লেনিনের সঙ্গে কিছুক্ষণ

লেনিনের সঙ্গে কিছুক্ষণ -- অশোক মুখোপাধ্যায়

অশোক মুখোপাধ্যায়

 

[১৫]

[১৬]

জোসেফ ভিসারিওনোভিচ জুগাসভিলি তথা কমরেড স্তালিন (১৮৭৯-১৯৫৩)।

সারা বিশ্বের কমিউনিস্ট আন্দোলনে এক সঙ্গে এত শ্রদ্ধার পাত্র এবং এত নিন্দিত চরিত্র আর একজনও নেই। কমিউনিস্ট বিরোধীদের চোখেও এত বড় শত্রু চরিত্র আর নেই।

সত্যি কথা বলতে গেলে, স্তালিনকে শ্রদ্ধা করার গভীর এবং গুরুতর কারণ রয়েছে, যা অস্বীকার করলে ১৯৩০-৫০ কালে সোভিয়েত সমাজতন্ত্রের অনেক কিছু অর্জনকে বাতিল করে দিতে হবে। দুঃখের বিষয়, সেই সমস্ত অর্জনের গুণগ্রাহী হতে গিয়ে অনেকেই স্তালিনের অন্ধ সমর্থকে পরিণত হয়েছেন। শুধু তাঁর জীবদ্দশায় নয়, পরবর্তীকালেও, এমনকি আজ পর্যন্ত। স্তালিনের কোথাও কিছু ভুল হয়েছিল বলে তাঁরা মানতে চান না। যে বা যারা কোনও কিছু সমালোচনা করবে, তাদের স্তালিন বিরোধী বলে দাগিয়ে দিয়ে কমিউনিস্টদের শিবিরে ব্যবহৃত বাছা বাছা কিছু রাজনৈতিক বিশেষণ (আসলে গালি) তাদের উদ্দেশে নিক্ষিপ্ত করতে চান। সত্যমিথ্যা সহযোগে বেশ কিছু উপকথা নির্মাণের মাধ্যমে স্তালিনকে তাঁরা এক অতিমানব প্রতিপন্ন করতে ব্যগ্র হয়ে থাকেন।

একই সঙ্গে স্তালিনের সমালোচনার করার মতো অনেক বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যা অগ্রাহ্য করলে ১৯৬০-উত্তরকালে কমিউনিস্ট আন্দোলনের ক্রমবর্ধমান ব্যর্থতার হদিশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেখানেও দুঃখের কথা, অনেকেই এই সমালোচনা করার সময় তাঁর গুণের কথাগুলি ভুলে যান বা অস্বীকার করে বসেন। সমালোচনা করার নামে তাঁকে কার্যত এক রক্তপিপাসু দানব বানিয়ে ফেলেন। যিনি তাঁর সমকক্ষ প্রতিপক্ষদের একে একে সরিয়ে দিয়ে পার্টিতে ও প্রশাসনে নিজের স্বেচ্ছাচারিতার নিরঙ্কুশ ব্যবস্থা কায়েম করে ফেলেছিলেন।

অর্থাৎ, উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে একচোখো দৃষ্টিশক্তি অবলম্বন করে থাকেন। খুব কমসংখ্যক মানুষই নিরপেক্ষভাবে দুদিক বিচার করে ভারসাম্যপৃক্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পেরেছেন।

কমরেড স্তালিন যতটা জোরের সঙ্গে আজীবন নিজেকে লেনিনের ছাত্র বলে দাবি করেছেন, তেমনটি সোভিয়েত ইউনিয়নে বা বাইরে আর কেউ করেছেন বলে আমার জানা নেই। ত্রতস্কি বা বুখারিনও নয়। ত্রতস্কি নিজেকে প্রায় লেনিনের সমকক্ষই মনে করতেন। তাঁর সমর্থকরাও মোটামুটি সেইভাবেই তাঁকে মূল্যায়ন করেছেন। সুতরাং কমরেড লেনিন তাঁর এই ছাত্রকে কীভাবে তৈরি করেছিলেন ভবিষ্যতের এক গুচ্ছ দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য, তা আজ সকলের জেনে নেওয়া দরকার। সেই সঙ্গে এও বোঝা দরকার একজন কমিউনিস্ট নেতা হিসাবে স্তালিনের প্রকৃত অবস্থান।

