চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রতি মাসে ছাড়া মেল ট্রেনের রিজার্ভড বগি বা মূল ভাবনা। নবম বর্ষ, মে ২০২৫-এপ্রিল ২০২৬। এই বছর আমাদের রিজার্ভড বগি-তে এসেছে যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা, আরজিকর আন্দোলনের বর্ষপূর্তি, দেশে বাঙালিবিদ্বেষ, ইলা মিত্রের জন্মশতবর্ষ ও তেভাগা আন্দোলন, বিরসা মুন্ডার ১৫০ বছর ও উলগুলানের ১২৫ বছর, পড়তে চাওয়া বইয়ের কথা এবং বর্তমানের অস্থির বিশ্বের কথা
লিখেছেন অনিতা অগ্নিহোত্রী, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, অনুরাধা কুন্ডা, অপর্ণা ঘোষ, অশোক চট্টোপাধ্যায়, আইরিন শবনম, আশিস গুপ্ত, আশীষ লাহিড়ী, উপমা নির্ঝরণী, কুন্তলা বন্দ্যোপাধ্যায়, কুমার রাণা, খালিদা খানুম, জোসেফ বরা, তুহিন, তৃষ্ণা বসাক, দিলীপ চক্রবর্তী, দেবকুমার সোম, দেবাশিস মিথিয়া, নবিউল ইসলাম, পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা, পার্থজিৎ চন্দ, পৃথা তা, প্রতিভা সরকার, প্রতীক, প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী, বোরো বাস্কে, ব্রতীন্দ্র ভট্টাচার্য, মধুশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়, রিয়া মুখার্জি, শ্রীরূপা বন্দ্যোপাধ্যায়, সঞ্জীব দেবলস্কর, সায়নী ব্যানার্জি, সুশোভন ধর এবং সৈকত ব্যানার্জী
অনুবাদ করে প্রকাশ করা হয়েছে অনিল আনন্দ, ইউন সুন, এরিক তুসাঁ, গুয়াদালুপে গঞ্জালেজ, জুনেইদ আলি, পিয়ের আন্দ্রিউ, বিবেক পরত, মুহাম্মদ ইয়াকুব, রেন মু, সুজান ওয়াটকিনস, সুধা রামচন্দ্রন এবং হুয়ান গ্যাব্রিয়েল তোকাতলিয়ান-এর নিবন্ধ
সূচি
ছায়া ঘনাইছে বনে
বদলে যাওয়া বিশ্বব্যবস্থা ও এক নতুন অস্থিরতার আখ্যান
…মূলধারার ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ রাষ্ট্রকে মূল একক ধরে নেয়— রাষ্ট্রের স্বার্থ, রাষ্ট্রের কৌশল, রাষ্ট্রের ক্ষমতা। কিন্তু কোন শ্রেণির স্বার্থ এই রাষ্ট্রনীতিকে পরিচালিত করছে? কার মৃত্যু গণনায় পড়ে না? কার শ্রম, কার ভূমি, কার সম্পদ— এই যুদ্ধের জ্বালানি? অস্ত্রব্যবসার বৈশ্বিক মুনাফা এখন বার্ষিক দুই ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে— এবং প্রতিটি নতুন সংঘাত সেই সংখ্যাটিকে বড় করে। লকহিড মার্টিন, রেথিওন, বিএই সিস্টেমস— এই কর্পোরেশনগুলো কোনও যুদ্ধে সম্পদ হারায় না, প্রতিটি যুদ্ধে সম্পদ অর্জন করে।…
…বনজুড়ে ছায়া ঘনিয়েছে। সেই ছায়া কোথা থেকে এসে কার সুবিধা করে দিয়ে কোথায় ছড়িয়ে পড়ছে— তা না বুঝলে সেই অন্ধকার থেকে বেরোনোর পথ খোঁজাই বৃথা। এই সংখ্যাটি, আগে যেমন বলেছি, সেই বোঝার চেষ্টা। পথ খোঁজারও।…

