শাহ্‌ মাত— দাবা এবং দাবা-রাজনীতির নিখুঁত আলেখ্য

অনির্বাণ ভট্টাচার্য

 

Caliph Ar-Radi was walking in the country, and stopped in a lovely garden, replete with lawns and flowers. His courtiers immediately began to dilate on the wornders of the garden, to extol its beauty, and to place it above all the wonders of the world.

“Stop,” cried the Caliph. “As-Suli’s skill at chess charms me more.”

—Al-Masudi, tenth century

ডেভিড শ্যাঙ্ক-এর বই ‘The Immortal Game’ পড়েছিলাম বেশ কয়েক বছর আগে। মনে আছে শুরুটা এভাবেই হয়েছিল। ‘…স্কিল অ্যাট চেস চার্মস মি মোর’। বহু বছর পর বৈভাষিক প্রকাশিত প্রবুদ্ধ ঘোষের ‘শাহ্‌ মাত’ পড়তে পড়তে শ্যাঙ্কের এই বইটার স্মৃতি উঠে এল। কারণ দাবার ইতিহাসের সঙ্গে শুধুমাত্র কিছু অবিস্মরণীয় মুখ এবং কিংবদন্তির নামই জড়িয়ে নেই, দাবার ইতিহাস আসলে বিশ্ব-রাজনীতির ইতিহাস। সম্ভবত কোনও ক্রীড়ার সঙ্গেই এভাবে রাজনীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত নয়, যতটা দাবার সঙ্গে আছে। প্রবুদ্ধর বই ক্রীড়া ও রাজনীতির ইতিহাসকে এভাবেই একটা প্যাকেজে মুড়ে হাজির করেছে। সম্ভবত বাংলায় এভাবে, এত ডিটেলে, পাওয়া যায়নি আগে। ঐতিহাসিক তো অবশ্যই…

‘শাহ্‌ মাত – রোমান্স রাজনীতি রণকৌশল’
লেখক – প্রবুদ্ধ ঘোষ
প্রথম প্রকাশ – জানুয়ারি, ২০২৩
প্রকাশক – বৈভাষিক
প্রচ্ছদশিল্পী – মৃণাল শীল

 

