার্য নয়। লিভ-ইন যে কেবল বড় শহরেই হয় এমনও নয়। ছোট গ্রাম বা মফস্বল এলাকায় লাভ জিহাদের বশবর্তী হয়ে নির্মমভাবে হত্যার উদাহরণ ভুরি ভুরি। নিবেদিতা মেনন মনে করেছেন যে এই ধরনের রাষ্ট্রীয় আইনের একটা মূল উদ্দেশ্য হল ইন্টারকাস্ট বা ইন্টার রিলিজিয়স সম্পর্কতে বাধা দেওয়া।
লিভ-ইন আইনের সঙ্গে আমরা যদি ইউসিসি-র ‘ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ন’ বিল মিলিয়ে দেখি তাহলে মেননের উক্তি বুঝতে আরও সুবিধা হবে। নামে ‘ফ্রিডম’ শব্দটি থাকলেও, এই আইন যে অনেকাংশে ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, তা নিয়ে চর্চা চলছে। রিলিজিয়ন বিল অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি ধর্মান্তরণে উদ্যত হলে তাঁকে ৬০ দিন আগে রাষ্ট্রকে জানাতে হবে, এবং কোনও তৃতীয় ব্যক্তি যদি এই কনভার্সন-এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে, তাহলে পুলিশ এফআইআর নিতে বাধ্য। অর্থাৎ লিভ-ইন বা ধর্মীয় আচরণে দেখা যাচ্ছে উক্ত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ছাড়াও পরিবারের সম্মতি, আত্মীয় কিংবা পাড়ার মতামত বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বারবার প্রশ্ন উঠছে যে এই আইনগুলি ভারতীয় সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করে। তবু নানা অজুহাতে এমন আইন বলবৎ করা হচ্ছে যা ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আচরণ বা ধর্মীয় মতামতকে রাষ্ট্র দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
ইউসিসি বিলের প্রভিশন, আইনিপত্র থেকে যদি হুবহু উদ্ধৃত করা যায়, সেখানে বলা হয়েছে:
Live in relationship means a relationship between a man and a woman who co-habit in a shared household through a relationship in the nature of marriage.
(ইউসিসি আসামের প্রিলিমিনারি সেকশনে বর্ণিত)
এখানে ‘ইন দ্যা নেচার অফ ম্যারেজ’ কথাটা খুব জরুরি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ, যিনি সদিচ্ছায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ে না করার, লিভ-ইনে থাকার, তাঁকে বৈবাহিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়ে আসতে সচেষ্ট রাষ্ট্র। এক্ষেত্রে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে যে বিয়ের মতো সিকিউরিটি বা নিরাপত্তা পেলে মহিলারা বিশেষ সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ লিভ-ইনে থাকাকালীন গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হলে কিংবা প্রেমিকের মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তি দাবি, এমন বিভিন্ন বিষয় সুবিধাপ্রাপ্তি হবে। নিবেদিতা মেননের মতো অধ্যাপকরা এখানে একটা জরুরি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বলছেন যে মহিলাদের সুরক্ষা প্রদান করবার জন্য যাবতীয় আইন তো আগে থেকেই মজুত ছিল, যেমন ২০০৫ সালের ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট। এই আইনে বৈবাহিক দম্পতি ছাড়া লিভ-ইন সম্পর্কের গার্হস্থ্য হিংসাকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। আরও আগে গেলে ১৯৭৩ সালের আইন চোখে পড়বে যেখানে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা কোনও মহিলাকে আর্থিক সহায়তা না করলেও পার্টনারের হাজতবাস হতে পারে বলা হয়েছিল (কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিওর, সেকশন ১২৫)। তাহলে ইতিমধ্যে তৈরি হওয়া সুরক্ষাবলয়গুলি আরও মজবুত না করে নতুন করে ইউসিসি গঠনের কেন দরকার পড়ল? এর উত্তরে আবারও ফিরে যাই বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানকে স্বাভাবিক, স্বতঃস্ফূর্ত, বা মহিমান্বিত করার প্রচেষ্টায়। বিয়ে শব্দটা শুধু উহ্য রেখে বিয়ের যাবতীয় আইন, দায়বদ্ধতা