প্রসঙ্গ সদ্যোপ্রয়াত চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত (১৯২৫-২০২০): এক মহান প্রত্নগবেষকের কথা

চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত | প্রত্নতত্ত্ববিদ

তুলসীদাস মাইতি

 


লেখক কবি, প্রবন্ধকার, লোক-গবেষক, সম্পাদক, পেশায় শিক্ষক

 

 

 

একজন না থাকা মানুষকে রেখে দেওয়ার গভীর তৃষ্ণাই বলে দেয় মানুষটির কতটা প্রয়োজন ছিল। যে সমস্ত মানুষ মৃত্যুতে সাময়িক শূন্যতা এনে দিয়েও সময়কে অতিক্রম করে থেকে যান তাঁদের সংখ্যা অল্পই। তাঁদের এই অপরিহার্য সঞ্চরণ এক নীরব ক্রিয়া। যে মানুষটির কথা বলতে গিয়ে এই অমোঘ প্রসঙ্গের অবতারণা তিনি সদ্যোপ্রয়াত চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত। বাংলার এক বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ ও পুরাতত্ববিদ। প্রকৃত প্রস্তাবেই তিনি ‘মৃত্যুহীন প্রাণ’। একজন আত্মসচেতন, সমাজসচেতন, স্বদেশসচেতন ও ইতিহাসসচেতন পূর্ণ মানুষ। সারাজীবন ধরে ক্ষেত্রসমীক্ষা ও প্রত্নগবেষণার মেধাবী আলোয় তিনি বিচরণ করেছেন। তাঁর সংগ্রহ, উপলব্ধি ও সংরক্ষণের উপদানসমূহ আগামী প্রজন্মের কাছে মূল্যবান সম্ভার।

ইতিহাসবিদ, নৃতত্ত্ববিদ, পুরাতাত্ত্বিক মাণিকলাল সিংহের সঙ্গে ‘আচার্য যোগেশচন্দ্র পুরাকৃতি ভবন’ নামের সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা সহ রাঢ়সংস্কৃতিকেন্দ্রিক নানান চর্চা, গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা— সবই তাঁর মহান কীর্তি। এবং আগামীর কাছে তা মহামূল্যবান অর্ঘ্য।

বঙ্গভূমির এক ঐতিহাসিক ছোট জনপদ বিষ্ণুপুরে চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত জন্মেছিলেন। দেশ তখন পরাধীন। দেশ যখন স্বাধীন হয় তখন তিনি তাজা তরুণ। ভেতরে একটা স্বদেশপ্রেমের আগুন তো ছিলই। মাণিকলাল সিংহের হাত ধরে যখন তিনি ক্ষেত্রসমীক্ষার কাজ শুরু করেন তখন দেশীয় ঐতিহ্যের প্রতি ছিল অগাধ টান। পূর্বসূরি এবং সঙ্গী মাণিকলাল সিংহ নিজেও স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী যুগে পেশায় শিক্ষক চিত্তরঞ্জনবাবু শিক্ষা-আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তাঁর আসল পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাই প্রত্নতত্ত্ব ও পুরাতত্ত্ব বিষয়ক গবেষণার কাজে। এই বিষযের অর্জিত বোধকে তিনি গভীর সাধনায় নিমগ্ন করতে পেরেছিলেন বলেই আজও তিনি সমান প্রাসঙ্গিক। রাঢ়বঙ্গের বিবিধ বিষয়ে তিনি গবেষণামূলক কাজ শুরু করেন পঞ্চাশের দশক থেকেই। তবে আশির দশক থেকে মন্দির বিষয়ক নানান মৌলিক প্রবন্ধ নিবন্ধ ও গ্রন্থ রচনার কাজে সম্পূর্ণ মগ্ন হয়ে যান তিনি।

চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্তের এই অনুসন্ধান বিষয়ক কাজের দুটি দিক। এক, সাংগঠনিক। দুই, সারস্বত সাধনা। আসলে মাণিকলাল সিংহ ও চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্তের কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটা দূরদৃষ্টি ছিল। কাজগুলি থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে উপকৃত হয় সে বিষয়ে তীক্ষ্ণ নজর ছিল তাঁদের। এখানেই তাঁদের মহত্ব। এই কাজ খুব সহজ ছিল না। দিনের পর দিন গ্রামে-প্রান্তরে-ঘাটে-দেবদেউলে গিয়ে তাঁরা সংগ্রহ করেছিলেন ক্ষয়ে যাওয়া ইতিহাসের স্মারকগুলিকে। অবশ্য এ ব্যাপারে এক ঝাঁক মানুষের সঙ্গ ও সাহচর্য পেয়েছিলেন তাঁরা। এক দুজন ছাড়া তাঁদের আর কেউ বেঁচে নেই। তাঁদের কাজের মূল উদ্দেশ্য ছিল দক্ষিণ-পশ্চিম রাঢ় অঞ্চল থেকে ইতিহাস ও পুরাতাত্ত্বিক নমুনা সংগ্রহ করা, একত্রীকরণ করা, তার যথাযথ মূল্যায়ন সহ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা। সাংগঠনিক কাজের গুরুত্ব এখানেই। মূলত এই দুজন মানুষের নেতৃত্বেই বিষ্ণুপুরে নির্মিত হয় ‘আচার্য যোগেশচন্দ্র পুরাকৃতি ভবন’। ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ বিষ্ণুপুর শাখার সঙ্গে যুক্ত হয়েই এই সংগ্রহশালা চলে। আজ যা বঙ্গের এক গুরুত্বপূর্ণ মিউজিয়ামে রূপ পেয়েছে। হাজার হাজার প্রাচীন পুঁথি, ও নানা যুগের মূর্তি সহ নানান ঐতিহাসিক উপাদান এখানে সংরক্ষিত হয়ে আছে। বিষ্ণুপুর সঙ্গীতের পীঠস্থান। বাংলার একমাত্র সঙ্গীত ঘরানা বিষ্ণুপুর ঘরানা। বিষ্ণুপুর ঘরানার প্রথিতযশা শিল্পীগণ, যাঁরা আজ নেই, তাঁদের ব্যবহার করা বাদ্যযন্ত্রাদি সহ নানান উপকরণ ও ছবি এই সংগ্রহশালার একটি আলাদা বিভাগে সংরক্ষিত রয়েছে। মাণিকলালবাবুর মৃত্যুর পর চিত্তরঞ্জনবাবুর কর্মকাণ্ড থেমে যায়নি। পূর্বসূরি তথা একান্ত কর্মসঙ্গীর স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সব কাজই একই উদ্যমে তিনি করতে থাকেন। বয়সের কারণেও তিনি দুর্বল হয়ে পড়েননি কখনও। সংগ্রহশালা যাতে সরকার অধিগ্রহণ করে তাঁর চেষ্টা করেন এবং পরে সরকার অধিগ্রহণও করেছে। আজীবন তিনি এই সংগ্রহশালার প্রতিষ্ঠাতা সচিব থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন।

চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্তের সারস্বত সাধনার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। রাঢ়ভূমির প্রতিটি কৌণিক বিন্দুকে তিনি চেনার চেষ্টা করেছেন। যা দেখেছেন, যা সমীক্ষা করেছেন তার মূল্যায়নরেখাকে তিনি লিখে গেছেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও সঙ্কলনে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের নানান পত্রপত্রিকায় ছড়িয়ে আছে তাঁর লেখা প্রবন্ধ, সমীক্ষা ও পরিকল্পনা। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচনা করেন যেগুলি বঙ্গদেশের সংস্কৃতি, স্থানীয় ইতিহাস ও প্রত্নচর্চার ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য সংযোজন। লেখালেখি ও গ্রন্থনির্মাণের ক্ষেত্রে মাণিকলাল সিংহ ও তাঁর ক্ষেত্র সামান্য হলেও ভিন্ন। দক্ষিণ-পশ্চিম রাঢ় অঞ্চলের সংস্কৃতি, মানুষজন, জাতি, ধর্ম, কৃষ্টি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বহু মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন মাণিকলাল সিংহ। চিত্তরঞ্জনের গ্রন্থগুলি মূলত প্রত্নমন্দির ও টেরাকোটা বিষয়ে। অবশ্য রাঢ়সংস্কৃতির নানা বিষয় নিয়ে বহু মূল্যবান প্রবন্ধ রচনা করে গেছেন তিনি। তাঁর গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘ভারতের শিল্পসংস্কৃতির পটভূমিকায় বিষ্ণুপুরের মন্দির টেরাকোটা’, বিষ্ণুপুরের মন্দির টেরাকোটা, ‘দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের মুর্তিশিল্প ও সংস্কৃতি’ প্রভৃতি। ‘ভারতের শিল্প সংস্কৃতির পটভূমিকায় বিষ্ণুপুরের মন্দির টেরাকোটা’ গ্রন্থটি  একটি বৃহৎগ্রন্থ। বিষ্ণুপুরের মন্দির গাত্রে টেরাকোটা চিত্রের অপূর্ব নিদর্শনগুলি বর্ণনা ও তাঁর শিল্পগুণকে এক গভীর তাৎপর্যে ব্যাখ্যা করেছেন। বহুদিন ধরে বহু পরিশ্রমসাধ্য কাজ এটি। বহু মূল্যবান ছবি সম্বলিত গ্রন্থটি আগামী প্রজন্মের বড় উপহার। আর আঞ্চলিকতার সঙ্কীর্ণতাকে অতিক্রম করে শিল্পের উত্তরণের দিকটিও এখানে লক্ষণীয়। প্রাক-আর্য যুগ থেকে ব্রিটিশ শাসন পর্যন্ত ভারতীয় সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটের মধ্যে মল্লরাজাদের শিল্পকর্মকে প্রতিস্থাপিত করেছেন। বিষ্ণুপুরের বৈষ্ণব ধর্মের প্রতিষ্ঠা ও প্রচার, সঙ্গীত ও নৃত্যের পটভূমিকায় কৃষ্ণলীলা— প্রভৃতি বিবিধ বিষয়ের ব্যাখ্যা করেছেন।

‘বিষ্ণুপুরের মন্দির টেরাকোটা’ গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণও প্রকাশিত হয়েছে। এক অনন্য দৃষ্টিভঙ্গিতে তিনি মন্দিরগাত্রের টেরাকোটা শিল্পকে দেখেছেন। পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা করেছেন। তৎকালীন সামাজিক চিত্র ও গৌড়ীয় বৈষ্ণব তত্ত্বের তাৎপর্যকে তিনি নির্মোহ ভাবনায় প্রতিচিত্রিত করেছেন। বইটি সম্পর্কে পূর্ণেন্দু পত্রীর বক্তব্যটি এরকম— “একে একে দুই না হয়ে দুয়ে দুয়ে এক হয়ে ওঠাটা কোনও আঞ্চলিক সংস্কৃতির ক্ষেত্রেই বোধহয় চোখ এড়িয়ে যাবার নয়। বিষ্ণুপুর মন্দিরের টেরাকোটা তার নিজস্ব ভঙ্গিতেই বিষ্ণুপুরের। অথচ তার সেই নিজস্বতা অর্জনের রসায়নে, আদল তৈরির আদিতম লগ্নে, কখন কোন ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়েছে ভারতের নানা প্রান্তের নানা শিল্পধারার প্রেরণাময় উপাদান। চিত্তরঞ্জনবাবুর অনুসন্ধানী দৃকপাত সম্ভাব্য সমস্ত উপদানকেই তুলে ধরেছে তাঁর এই বইটিতে।”

তাঁর ‘দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গের মূর্তিশিল্প ও সংস্কৃতি’ গ্রন্থটি বিশেষ মূল্যবান। দুটি খণ্ডে নির্মিত গ্রন্থে প্রথম ভাগে আছে দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত মূর্তি গুলির ঐতিহাসিক ও পুরাতাত্ত্বিক বর্ণনা। যে অঞ্চল থেকে সংগৃহীত সেখানকার ভৌগোলিক আলোচনাও রয়েছে। গ্রন্থের দ্বিতীয় ভাগে আছে সমস্ত মূর্তির আলোকচিত্র। জৈন-বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের বিবর্তনের ছবি ফুটে উঠেছে এই আবহে। সমাজের নানা ভাঙনের ছবি এই মুর্তিশিল্পের প্রকাশে আছে। লেখক খুব মুন্সিয়ানায় এ সব আলোকপাত করেছেন।