‘শাহ্‌ মাত’-এ গল্প বলার পরিসীমা খুব স্পষ্ট। রোমান্টিক স্কুল, বাংলা ও ভারতীয় দাবার ইতিহাস ও কিছু বিস্মৃত মুখ, স্প্যাসকি-ফিশার কিংবদন্তির ক্রনোলজি, কখনও কারপভ-কাসপারভ অথবা আলেখাইন-বটভিনিক-মিখাইল তাল, ট্র্যাজিক দুই নায়ক পল কেরেস ও ভিক্টর করশনয়, দাবার ইতিহাসের কিছু অরবিটর ও সেইসংক্রান্ত গল্প এবং সর্বোপরি দাবার কিছু নিয়ম ও মুভ— প্রবুদ্ধ বাদ রাখেননি কিছুই। রোমান্টিক জমানার উজ্জ্বলতম শিল্পী পল মরফির কথা বলতে লেখকের কলমে এসেছে সেইসব স্মৃতি— ১৮৭৮ সালে এক বন্ধুর থেকে ২০০ ডলার ধার চেয়ে পরিবর্তে দাবা খেলতে বলায় অবিশ্বাস্যভাবে হেরে গেলেন পল। বললেন— ‘I have done what you require, but the next time I play chess with you, I will give you the queen.’ টাকাটা পরের দিন নিয়ে আসব বলে আসেননি পল। ১৮৮৩ সালে শেষ খেলায় প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উইলিয়াম স্টেইনিৎজের কাছে হেরে গেলেন ক্লান্ত বিধ্বস্ত পল, যে স্টেইনিৎজ পল সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘ওকে খেলতে বোলো না। তুমি খেলো, ও দেখুক। অপেক্ষা করো, কিছুক্ষণ পর যদি পুরনো মরফি ফিরে আসে।’ পুরনো মরফি আসেননি। পরের বছর বাথটবে মাত্র ৪৭ বছরের লেজেন্ডের শরীর নিথর ভেসে উঠেছিল। রোমান্টিক স্কুলের সেইসমস্ত অ্যানালসের মধ্যে পড়ছে বিষপ্রয়োগে খুন হওয়া বিস্ময়বালক লেওনার্দো দ্য কুত্রি বা সিসিলির পাওলো বোই। প্রবুদ্ধর গবেষণায় উঠে আসে ক্যাথলিক যাজক দাবার ওপেনিং তত্ত্বের অন্যতম প্রাণপুরুষ রুই লোপেজের বিরুদ্ধে দ্য কুত্রির এক প্রতিশোধমূলক ম্যাচের অসম্পূর্ণ মুভ। উঠে আসে বিস্মৃতির প্রসঙ্গ। দাবার একাধিক লেজেন্ডের ছায়ায় আশ্চর্য অন্ধকার শ্যামাচরণ ঘটক, কালীচরণ বসাক বা ঈশ্বরচন্দ্র গোস্বামীর নাম। প্রবুদ্ধ কালীপ্রসন্নকে উদ্ধৃত করে লিখছেন— “‘হুতোমের ভাষায় কলকাত্তাইয়া দাবার ‘ইনসাইট জানলে, পাঠকের বহুজ্ঞতার বৃদ্ধি হবে’, হয়তো।”’ আছে বীরভূম থেকে কলকাতায় অর্থের সন্ধানে আসা রামমোহন চক্রবর্তীর কথা যিনি কলকাতার অলিতেগলিতে দাবা শিখে ‘গজপতি’ উপাধি পান। অথবা ১৯৫১ বা ১৮৫৩-তে স্কটিশ দাবাতাত্ত্বিক জন কখরেন ও ‘ইন্ডিয়ান ডিফেন্স’-এর পথিকৃৎ মহেশচন্দ্র ব্যানার্জির সেই লড়াই, এবং ১৯২৪-এ টার্টাকোয়ারের ‘দ্য হাইপারমডার্ন গেম অফ চেস’-এ অপরিসীম কৃতজ্ঞতায় লিপিবদ্ধ সেমিক্লোজড সেন্টার, পোজিশনাল সেন্টারনীতির ওপর মহেশচন্দ্রের অবদানের কথা। বাঙালি মনে রাখেনি। ইতিহাস মনে রেখেছে। তাই তো ম্যানুয়েল অ্যারনের ‘ইন্ডিয়ান চেস হিস্ট্রি’ বই থেকে প্রবুদ্ধ স্মৃতিতে আনছেন ভবানীপুরের প্রাচীন শীতলামাতা মন্দিরের সেই চাতাল যেখানে দুশো বছর আগে নিয়মিত দাবার ঠেক বসত। ইতিহাসের সেইসমস্ত রাস্তা উঠে আসে আরও বিস্তৃত পরিসরে ভারতীয় দাবার দুর্গনির্মাণের ইতিহাসে। কী আশ্চর্য সেইসমস্ত দিন যেখানে গুলাম কাশিমের নেতৃত্বে মাদ্রাজ চেস ক্লাব ও শাহ সাহিবের নেতৃত্বে হায়দ্রাবাদ চেস ক্লাবের মধ্যে ১৮২৮-২৯-এ সংঘটিত হয় দু-দুটো খেলা। প্রবুদ্ধ লিখছেন— ‘খেলা দুটি দূতের মাধ্যমে দানের বার্তা আদান-প্রদান করে হয়েছিল— অর্থাৎ হায়দ্রাবাদে একজন দাবাড়ু বোর্ডে দান দিয়ে অপেক্ষা করতেন, দূত সেই বার্তা নিয়ে মাদ্রাজ শহরে যেত, সেখানে বোর্ডে দান দিয়ে মাদ্রাজের দাবাড়ু দূতকে পাঠাত হায়দ্রাবাদে… মাসের পর মাস ধরে খেলা চলত।’ চলে আসে বিস্মৃতির জেনানায় চলে যাওয়া ষোড়শ শতকের নারী দিলারাম চেঙ্গির নাম, যাঁর ক্ষুরধার মস্তিষ্ক এবং হিউমারে কখনও রক্ষা পান ভুল করে স্ত্রীকে বাজি রাখা অন্যমনস্ক স্বামী অথবা কখনও খোদ সম্রাট শাহজাহান। পরবর্তী প্রজন্ম ভোলে, ‘শাহ্‌ মাত’ ভোলে না কিছুই…

