শুভাশিস মৈত্র
সম্পাদক হিসেবে ঘরে বসে কেবল ওপিনিয়ন পিস লিখতেন না স্বপ্না দেব, নিজে বহু অ্যাসাইনমেন্ট করতেন। অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের গোপন ডেরায় তাঁর নেওয়া খালিস্তানি নেতা জার্নাইল সিং ভিন্দ্রালওয়ালের ইন্টারভিউ-এর কথা এখনও অনেকের মনে আছে। একজন সাংবাদিকের কাছে এটা খুব বড় সাফল্য। বাঙালি মহিলা সাংবাদিক হিসেবে এই কাজ একমাত্র তিনিই করেছিলেন। ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা-সহ আর বেশ কিছু বড় বড় “ইন্সিডেন্ট” কভার করেছিলেন তখন তিনি। স্বপ্না দেব ছাত্র অবস্থা থেকেই বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫৭ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ। সিপিআইয়েই থেকে গিয়েছিলেন স্বপ্না। তিনি আন্তরিকভাবে বামফ্রন্ট সরকারের সমর্থক ছিলেন। কিন্তু বামফ্রন্টের সমর্থক স্বপ্না দেব আর সম্পাদক স্বপ্না দেব এক মানুষ ছিলেন না
গত বছরের (২০২৫) শেষ মাসের ১৫ তারিখে প্রয়াত হয়েছেন প্রতিক্ষণ পত্রিকার সম্পাদক স্বপ্না দেব। প্রতিক্ষণ পত্রিকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু বছর হল। আমি আমার সাংবাদিক জীবনের একেবারে শুরুর দিকে প্রতিক্ষণে রিপোর্টার হিসেবে কয়েক বছর চাকরি করেছিলাম। তার পর ছেড়ে দিয়ে দৈনিক পত্রিকায় চলে যাই। সে সব প্রায় ৪২ বছর আগের কথা। সম্পাদক স্বপ্না দেবকে সেই সময় আমি খুব কাছ থেকে দেখেছিলাম। তাঁর মৃত্যুর পর এক মাসের বেশি পার হয়ে গিয়েছে। তবু মনে হল, একজন সাংবাদিক হিসেবে সম্পাদক স্বপ্না দেবকে নিয়ে কিছু কথা আমার বলার আছে।
প্রতিক্ষণে-র আবির্ভাব ১৯৮৩ সালে। প্রকাশিত হত মাসের দুই এবং ষোলো তারিখে। প্রতিক্ষণে সাহিত্যের গুরুত্ব বেশি ছিল। তার একটা কারণ, ওখানে তখন কাজ করছেন দেবেশ রায়, অরুণ সেন, পূর্ণেন্দু পত্রীর মতো মানুষেরা। প্রায়ই আসতেন এবং লিখতেন শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, অমিতাভ চৌধুরীদের মতো বহু লেখক এবং কবি। আমি অবশ্য শুরুর দিকে ছিলাম না। বেশ কিছুটা পরে যোগ দিই। বয়সে প্রায় ২৩-২৪ বছরের ছোট হয়েও পূর্ণেন্দু পত্রীর সঙ্গে আমার একটা মুগ্ধ-ছাত্র গোছের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আমি বসতাম পূর্ণেন্দু পত্রীর পাশের ঘরে। সেটা তখন কম বয়সে আমার বেশ অহঙ্কারের বিষয় ছিল। তখন আমাজন, ফ্লিপকার্ট ইত্যাদি জন্মায়নি। ধর্মতলায় “ফরেন বুক স্টোর” ছিল ইংরেজি বইয়ের খনি। পূর্ণেন্দুদা বলে দিয়েছিলেন, আমি প্রচুর দামি বই কিনতাম ওখান থেকে, আর শোধ করতাম সহজ কিস্তিতে।
সম্পাদক হিসেবে ঘরে বসে কেবল ওপিনিয়ন পিস লিখতেন না স্বপ্না দেব, নিজে বহু অ্যাসাইনমেন্ট করতেন। অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের গোপন ডেরায় তাঁর নেওয়া খালিস্তানি নেতা জার্নাইল সিং ভিন্দ্রালওয়ালের ইন্টারভিউ-এর কথা এখনও অনেকের মনে আছে। একজন সাংবাদিকের কাছে এটা খুব বড় সাফল্য। বাঙালি মহিলা সাংবাদিক হিসেবে এই কাজ একমাত্র তিনিই করেছিলেন। ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা-সহ আর বেশ কিছু বড় বড় “ইন্সিডেন্ট” কভার করেছিলেন তখন তিনি। এগুলো এখন সংবাদজগতের অনেকেরই জানা। স্বপ্না দেব ছাত্র অবস্থা থেকেই বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫৭ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ। সিপিআইয়েই থেকে গিয়েছিলেন স্বপ্না। তিনি আন্তরিকভাবে বামফ্রন্ট সরকারের সমর্থক ছিলেন। আর আমার কাহিনি এখান থেকেই শুরু।