বিস্মৃত বন্ধুত্বের ইতিহাস: তেহরান ঘোষণা থেকে আজকের ভারতের রহস্যময় নীরবতা — আশিস গুপ্ত
বিশ্বমঞ্চে ট্রাম্প — সুজান ওয়াটকিনস
পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: প্রতিযোগিতার এক নতুন যুগে চিন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র — জুনেইদ আলি, রেন মু ও মুহাম্মদ ইয়াকুব
ট্রাম্পের যুগে ইউরোপ: সংকট, সামরিকীকরণ ও অতি-দক্ষিণপন্থার উত্থান — সুশোভন ধর
পশ্চিম গোলার্ধ: যুদ্ধের অক্ষরে লেখা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস — এরিক তুসাঁ
মোদি ভারতকে দৃঢ়ভাবে ইজরায়েল-মার্কিন শিবিরের অংশ করে তুলেছেন — সুধা রামচন্দ্রন
চিন-রাশিয়া ব্লক: সাম্রাজ্যবাদের টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়ায় বিস্ফোরণ নিতান্তই স্বাভাবিক — প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমেয় হয়রানির মুখে লাতিন আমেরিকার সংশয় — গুয়াদালুপে গঞ্জালেজ ও হুয়ান গ্যাব্রিয়েল তোকাতলিয়ান
ইউক্রেন যুদ্ধে চিনের কৌশল এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থার সম্ভাব্য রূপ প্রসঙ্গে — পিয়ের আন্দ্রিউ
কেন চিন ইরানকে সাহায্য করবে না? — ইউন সুন
সাম্রাজ্যবাদী দাবার ছক ও সমাজতান্ত্রিক প্রতিরোধ: একমেরু ফাঁদের মধ্যে ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা — বিবেক পরত
ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের নতুন ভাষা — দেবাশিস মিথিয়া
নবম বর্ষ, সপ্তম যাত্রা, এপ্রিল, ২০২৬
যে বই পড়বই
মননবিশ্ব ও পাঠকের অ্যান্টি-লাইব্রেরি
…অর্থাৎ না-পড়া বই এক অর্থে পাঠকের পড়তে চাওয়া বই। আর পাঠকের বইয়ের তাকে না-পড়া বইয়ের সংখ্যা আসলে পাঠকের আকাঙ্ক্ষার সীমা যা আদতে সীমাহীন। সদ্য শেষ হয়েছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। তার রেশ ধরেই ‘যে বই পড়বই’— এই চাবি-শব্দবন্ধ নিয়ে গড়ে উঠেছে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের নতুন সংখ্যার প্রচ্ছদভাবনা। মনে পড়ে গেল, আমাদের দেশে বই পড়া বা না-পড়া আলোচনা হয়তো অনেকের কাছে শুধুমাত্র এক বৌদ্ধিক পেশিপ্রদর্শন। কারণ এখনও আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের জীবন পাঠ্যপুস্তকের বাইরে একটি বইও না-পড়ে দিব্যি কেটে যায়। কিন্তু কাউকে বিন্দুমাত্র জ্ঞানবিতরণের পথে না হেঁটে আমরা নিজেদের, শুধুমাত্র নিজেদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে বই পড়াও আসলে একটি শ্রেণিকর্ম, একটি জরুরি class activity। তাই দশদিনের বইমেলা যেন শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শহুরে বাঙালির হুজুগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, ছড়িয়ে পড়ুক বই পড়ার রোগ। আর শুধুমাত্র পঠিত বই দিয়েই যেন পাঠকের সংজ্ঞা নিরুপিত না হয়, পাঠককে চেনা হোক তাঁর এখনও অপঠিত বই পড়ার আকাঙ্ক্ষাটুকু দিয়েও। এতদিন মগ্ন পাঠকের কাছে চর্চার বিষয় ছিল শুধুমাত্র যে বই তিনি পড়েছেন, সেগুলিই। এবার তাঁর ভাবনায় ধরা থাক যে বই তিনি আগামী দিনে পড়বেন, তা-ও।…