স্তালিন মূল রুশ ভূখণ্ডের বাইরের লোক— জর্জিয়া থেকে উঠে এসেছেন। এক গরিব চর্মকারের সন্তান হিসাবে তাঁর বংশ পরিচয় খুব একটা সম্ভ্রান্ত নয়। লেনিনের সঙ্গে তাঁর শুরু থেকে আলাপ ছিল না। ১৯০৫ সালে আরএসডিএলপি-র বলশেভিক গ্রুপের এক কংগ্রেসে লেনিন প্রথম তিফলিস খনি এলাকা থেকে আসা শ্রমিকদের এই লড়াকু প্রতিনিধির সঙ্গে পরিচিত হলেন। তিনি সেবারে জুগাসভিলিকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে নিতে চাইলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেলেন না। তখন তিনি প্রস্তাব দিলেন, এঁকে তাহলে কেন্দ্রীয় কমিটির স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য গণ্য করা হোক।

সভাস্থলেই লেনিন তাঁকে ডেকে বললেন, আপনি কয়েক দিন থেকে যান। আপনার সঙ্গে কথা আছে।

স্তালিন থেকে গেলেন। লেনিনের সঙ্গে তাঁর অনেক কথা হল কদিন ধরে। রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্গত অ-রুশ জাতির একজন প্রতিনিধিকে পেয়ে লেনিন খুব খুশি। বিশেষ করে তিনি রুশ ভাষাতে যথেষ্ট স্বচ্ছন্দ। মাটির গন্ধ যেন লেগে আছে এই মানুষটির চোখেমুখে। নিজের উপর খুব আস্থা। কথা কম বলেন। নিজের বক্তব্য অত্যন্ত গুছিয়ে উপস্থাপন করেন।

ক্রুপস্কায়া লক্ষ করেছেন দুজনের এই লাগাতার ঘনিষ্ঠ আলাপন। তিনি জিগ্যেস করেই বসলেন লেনিনকে, ইলিচ, ইনি খুব কাজের লোক মনে হচ্ছে, তাই না?

–হ্যাঁ, নাদিউশা, নিকোলাই বাউমানের পর আমি এই আর একজনের সাক্ষাত পেলাম যিনি তাত্ত্বিক এবং সাংগঠনিক— উভয় দিকেই বেশ পারদর্শী। নিকলুচকা তো জেলে থাকায় কংগ্রেসেও আসতে পারল না। এখন কী অবস্থায় আছে তাও জানি না। বাউমান যদি মূল রাশিয়ার কাজটা দেখতে পারে, ইনি হয়ত এশিয়ান ভূখণ্ডে দলের দায়িত্ব নিতে পারবেন।
–তুমি এনার উপর এতটা ভরসা করছ?
–ইনি ভরসা করার মতোই কমরেড। ককেসাসের পুবদিকে দলের সাংগঠনিক জাল বিস্তার করতে সুবিধা হবে।
–বাঃ, বেশ ভালো খবর।
–সবচাইতে বড় কথা, কমরেড কোবা দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে খুব কঠোর এবং একশ শতাংশ নিয়মানুগ।

১৯০৫ সালের নভেম্বরে যখন বাউমানকে হত্যা করা হল, লেনিন ধীরে ধীরে স্তালিনের উপর ক্রমাগত বেশি বেশি করে আস্থা স্থাপন করতে লাগলেন।

১৯১২ সালে জানুয়ারিতে প্রাগের পার্টি কংগ্রেসে বলশেভিকদের আলাদা কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হল। উপস্থিত না থাকায় তাতে স্তালিনকে রাখা না গেলেও অচিরেই লেনিনের প্রস্তাবে তাঁকে মনোনীত করা হল। পরে স্তালিন আবার এলেন দেশ থেকে লুকিয়ে লেনিনের সঙ্গে দেখা করতে।

লেনিন বললেন, আমাদের একটা দৈনিক পত্রিকা বের করা দরকার। কীভাবে করা যায় বলুন তো?

স্তালিন উত্তর দিলেন, আপনি যদি বলেন, আমি একবার চেষ্টা করে দেখতে পারি। তবে সেক্ষেত্রে আমাদের সাপ্তাহিক পত্রিকাটিকে বন্ধ করে দিতে হবে।

–হ্যাঁ, তাতে অসুবিধা নেই। কিন্তু আপনি কি পারবেন? আপনার মাথার উপর জারের পুলিশের অনেকগুলি মামলা এবং পলাতকি ওয়ারেন্ট ঝুলছে।
–শুরু করে দিই। তার পর কী হয় দেখা যাবে।