বামফ্রন্টের সমর্থক স্বপ্না দেব আর সম্পাদক স্বপ্না দেব এক মানুষ ছিলেন না। এই প্রসঙ্গে কয়েকটি ঘটনার কথা আমি এখানে উল্লেখ করব।
সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় ৭২-এ মুখ্যমন্ত্রী হলেন। ৭২-এর নির্বাচনী রিগিংয়ের কথা এখনও বাঙালি ভোলেনি। সেই সময় ভাই সোমেন গুহ নকশালপন্থী, এই অভিযোগে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সোমেনের দিদি অর্চনা গুহ, সোমেনের স্ত্রী অধ্যাপক লতিকা গুহ এবং তাঁদের পরিবারের আরেক মহিলা সদস্য গৌরী চ্যাটার্জিকে অন্য নামে দমদম থেকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে তিন সপ্তাহের বেশি সময় আটকে রেখে এক টানা অত্যাচার চালিয়েছিলেন পুলিশ অফিসার রুনু গুহনিয়োগী এবং তার কয়েকজন সঙ্গী পুলিশ। এর ফলে ওই তিন মহিলাই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। উল্টো করে বেঁধে পেটানোর ফলে হাঁটার ক্ষমতা হারিয়ে পঙ্গু হয়ে গিয়েছিলেন স্কুলশিক্ষক অর্চনা গুহ। ১৯৭৭-এ বামফ্রন্ট সরকার এল। সোমেন গুহকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল থেকে বলেছিল অর্চনা গুহকে ডেনমার্কে নিয়ে গেলে তারা অর্চনার চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে। পঙ্গু অর্চনাকে ক্রেন দিয়ে বিমানে তুলে ডেনমার্কে নিয়ে গিয়েছিলেন সোমেন গুহ। বিমানভাড়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন প্রথম বামফ্রন্ট সরকারের অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র। অশোক মিত্র সেবারে রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। সেই সময় অনেক প্রাক্তন নকশালপন্থী, কবি, শিল্পী গায়ক নিয়মিত মিছিল করতেন কলকাতায় রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে। বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় এসে প্রায় সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিয়েছিল। ডেনমার্কে দীর্ঘ চিকিৎসার পর অর্চনা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। অর্চনা কলকাতায় ফিরলেন ১৯৮৬ সালে। তখন তাঁর প্রথম সাক্ষাৎকার আমি নিয়েছিলাম। সেটা ছিল এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার। ইতিমধ্যেই দিদি, স্ত্রী-সহ তিন মহিলার উপর পুলিশের অত্যাচারের ঘটনায় বিচারের দাবিতে রুনু এবং তার সঙ্গী পুলিশদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছেন সোমেন গুহ। রুনু ছিলেন প্রবল প্রভাবশালী পুলিশ অফিসার। মামলা চলাকালীন তিনি কলকাতা হাইকোর্ট থেকে একটা অর্ডার বের করে নিয়েছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল, আদালতে অর্চনা গুহ মামলার শুনানির