বিস্মৃতি থেকে দাবার টাটকা কিংবদন্তি। স্প্যাশকি-ফিশার বা কারপভ-কাসপারভের একের পর যুগান্তকারী মুভ। প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আশ্চর্য সৌজন্য, সম্মান। স্প্যাশকি সম্পর্কে ফিশারের সেই কথাগুলো— ‘He can blunder way a piece, and you are never sure whether it’s a blunder or a fantastically deep sacrifice. He sits at the board with the same dead expression whether he’s mating or being mated.’ সেই ফিশার যিনি হেনরি কিসিঞ্জারের ফোন না তুলে কিসিঞ্জার এবং খোদ প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে অসম্মান করার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন, তাঁর যাবতীয় সম্মান ছিল শুধু দাবা ও দাবাড়ুকে। ‘শাহ্‌ মাত’-এ রাশিয়ার রূপকথার গল্প, যে রূপকথায় মিশে থাকে একটা সাদা কালো বোর্ড আর ঘুঁটি। ১৯৮৫ সালে কারপভের বিরুদ্ধে অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ম্যাচে খেলতে নামার আগে লেজেন্ড মিখাইল তালের ফোন পেলেন কাসপারভ— ‘শোনো হে, কাল আমার জন্মদিন, এটা ভুলো না যেন।’ কাসপারভ জিতেছিলেন ম্যাচটি। রূপকথার পাতায় পাতায় গল্প। ওয়াশিংটন পার্কের দাবার বোর্ড ও ঘড়ি সাজিয়ে বসে পথচারীদের টাকার বিনিময়ে দাবা খেলতে আহ্বান করা নিঃসঙ্গ লেজেন্ড লাটভিয়ার জোসেফ ইজরায়েল জিলবার, যিনি ১৯৫৭-৫৮ সালে টপ ফর্মের তালকে হারিয়েছিলেন। অথবা ৪৯ বছর বয়সে তালের থেকে বিশ্বখেতাব ছিনিয়ে নেওয়া প্রথম সোভিয়েত গ্র্যান্ডমাস্টার মিখাইল বটভিনিকের নাম, যাঁর অবিচুয়ারিতে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস লিখেছিল ‘আ ডেডিকেটেড কমিউনিস্ট… আ ট্রু হিরো অফ সোভিয়েত ইউনিয়ন’। পাশাপাশি আছেন লেনিন, চে, মার্কস এবং দ্য ইমমর্টাল গেম। ১৯০৮ সালে লেনিন-গোর্কির সেই ঐতিহাসিক খেলা, যেখানে ২৬ দানে জিতে যান গোর্কি। ব্যক্তিগত বিশ্বাসে মতান্তর লেগে থাকলেও দাবায় বরাবর লেনিনের প্রিয় বান্ধব ছিলেন আলেকজান্ডার বোগদানভ। লেনিন-বোগদানভ দীর্ঘ খেলায় সাক্ষী থাকতেন সেই গোর্কি। আছে সংসার ভুলে বন্ধু উইলিয়াম লাইবনেশটের সঙ্গে দিনরাত দাবা খেলার মাঝে কার্ল মার্কসের দাম্পত্য কলহের প্রসঙ্গ। এবং লেখকের আশ্চর্য উদ্ধারে উঠে আসে হাভানায় একটি প্রদর্শনী ম্যাচে লাতিন আমেরিকান দাবাতাত্ত্বিক মিগুয়েল ন্যাইডর্ফের সঙ্গে খেলতে বসে এর্নেস্তো চে গেভারার একটি অসম্পূর্ণ খেলার মুভ।

প্রবুদ্ধ ‘বিশ শতকের দুই কর্ণ’ শিরোনামে কেরেস বা করশনয়কে দেখিয়েছেন, ভেতরে রেখেছেন অনেকেই। কারণ এই খেলার ইতিহাসে তীব্র জিতে যাওয়ার থেকেও ট্র্যাজেডি বেশি। তবু, কোথাও কোথাও কেউ না কেউ হেরে যাওয়ায় কারও থেকে তো এগিয়ে থাকবেনই। প্রবুদ্ধ লিখছেন— ‘দাবার চিরকালী কর্ণের তকমা যদি কেউ পান তিনি পল কেরেস।’ সেই কেরেস, সিসিলিয়ান ডিফেন্স ছিন্নভিন্ন করার কৌশলের আবিষ্কর্তা কেরেস, যিনি একুশ বছর বয়সে ১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ডের মার্গেট প্রতিযোগিতায় আলেকজান্ডার আলেখাইনকে মাত্র ২৩ চালে হারিয়েছিলেন, যাঁর শোকযাত্রায় এস্তোনিয়ার রাস্তায় নেমেছিলেন লাখখানেক জনতা। আছে বিশ্বখেতাব জিততে না পারা দাবার বাইবেল ‘মাই সিস্টেম’-এর লেখক লাটভিয়া থেকে ডেনমার্কে চলে যাওয়া অ্যারন নিমজোউইৎশ বা কোলে-জুকারটর্ট ওপেনিং তত্ত্বের জনক পোল্যান্ডের জোহান হেরম্যান জুকারটর্টের কথা। এবং সেইসমস্ত করশনয় মিথ। একটি সোভিয়েত প্রতিযোগিতায় ভুল করে ঘুঁটিতে হাত দিয়ে সেই ভুল ঢাকতে ঘুঁটিকে চামচ ভেবে চায়ের মধ্যে ডুবিয়ে দিয়ে অন্যমনস্কতার অজুহাতে ম্যানেজ করার সরস গল্প, কখনও একাধিক প্রতিপক্ষকে অবজ্ঞা করে ‘আমি ভদ্রলোক নই, আমি শুধু জিততে চাই’ দাবাদর্শনের একচ্ছত্র অধিপতি ভিক্টর করশনয়, যার অদম্য জেদের শুরু সেই রাজনীতির ইতিহাস, ১৯৪৪ সালে ৯০০ দিনের নাজিকৃত লেনিনগ্রাদ অবরোধকে সামনাসামনি দেখা, পরিবারের একাধিক সদস্যকে হারানো।