স্বৈরতন্ত্র ও শিল্প। আলাপের তিন মিনিট — অনিতা অগ্নিহোত্রী
দ্বিতীয় গুলবদন বেগমের অপেক্ষায় — মধুশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
যে বই পড়তে চাই, কিন্তু পড়িনি — নবিউল ইসলাম
একটা সরল প্রশ্নের জটিলতম উত্তরগুলো বুঝে নিতে চাই — অপর্ণা ঘোষ
‘নাট্যশাস্ত্র’: যে গ্রন্থটি প্রায় পড়িনি — পার্থজিৎ চন্দ
যে বই পড়া হয়নি — অনুরাধা কুন্ডা
যে বই পড়ার সময় হয়নি এখনও — কুন্তলা বন্দ্যোপাধ্যায়
আমার ভয় হয়, তিতিক্ষা… — সৈকত ব্যানার্জী
‘তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা মন’: যে বইটি পড়তে চাই, হয়ে ওঠেনি পড়া — রিয়া মুখার্জি
নবম বর্ষ, ষষ্ঠ যাত্রা, ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিরসা মুন্ডা ১৫০ উলগুলান ১২৫
উলগুলানের ১২৫ বছর পরে লড়াইয়ের ধরন বদলায়নি, বদলেছে শত্রুর বিন্যাস। তখন লড়াই ছিল ঔপনিবেশিক শাসন ও জমিদারির বিরুদ্ধে; আজ তা রাষ্ট্র, কর্পোরেট পুঁজি ও সংখ্যাগুরুবাদী মতাদর্শের একযোগে সাঁড়াশি আক্রমণের বিরুদ্ধে। এই সংখ্যার লেখাগুলি সেই চলমান সংঘর্ষেরই পাঠ দেয়। আমাদের মনে করায়, যে উলগুলান কোনও বন্ধ অধ্যায় নয়— এটি এখনও চলমান এক প্রশ্ন, কার ইতিহাস ইতিহাস হয়ে ওঠে, আর কার কণ্ঠকে গণতন্ত্রের নামে নীরব রাখা হয়। মনে করায় মূলনিবাসীদের দৃপ্ত উচ্চারণ— “আবুয়া দিশুম, আবুয়া রাজ— আমাদের দেশ, আমাদেরই রাজ; জল–জঙ্গল–জমির উপর আমাদের অধিকার।”

দৃঢ়তার প্রতীক বিরসা মুন্ডা এবং জল, জঙ্গল ও জমিন — বোরো বাস্কে
প্রতীক নয়, বিরসা মুন্ডা এক জীবন্ত দর্শন — কুমার রাণা
বিরসা মুন্ডা এবং তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন — জোসেফ বরা
দুনিয়াজুড়ে কর্পোরেটভিত্তিক বিকাশের আড়ালে ধ্বংস হচ্ছে আদিবাসীরা — তুহিন
জনগড় সিং শ্যাম: আত্মহত্যার অধিকার — দেবকুমার সোম
উলগুলানের অসমাপ্ত উত্তরাধিকার: সমকালীন ভারতে উচ্ছেদ, পরিযান এবং আদিবাসীদের বিপন্নতা — ব্রতীন্দ্র ভট্টাচার্য
নবম বর্ষ, পঞ্চম যাত্রা, ডিসেম্বর, ২০২৫
ইলা মিত্র ও তেভাগা
…বিস্মৃতির বিরুদ্ধে লড়াই আসলে শোষিত মানুষের রাজনীতির একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশ ও কাল-নির্বিশেষে শাসক বঞ্চিত মানুষকে নিজেদের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের আবহমান ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিতে চায়। যে সংগ্রামের স্মৃতি ও ইতিহাস বেঁধে বেঁধে রাখে শ্রমজীবী মানুষকে, দেশে দেশে, বর্তমানের সঙ্গে অতীতকেও, শোষকের কুশলী রাজনীতি তা ভুলিয়ে দিয়ে শোষিতকে একা ও বিচ্ছিন্ন করে দিতে চায়৷ তাই ইলা মিত্রের শতবর্ষে তাঁর কর্মময় জীবন ও কাজকে ফিরে দেখার প্রচেষ্টা আসলে বিস্মৃতির বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ…

ইলা মিত্রের ঠিকানা — দিলীপ চক্রবর্তী
জন্মশতবর্ষ, ইলা মিত্র এবং কিছু প্রাসঙ্গিক কথা — অশোক চট্টোপাধ্যায়
ইলা মিত্র: বিশেষণের বিশেষ্য — দেবকুমার সোম
তেভাগা থেকে ন্যায্য এমএসপি-র আন্দোলন: কৃষকের শোষণ আজও অব্যাহত — দেবাশিস মিথিয়া
তেভাগা আন্দোলনের ঐতিহাসিক তাৎপর্য: চা-বাগানের প্রেক্ষিতে — পৃথা তা
নবম বর্ষ, চতুর্থ যাত্রা, নভেম্বর, ২০২৫
বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে…
ভাষা, সত্তা এবং অপরীকরণের রাজনীতি
…আমাদের সামনে এখন চ্যালেঞ্জটা স্পষ্ট: অপরীকরণের রাজনীতিকে প্রতিরোধ করা, জাতীয় অখণ্ডতা এবং ভাষাগত বৈচিত্র্যের মধ্যে মিথ্যা বিভাজনকে প্রত্যাখ্যান করা এবং জোর দিয়ে বলা যে বাংলা ভাষায় কথা বলা— মালদহ, দিল্লি বা বেঙ্গালুরু যেখানেই হোক না কেন— কোনও অপরাধ নয়, বরং ভারতের বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের এক দৃঢ় ঘোষণা। বাঙালির বার্ষিক উৎসব মরসুমের প্রাক-মুহূর্তে সেই ঘোষণাটিই আমরা করতে চেয়েছি…