বা কর্তব্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হল, যাতে বিয়ে বা লিভ-ইনে খুব বেশি ফারাক না থাকে। ইউসিসি-র এই আইনে কুমিরছানার মতো সামনে রাখা হল মহিলা সুরক্ষা, সমতা বা ন্যায়ের প্রশ্নকে কিন্তু যেটা উহ্য থেকে গেল, তা হল ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং ‘সারপ্রাইজ ম্যারেজের’ মতো বিষয়। কী এই সারপ্রাইজ ম্যারেজ? Indian Journal of Law and Legal research থেকে প্রকাশিত একটি গবেষণালব্ধ আর্টিকেলে বলা হচ্ছে যে ইউসিসি-র এই আইন, লিভ-ইনে থাকা যুগলদের কাছে একটা ‘সারপ্রাইজ ম্যারেজে’র মতো। অর্থাৎ কিছু সময় পর তাদের সম্পর্ক যে আসলে বিয়েতেই পরিণত হয়েছে, আইনের চোখে, এবং সেক্ষেত্রে তাদের আলাদা করে সম্মতি নেওয়া হয়নি কখনও, তা বোধগম্য হয়। এই নিবন্ধে বলা হচ্ছে, কীভাবে দুজন মানুষ একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিলে রাষ্ট্রকে নিজের আধার কার্ড, প্যান, এমনকি প্রয়োজনে ডিজিটাল তথ্যও দেখাতে হতে পারে। ডিজিটাল এভিডেন্স মানে ব্যক্তিগত ওয়াটসঅ্যাপ, পেমেন্ট রেকর্ড, কল লগ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ইত্যাদি। এই সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্যের উপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা (মৌলিক অধিকারকে) লঙ্ঘন করে।
যদি ভারতের এই আইনের সঙ্গে সারা বিশ্বের লিভ-ইন প্রভিশনগুলির তুলনা করা যায়, তাহলে প্রথমেই ফ্রান্সের PAC (pacte civil de solidarite)-র কথা উঠে আসে। ১৯৯৯ সালের ফরাসি আইনের সঙ্গে ইউসিসির পার্থক্য হল এখানে বিবাহ ও সহবাসের মধ্যে একটি চয়েস দেওয়া হয় দম্পতিকে। কিছুদিন লিভ-ইনের পরে এমনিতেই একটা সম্পর্ককে বিয়ে হিসেবে ঠাহর করে নেয় না রাষ্ট্র। সম্পর্কে থাকা ব্যক্তিরাই কনসেন্ট বা নিজ সম্মতিতে তাদের অবস্থার বিচার করেন। ইংল্যান্ডের সিভিল পার্টনারশিপ অ্যাক্টও অনেকটা সমগোত্রীয়। এখানে লিভ-ইনে থাকা ব্যক্তিরা বিয়ের নানারকম বাধ্যবাধকতা পালন না করেও আইনি সুরক্ষা পায়। সুইডেন বা ফ্রান্সের দৃষ্টান্ত দিয়ে বারবার বলা হয় যে লিভ-ইনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আইনি সুরক্ষার ভারসাম্য রাখাটাই যথাযথ। একটার পাল্লা ভারি হলে অপরটা সঙ্কুচিত হবে।
ভারতের ইউসিসি রাষ্ট্রীয় নজরদারিকে জোরদার করে, লিভ-ইনের ক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যক্তির মতামতকে প্রাধান্য দেয় এবং সবটাই বিষমকামী দম্পতির নিরিখে বিচার করে। লিভ-ইনে সমকামীরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছে? উত্তরাধিকার বা অ্যাবিউজের প্রশ্নে তারা কি সম্পূর্ণ বাদ থাকবে? এমন জরুরি বিষয়গুলি অধরাই থেকে যায়। ৩৭৭ ধারা বাতিলের পর সমকামীরা সমাজে সমাদৃত (অন্তত আইনের চোখে) কিন্তু লিভ-ইনে থাকাকালীন তাদের অধিকার, সুরক্ষা বা নিরাপত্তা নিয়ে ইউসিসি কেন কথা বলে না সেই প্রশ্ন উঠে আসে। কিছুদিন আগে মাদ্রাজ হাইকোর্ট লিভ-ইনকে গান্ধর্ব বিবাহের সঙ্গে তুলনা করেছে। এখানে সত্যিই বিচার্য যে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা বা ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সহবাসের অধিকারের তুলনাটা প্রাচীন শাস্ত্র থেকে নেওয়া উচিত? তাও আবার কোর্টচত্বরে? নাকি যে দেশগুলিতে ক্রাইম রেট কম, মহিলাদের সুরক্ষা বেশি তার দৃষ্টান্ত দেওয়া বেশি জরুরি? আইন পাশের আড়ালে না বলা অভিসন্ধিগুলি বোঝা দরকার। কেন সকলকে patrilineal (পিতৃগোত্রজ) heterosexual (বিষমকামী) ও kinship-based family (জ্ঞাতি পরিবারের) অংশ হতেই হবে, রাষ্ট্রযন্ত্র দ্বারা এই খোপের বাইরে যাতে কেউ না বেরোয় তা সুনিশ্চিত করার যে আপৎকালীন পরিস্থিতি, সেটা নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।
*মতামত ব্যক্তিগত


আপনার মতামত...