প্রায় দুশোটির বেশি মূর্তির ছবি আছে। প্রতিটি ছবি যেমন প্রাণবন্ত, তেমনই বাঙ্ময়।

গ্রন্থরচনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এই বিষয়গুলি সম্পর্কে বহু আলোচনাসভা ও সেমিনারে বক্তব্য রেখেছেন। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে তিনি বক্তব্য রেখেছেন। বাংলার কৃষ্টিকে দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরার কাজে তিনি ছিলেন বদ্ধপরিকর।

তাঁর মূল্যবান কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বেশ কিছু সম্মানও পেয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। যেমন: মোহনলাল গোয়েঙ্কা সেবা পুরস্কার ১৯৯৭, খেয়ালী পুরস্কার ১৯৯৯, সোপান পুরস্কার ১৯৯৯, সোনারপুর বইমেলা বিশেষ পুরস্কার ২০০৮, গাইডেন্স ফাউন্ডেশন সম্মান ২০০৮, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ প্রদত্ত রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পুরস্কার ২০১০, চারণকবি বৈদ্যনাথ পুরস্কার ২০১১, বিষ্ণুপুর মেলা শ্রদ্ধার্ঘ্য ২০১২, নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন, এলাহাবাদ প্রদত্ত ‘গীতাঞ্জলি শতবর্ষ স্মারক’ সম্মান ২০১৩, জি বাংলা ২৪ ঘন্টা প্রদত্ত অনন্য সম্মান ২০১৪ প্রভৃতি।

মানুষ হিসেবেও চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত ছিলেন বেশ জনপ্রিয়। শান্ত সৌম্য মানুষটি ছিলেন নির্ঝঞ্ঝাট। মিতভাষী। প্রয়োজনের অতিরিক্ত যেমন তিনি বলতেন না, তেমনই যা জানতেন না, দেখতেন না বা বুঝতেন না সে বিষয়ে কিছু বলতেন না। ক্ষেত্র সমীক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর নীতি ছিল, ভালো করে দেখা। যাঁরা তাঁকে কাছ থেকে দেখেছেন তাঁরা জানেন তিনি নিজের কাজে কতটা নিষ্ঠাবান ও শৃখলাপরায়ণ ছিলেন। দেশ বিদেশ থেকে বহু মানুষ আসতেন রাঢ়ভূমি বা বিষ্ণুপুর সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে পরামর্শ নিতে। সবার সঙ্গেই তিনি সাবলীলভাবে আলোচনা করতেন। বহু দেশবিদেশের গবেষক উপকৃত হয়েছেন তাঁর কাছে।

বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও জড়িয়েছিলেন তিনি। বিষ্ণুপুরের ‘নিখিলবঙ্গ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়’-এর তিনি প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ বিষ্ণুপুর শাখার তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। পরে সম্পাদকও ছিলেন মৃত্যুকাল পর্যন্ত।

চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত আজ নেই। বিষ্ণুপুর সহ সমগ্র বঙ্গবাসী হারিয়েছেন তাঁর মতো মাটির মানুষকে। যিনি নিজের সাধারণ ভোগবাদী জীবনের উর্ধ্বে উঠে আগামী মানুষের জন্য রেখে গেছেন অজস্র উপকরণ। তিনি কি শুধুই শিল্পকলা, চিত্রকলা, পট, পাটা এসব নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন? একদমই তা নয়। মানুষের দেখার জন্য, বোঝার জন্য ও গবেষণার জন্য তিনি রেখে গেছেন একজীবন ধরে গড়ে তোলা এক আকরক্ষেত্রকে। তাঁর উত্তরসূরি যাঁরা তাঁরা নিশ্চয় একদিন মূল্যায়ন করবেন। তাঁর কাজ, তাঁর বোধ ও সৃষ্টিকর্মের সৌরভ ছড়িয়ে দেওয়াই হোক আজকের অঙ্গীকার। আর সেটাই হবে একজন সম্পূর্ণ সত্তাসম্পন্ন গুণী আত্মার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

 

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!
About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 3901 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

2 Comments

  1. আপনার গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সমৃদ্ধ করল। আপনার মোবাইল নাম্বার পেতে ইচ্ছুক।

আপনার মতামত...