এই বিদ্বেষ আসলে আরএসএস-বিজেপির হিন্দুরাষ্ট্র প্রকল্পেরই অংশ — আশীষ লাহিড়ী
ভারতে ‘বাংলাদেশি’ বিতর্ক: একটি বিশ্বজনীন দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক প্রবণতা — আশিস গুপ্ত
কোথা হইতে আসিয়াছ তুমি, বাঙালি? — সঞ্জীব দেবলস্কর
বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে… — আইরিন শবনম
নবম বর্ষ, তৃতীয় যাত্রা, সেপ্টেম্বর, ২০২৫
অদ্ভুত আঁধার
আরজিকরের এক বছর
…এই লুম্পেন সংস্কৃতিকে আমরা অস্বীকার করি। আমাদের রাজ্যে জাত, বসবাসকারী, ভ্রমণকারী প্রতিটি নারীর সুরক্ষা ও সম্মান রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের। অন্য সমস্ত সাংবিধানিক দায়িত্বের পাশাপাশি নারীসুরক্ষার এই মৌলিক দায়িত্ব রাজ্যের শাসককে পালন করতেই হবে। এ কোনও আবেদন নয়, এ হল সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক দাবি। এই সহজ কথাগুলোই সজোরে আমরা মনে করিয়ে দিতে চেয়েছি আরেকবার, চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের জুলাই সংখ্যার প্রচ্ছদভাবনায়, যার শিরোনাম: অদ্ভুত আঁধার— আরজিকরের এক বছর। আমাদের এই কথাগুলি কে শুনবেন আমরা জানি না, কিন্তু আমাদের চিৎকার করে যেতেই হবে।…

আমরা দেখি… আমাদের দেখে হাজার চোখ — প্রতিভা সরকার
অভয়া এবং… — আইরিন শবনম
একদিন যদি নিজের মাথায় হাত দিয়ে ফেলে ভুল করে!– রাতদখলের এক বছর — তৃষ্ণা বসাক
এর শেষ কোথায়? — খালিদা খানুম
আরজিকরের এক বছর: মেয়েদের রাখা দাবিগুলোর কী হল? — সায়নী ব্যানার্জি
কসবা-কাণ্ড এবং গণতন্ত্রের লজ্জা: প্রতিবাদীরাও যখন নিঃশব্দ — উপমা নির্ঝরণী
নবম বর্ষ, দ্বিতীয় যাত্রা, জুলাই, ২০২৫
ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা?
…যুদ্ধকে আর ‘অনিবার্য পাপ’ বলে সাফাই দেওয়ার ভণ্ডামি চলতে দেওয়া যায় না। যুদ্ধ অপরিহার্য নয়। যুদ্ধ একটা অপরাধ। বারবার যুদ্ধ বেছে নেয় তারাই— যাদের হারানোর প্রায় কিছুই নেই (শৃঙ্খল তো নয়ই), কিন্তু পাওয়ার আছে অনেক কিছু। এই অন্তহীন আবর্ত থেকে যদি আমরা বেরিয়ে আসতে চাই, তবে যুদ্ধকে তার সমস্ত রোমান্টিক মোহ আর কৃত্রিম মহিমা থেকে মুক্ত করতে হবে।
এই উদ্দেশ্য নিয়েই আমাদের নবম বর্ষের এই প্রথম সংখ্যার অবতারণা— ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা?…

ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধ — আশীষ লাহিড়ী
যুদ্ধ যখন ব্যবসা– ধ্বংসস্তূপে গড়ে ওঠা অস্ত্রশিল্পের সাম্রাজ্য — আশিস গুপ্ত
ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মৃত্যু ঘটল — পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা
যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বলি নারী ও শিশুরা — শ্রীরূপা বন্দ্যোপাধ্যায়
অ্যাঙ্করবাক্যই এ-যুগের বেদবাক্য — প্রতীক
যুদ্ধ, পরিবেশ, এবং ‘নিউক্লিয়ার শীতের গোধূলি’ — অনির্বাণ ভট্টাচার্য
আগের যুদ্ধর স্মৃতির টুকরোটাকরা — অনিল আনন্দ
নবম বর্ষ, প্রথম যাত্রা, মে, ২০২৫