রিপোর্ট সংবাদমাধ্যম ছাপতে পারবে, কিন্তু অর্চনা গুহ মামলা বিষয়ে অন্য কোনও ওপিনিয়ন পিস বা নিবন্ধ ছাপা যাবে না। যার মানে দাঁড়ায়, আমার নেওয়া অর্চনা গুহর ইন্টারভিউ যদি কোনও সম্পাদক ছাপেন তিনি আদালত অবমাননার দায়ে পড়বেন। পরিণতিতে জেলও হতে পারে। রুনু এতটাই ক্ষমতাশালী ছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশ এল আমি স্বপ্না দেবের হাতে আমার নেওয়া ইন্টারভিউয়ের কপি জমা দেওয়ার দিন তিনেক পর। আমার লেখায় এমন তথ্যও ছিল যে, যার বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হওয়ার কথা, জ্যোতি বসুর সরকার তাঁর কাজে সন্তুষ্ট হয়ে সেই কলঙ্কিত রুনু গুহ নিয়োগীকে মামলা চলাকালীন প্রমোশন দিয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার করে দিয়েছেন। বাম জমানাতেও বেড়েছে তাঁর দাপট। স্বপ্না দেব আমার কপি পড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে বললেন, “পরের সপ্তাহে এটাই হবে প্রতিক্ষণের কভার স্টোরি।” আমি বললাম, “হাইকোর্ট যে বলেছে অর্চনা গুহকে নিয়ে এই ধরনের রিপোর্ট ছাপা যাবে না!” স্বপ্না দেব বলেছিলেন, “যদি জেলে যেতে হয় সম্পাদক হিসেবে আমি যাব, কিন্তু এই লেখা পরের সংখ্যা প্রতিক্ষণের কভার স্টোরি।” তাই হয়েছিল। এমনকি জ্যোতি বসুর সরকার রুনুকে “ভালো কাজের” জন্য পুরস্কার হিসেবে প্রমোশন দিয়েছে, সেই অংশও কিন্তু সম্পাদক স্বপ্না দেব, যিনি বামফ্রন্ট সরকারের সমর্থক ছিলেন, লেখা থেকে এডিট করার নামে বাদ দিয়ে দেননি। রুনু আদালতে প্রতিক্ষণে-র কপি দেখিয়েছিলেন। কিন্তু হাইকোর্ট যে-কোনও কারণেই হোক তখন কোনও নির্দেশ দেয়নি। প্রতিক্ষণে-র সেই সংখ্যা বেশ ভালোই বিক্রি হয়েছিল। সেই সময় আমাদের মতো সাংবাদিক এবং মানবাধিকারের জন্য যাঁরা আন্দোলন করেন, তাঁরা সবাই একজোট হয়ে কিছুটা টাকাও তুলেছিলাম আমরা, যাতে অর্চনা গুহর পরিবার প্রবল ক্ষমতাশালী রুনু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। মনে আছে স্বপ্নাদি পাঁচশো টাকা দিয়েছিলেন সেই ফান্ডে। সেই সময় সেটা ছিল অনেক টাকা। রুনু অবশ্য প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অন্যভাবে। আজকাল পত্রিকায় তখন নিউজ এডিটর নাজেস আফরোজ। নাজেস পরে লন্ডনে বিবিসি-র বাংলা সংবাদ বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। নাজেসের অনুরোধে আজকালে অর্চনা গুহর মামলা নিয়ে আমি একটি লেখা লিখি। আরও যে দুজন বিশিষ্ট মানুষ অর্চনা গুহর মামলা নিয়ে ওই একই দিনে একই পৃষ্ঠায় আজকাল-এ নিবন্ধ লিখেছিলেন তাঁরা হলেন দেবেশ রায় এবং ঐতিহাসিক, কালান্তরে-র সম্পাদক গৌতম চট্টোপাধ্যায়। হাইকোর্টের বিচারপতি উমেশ ব্যানার্জি এবং অজিতের (উপাধি মনে পড়ছে না) ডিভিশন বেঞ্চ আমাদের তিনজনের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছিল। সকালবেলায় স্টেটসম্যান পত্রিকায় সেই খবর দেখে আমরা আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলাম। সোমনাথ চ্যাটার্জি, বাচ্চু পাল (খুব বড় আইনজীবী, তাঁর ভালো নাম আমার এখন মনে পড়ছে না, আমাকে ক্ষমা করবেন), অরুণাভ ঘোষ-সহ বেশ কয়েকজন বড় মাপের আইনজীবী এগিয়ে এসেছিলেন আমাদের সেই মামলা লড়তে। এক বছর ধরে চলেছিল সেই মামলা। আমরা জিতেছিলাম।