১৯১২ সালের এপ্রিল মাসে পুরনো সাপ্তাহিক পত্রিকা ৎস্ভেৎস্দা (নক্ষত্র) বন্ধ করে দিয়ে স্তালিনের সম্পাদনায় বলশেভিক দল বের করতে শুরু করল বহুখ্যাত প্রাভদা (সত্য) দৈনিক পত্রিকা। তবে স্তালিনের নাম অনেক দিন পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল। একজন পলাতক আসামির নামে পত্রিকা বেরোলে তাকে বন্ধ করে দিতে জারের প্রশাসনের অসুবিধা হত না।

পরের বছর প্রোভেশভেনিয়ে পত্রিকার মার্চ এপ্রিল ও মে সংখ্যায় প্রকাশিত হল জোসেফ স্তালিনের “মার্ক্সবাদ ও জাতীয় সমস্যা” নামের এক ক্রমিক প্রবন্ধ, যা পরে পুস্তিকাকারে বেরোয়। প্রথম সংখ্যার কপি হাতে নিয়ে লেনিন ক্রুপস্কায়াকে বললেন, দেখেছ, নাদিউশা, তোমাকে বলেছিলাম এই কমরেড খুব প্রতিভাবান? এই লেখাটা পড়ে দেখো।

–এ তো প্রায় তুমি যেভাবে এই বিষয়ে বলো, সেরকমই লিখেছেন।
–আমি এখনও এই বিষয়ে কিছুই লিখিনি। অন্য প্রবন্ধে শুধু কিছু কিছু ইঙ্গিত দিয়েছি মাত্র। তাও ইনি সব পড়েছেন বলে মনে হয় না। এর মধ্যে এনার নিজস্ব ভাবনারই প্রতিফলন ঘটেছে।
–অনেক দৌড়ঝাঁপের মধ্যেও লেখার সময় কিন্তু বের করে নিয়েছেন।
–আমাদের দল যে সঠিক পথে এগোচ্ছে এই প্রবন্ধই তার একটা বড় প্রমাণ। জারতন্ত্রের একটা অন্যতম খারাপ অবদান হচ্ছে জাতিতে জাতিতে বৈরী, হিংসা বিদ্বেষের জন্ম দেওয়া। মার্ক্সবাদীদের মধ্যেও জাতীয়তাবাদী মনোভাবের প্রকট লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এরকম সময়ে এই প্রবন্ধ অনেককেই দিশা দেখাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে।

এক সময় ১৯০৫-এর রুশ বিপ্লবের ব্যর্থ প্রয়াসের পরে ডুমায় যোগদানের বিষয়ে স্তালিনের সঙ্গে লেনিনের মতপার্থক্য হয়। স্তালিন মনে করেছিলেন, বিপ্লবীদের ডুমায় গিয়ে সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। লেনিন তাতে একমত হননি। তিনি ১৯০৫-এ ডুমা নির্বাচন বয়কটের ডাক দেবার পর দলে আলোচনার ভিত্তিতে ১৯০৬ সালে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন। স্তালিনও তা মেনে নেন।

আবার ১৯১৩ সালে যখন ডুমায় বলশেভিকদের তরফে ছজন এবং মেনশেভিকদের পক্ষে ছজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হলেন, স্তালিন মনে করেছিলেন, ডুমাতে দুই গ্রুপের সদস্যরা এক সঙ্গে কাজ করবে। সেই অনুযায়ী তিনি একটা প্রবন্ধও লেখেন। এই প্রস্তাবেও লেনিন অসন্তুষ্ট হন। স্তালিন আবার যখন দেখা করতে এলেন, তিনি তাঁর আপত্তির কথা জানান। বিভিন্ন মুদ্দায় একমত হলে একসঙ্গে সরকারি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোটাভুটিতে যাওয়া যেতে পারে, কিন্তু দলগতভাবে ঐক্যবদ্ধ কাজের প্রোগ্রাম ছাড়া ডুমায় আলাদা করে এক সঙ্গে কাজ করা যায় না!

লেনিন মনে করেন, যুক্তমঞ্চের রাজনীতি মানে দৈনন্দিন আলগা বোঝাপড়ার বিষয় নয়, যাকে পেলাম জুটিয়ে নিয়ে গায়ে ঢলাঢলি জোট নয়; যুক্ত আন্দোলনের ভিত্তি হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি ও নীতির ভিত্তিতে দৃঢ় বন্ধনের মৈত্রী।

জুগাসভিলি লেনিনের যুক্তি মেনে নিলেন।

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হয়ে গেলে স্তালিন আরও অনেকের সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়ে সাইবেরিয়া গভীর জঙ্গলে নির্বাসিত হলেন।