লেখকের অসম্ভব পড়াশুনোয় উঠে এসেছেন অদৃশ্য অরবিটররাও, যাঁদের পড়তে হয় ৩০০ পাতার ম্যানুয়াল, অথচ নাম শোনেন না কেউ। ছোটদের প্রতিযোগিতায় টুকটাক ‘স্যার, ও মুখ ভাংচাচ্ছে’ সুলভ মজার পরিস্থিতির পাশাপাশি তাঁদের ম্যানেজ করতে হয় ইস্পাতকঠিন পরিস্থিতিও। একেবারে টাটকা ঘটনা ২০২১-এর উইক এন-জি টাটা স্টিল প্রতিযোগিতায় সর্বকনিষ্ঠ ২৮০০ ক্লাবের সদস্য আলিরেজা ফিরুজার সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় নির্ভুল তর্কে অচল অরবিটর পাভেল ভর্তুবার নাম বা ১৯৯০ সালে হাতঘড়ি লেট হয়ে গিয়ে দেরিতে এসে খেলা হারতে বসা ডেভিড ব্রন্সটাইনকে সময় মনে করিয়ে দিয়ে বাঁচিয়ে দেওয়া অরবিটারের গল্প। অথবা দুই কিংবদন্তি ফিশার-স্প্যাশকির মধ্যস্থতা করে স্মরণীয় জার্মানির লোথার স্কোমিদ, বা ১৯৮৭ সালে কারপভ-কাসপারভ যুদ্ধে কাসপারভকে মুভ লেখার কথা মনে করিয়ে দিয়ে মনঃসংযোগ নষ্ট করার অভিযোগে অরবিটর গিজসেনের সঙ্গে কাসপারভের তর্কাতর্কির কথা। একটি সরস মুহূর্ত রচনায় এসেছেন কুড়ির দশকে প্রতিযোগিতায় ধূমপান নিষিদ্ধ হলেও বোর্ডের পাশে ধূমপান রেখে প্রতিপক্ষ নিমজোউইৎশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িত দাবাড়ু ভিডমার। অরবিটার এলেন, মাথা চুলকে বললেন— ‘কিন্তু ভিডমার ধূমপান তো করেনি।’ নিমজোউইৎশ বলেছিলেন— ‘না করেনি, কিন্তু ধূমপানের ভয় দেখাচ্ছে।’ বাদ যায়নি জোচ্চুরি ধরার গল্পও। ২০১৫ বা ২০১৯-এ শৌচালয়ে গিয়ে স্মার্টফোনে দাবার মুভ দেখে ফিরে আসার জোচ্চুরি ধরে যথাক্রমে জর্জিয়ার গাইয়োজ নিগালিদজ ও লাটভিয়ার ইগর রৌয়িসের খেলা আটকে দেন অরবিটররা।

এই সবকিছু মিলিয়েই ‘শাহ্‌ মাত’। প্রায় সবকিছু পেয়েও কী পেলাম না? এত গল্প, লেখার সঙ্গে ছবি কিন্তু খুব সামান্যই। আরেকটু বেশি থাকলে ভাল লাগত হয়তো। বেশ কিছু চিঠি বা উক্তির উল্লেখ করে গল্প এগোলেও ‘সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে দাবা’— এই বিষয়ে একটা অধ্যায় মনে মনে আশা করছিলাম, পেলাম না।

অবশ্য এসব পেরিয়ে প্রবুদ্ধর ‘শাহ্‌ মাত’ বাংলা ভাষায় এক অন্য উচ্চতার কাজ হয়ে থাকল। বাংলা ভাষায় দাবা ও দাবা-রাজনীতির এই নিদর্শন বিরল। ভাষায়, গল্পে, টেকনিকালিটিতে লেখক যে পারফেকশনে পৌঁছে গেছেন, না বললেও চলে। মিখাইল তালের সেই কথাগুলো মনে পড়ছে—

‘শোনো হে, প্রতিপক্ষকে এমন এক গভীর জঙ্গলে নিয়ে যেতে হবে তোমায়, যেখানে ২+২=৫, আর মনে রেখো সেই গভীর ধাঁধা থেকে বেরোনোর পথ দুজনের মধ্যে একজনই খুঁজে পাবে।‘

‘শাহ্‌ মাত’-এর মজা, এই জঙ্গলে ঢুকে আর বেরোনোর পথ খুঁজতে চাইবেন না পাঠক।

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 4557 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...