পরের ঘটনা জেল-বন্দি আজিজুল হকের ডায়েরি নিয়ে। নকশালপন্থী নেতা আজিজুল ছিলেন রাজনৈতিকভাবে সিপিএমের কাছে একজন পথভ্রষ্ট মানুষ। এটা ঠিক, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মধ্যে আজিজুল সম্পর্কে একটা দুর্বলতা আমার চোখে পড়েছিল। আজিজুল আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি। সেখানে এক অফিসার ছিলেন আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু। তিনি একদিন হাতে লেখা একটা বড় খাতা আমাকে দিয়ে বলেছিলেন আজিজুল জেলে বসে এই জেলের ডায়েরি লিখেছেন। তিনি চান এটা প্রকাশিত হোক। জ্যোতি বসুর সরকারের জেলখানা থেকে বেআইনিভাবে বের করে আনা নকশাল বন্দির ডায়েরি বামফ্রন্টের সমর্থক স্বপ্না দেব কি ছাপবেন? আমি একটু কিন্তু কিন্তু করে খাতাটা স্বপ্না দেবকে পড়তে দিয়েছিলাম। এক দিন পরে সম্পাদক আমাকে তাঁর ঘরে ডেকে বললেন, “এটা আমি ছাপব।” তখনও খাতাটা তাঁর সামনে খোলা। বুঝলাম সদ্য পড়া শেষ করেছেন। মনে হল চোখের কোণায় যেন একটু জল চিকচিক করছে। বুঝতে পেরেছিলেন সেটা আমার নজরে পড়েছে। হঠাৎ খুব গম্ভীর হয়ে বললেন, পরের সংখ্যার লেখা যেন আমি ঠিক সময়ে জমা দিই, যেন দেরি না করি। আমি ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম।
এরকম আরও অনেক ঘটনা রয়েছে। আমি এখানে আমার অভিজ্ঞতার কথা বললাম। পরে কখনও সুযোগ পেলে বলব প্রয়াত সাংবাদিক বরেন গঙ্গোপাধ্যায়ের কথা। এশিয়াটিক সোসাইটির ভাণ্ডার থেকে বহু প্রাচীন মুদ্রা নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে বরেনের কভার স্টোরি আমার আজও মনে পড়ে।
স্বপ্না দেব বলতেন যদি ভালো রিপোর্টার হতে চাও, যত অসুবিধাই হোক না কেন, অ্যাসাইনমেন্টে কখনও না বলবে না। একবার হল, উনি আমাদের বললেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লি চলে যেতে। ওল্ড দিল্লিতে একটা সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। তখন খুবই ছোট মাপের সাংবাদিক ছিলাম। কী করে কোটায় রিজার্ভেশন পাওয়া যায় সাংবাদিকদের জন্য, সে সব তখনও জানতাম না। রিজার্ভেশন না পেয়ে রাজধানী এক্সপ্রেসের বাথরুমের সামনে জুন মাসের গরমে চাদর পেতে বসে দিল্লি গিয়েছিলাম। আমার সঙ্গী ছিলেন ফোটোগ্রাফার সোমনাথ ঘোষ। সোমনাথ পরে দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় চলে গিয়েছিলেন আর্টিস্ট হিসেবে। সাত দিন থেকে পরের সংখ্যার জন্য রিপোর্ট পাঠিয়ে যখন দিল্লি থেকে ফিরে এলাম, স্বপ্না দেব আমাকে ঘরে ডেকে একটা রাইটিং প্যাড দিলেন। উপরে লেখা, অসামান্য প্রতিবেদনের জন্য উপহার। এরকম উপহার আমি ওঁর হাত থেকে বেশ কয়েকবার পেয়েছিলাম। সেই যে স্বপ্না দেব বলেছিলেন অ্যাসাইনমেন্ট কখনও না বলবে না, সেটা আমি সারা জীবন মেনে চলার চেষ্টা করেছি।
আজ যখন বহু সম্পাদককে দেখি আলির ভঙ্গিমায় ক্ষমতার প্রসাদপ্রার্থী, তখন একজন স্বপ্না দেবের মতো সম্পাদকের কথা এই ছোট্ট লেখায় আমি বলে রাখলাম। যেন আমরা ভুলে না যাই।