১৯১৬ সালে জারের পক্ষ থেকে যুদ্ধে রুশ সেনাবাহিনিতে যোগদানের শর্তে তাঁরা মুক্তি পেয়ে যুদ্ধে নাম লেখাতে গেলেন। সকলেই জানেন যুদ্ধে মিত্রপক্ষ জয়লাভ করলেও রাশিয়া জার্মানির সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হয়নি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দলে দলে সৈনিকরা দেশে ফিরে আসতে থাকেন প্রবল বিক্ষোভ নিয়ে। খাদ্য নেই, পোশাক নেই, জুতোমোজা নেই। এমনকি অস্ত্রশস্ত্রেরও অভাব। সৈনিকরা বেশিরভাগই সাধারণ শ্রমিক কৃষক পরিবারের সন্তান। আর ছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। ফলে তাদের ঐক্যবদ্ধ করে জারের বিরুদ্ধে অস্ত্র ঘুরিয়ে ধরতে বিপ্লবীদের খুব একটা অসুবিধা হল না। ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জারতন্ত্রের পতন হল।

আজ সকলেই জানেন জারতন্ত্রের বিরুদ্ধে সফল সেই বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবকে লেনিন কীভাবে তাঁর প্রজ্ঞা বিচক্ষণতা সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতাকে কাজে লাগিয়ে খুব দ্রুততার সঙ্গে সর্বহারা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের দিকে টেনে নিয়ে গেলেন।

যাঁরা জন রিডের দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন বইটি পড়েছেন, তাঁরা জানেন, রুশ বিপ্লবের জমি কীভাবে তৈরি হয়েছিল, বিপ্লব এসে জনগণের জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান করে দেবে— এরকম একটা জনপ্রিয় লোকশ্রুতি মুখে মুখে ফিরছিল সেই সময়। রুটি, জমি আর শান্তির দাবিতে সেই লোকশ্রুতির জন্ম হয়েছিল। আশ্চর্যের কথা হল, একশো বছর ধরে দুনিয়া কাঁপানো সেই বইটির ভেতরে স্তালিনের নাম কোথাও নেই!

স্তালিনের কট্টর সমালোচকদের অনেকে দাবি করেছেন, ১৯১৭ সালের অক্টোবরের সেই ঝোড়ো দিনগুলিতে বিপ্লবী সংগ্রাম গড়ে তোলার কাজে নাকি কমরেড স্তালিন ছবিতে কোথাও ছিলেন না। সেই কথা সত্য নয়। লেনিনের পাশে ত্রতস্কি যেমন ছিলেন, স্তালিনও ছিলেন— একেবারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। এক একজন এক একরকম ভূমিকায়। সেই ভূমিকার পার্থক্যীকরণে ত্রতস্কি ছিলেন বলে যতটা প্রচার পেয়েছে, ঠিক তারই ব্যস্তানুপাতে স্তালিনের ভূমিকা প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে গেছে।

আমাদের কালে যাঁরা সমালোচনা করে “একনায়ক” স্তালিনের জীবনী রচনা করেছেন, তাঁরাও স্বীকার করেছেন, অক্টোবর বিপ্লবের বাস্তবায়নে স্তালিনের সক্রিয় নেতৃত্বকারী ভূমিকা। যেমন, খ্‌লেভনিয়ুক বলেছেন, স্তালিন “filled an important role [in the October Revolution]… as a senior Bolshevik member of the party’s Central Committee, and editor of its main newspaper.” [Oleg V. Khlevniuk (2015), Stalin: New Biography of a Dictator. New Haven and London: Yale University Press.] স্তিফেন কতকিনের মতে, স্তালিন একেবারে “বৈপ্লবিক ঘটনাবলির মাঝখানে” ছিলেন। [Stephen Kotkin (2014), Stalin: Paradoxes of Power, 1878–1928. London: Allen Lane.]

এই সকলের পেছনে থেকে, সকলের নজর এড়িয়ে, নিজেকে লোকচক্ষু থেকে আড়ালে রেখে, প্রচারের উজ্জ্বল আলো থেকে দূরে বসে, নীরবে কাজ করে যাওয়ার যে গুণ স্তালিনের ছিল, তাই তাঁকে দলের ভেতর অসম্ভব জনপ্রিয় করে তুলেছিল, এবং দলের কাছে তাঁকে প্রায় অপরিহার্য করে ফেলেছিল। এর ভিত্তিতেই ক্ষমতার অলিন্দে তাঁর মন্থর উত্থান।

[স্তালিন প্রসঙ্গে আরও কথা পরের কিস্তিতে]


ছবি পরিচিতি: 
১। লেনিনের সঙ্গে সংলাপে স্তালিন;
২। লেখায় ব্যস্ত

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 3172 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...