বিশ্ব ক্ষুধা সূচক: ক্ষুধা এবং অপুষ্টির সঙ্গে ভারতের চিরন্তন সখ্যের গোলকধাঁধা

আকাঞ্চা সিং

 


আকাঞ্চা মুম্বাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর পপুলেশন সায়েন্সেস-এর পিএইচি স্কলার। বর্তমান নিবন্ধটি গত ১৮ অক্টোবর ডাউন টু আর্থ-এ প্রকাশিত।

 

 

 

আয়ারল্যান্ডের ‘কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ এবং জার্মানির ‘ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে’ সংস্থা যৌথভাবে ২০২১-এর বিশ্ব ক্ষুধা সূচক রিপোর্ট[1] প্রকাশ করেছে। আর ঘুমন্ত দৈত্যটিও যথারীতি আবার জেগে উঠেছে।

১১৬টি দেশ নিয়ে করা এই রিপোর্টে ভারতের স্থান ১০১তম। গত বছর যেটা ছিল ৯৪। অবনমন সাত ধাপ। আর কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে— মায়ানমার (৭১), নেপাল (৭৬), বাংলাদেশ (৭৬) এবং পাকিস্তান (৯২) ভারতের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে।

রিপোর্টে ভারতের ক্ষুধা পরিস্থিতিকে ‘উদ্বেগজনক’ (alarming) গোত্রে ফেলা হয়েছে। ভারতের স্কোর ২০২০ সালের ৩৫.৫ থেকে এই ২০২১-এ নেমে হয়েছে ২৭.৫।

মাত্র ১৫টি দেশ রয়েছে আমাদের দেশের পেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে নাইজেরিয়া (১০৩), চাদ (১১৩), মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (১১৪), ইয়েমেন (১১৫), সোমালিয়া (১১৬)। এই সমস্ত দেশগুলিই পৃথিবীর সরিদ্রতম দেশ হিসেবে সুপরিচিত।

চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে এই ক্ষুধা সূচকের স্কোর পরিমাপ করা হয়:

  • অপুষ্টি (প্রয়োজনের তুলনায় ক্যালোরি গ্রহণ কম)।
  • চাইল্ড ওয়েস্টিং অর্থাৎ পাঁচ বছরের নীচে যেসব শিশুদের উচ্চতার তুলনায় ওজন কম। এটি তীব্র অপুষ্টির সূচক।
  • চাইল্ড স্টান্টিং অর্থাৎ পাঁচ বছরের নীচে যেসব শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম। এটি ধারাবাহিক (ক্রনিক) অপুষ্টির সূচক।
  • পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের মৃত্যুহার।

এই রিপোর্টে ক্ষুধাকাতরতাকে ০ থেকে ১০০-র মধ্যে র‍্যাঙ্ক দেওয়া হয়। সবচেয়ে ভালো ০, অর্থাৎ ক্ষুধার যন্ত্রণা নেই; আর ১০০ হল সবচেয়ে খারাপ। এই সূচক গোটা বিশ্বের পুষ্টি-চিত্রের একটি চুম্বক।

করোনা অতিমারি সারা বিশ্বে যে পরিমাণ প্রাণহানি ঘটিয়েছে সে সম্পর্কে আমরা অবহিত। আমরা এ-ও বুঝতে পারছিলাম যে, এই অতিমারি অর্থনৈতিক এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও ভয়ানক অভিঘাত ফেলেছে। এই ক্ষুধা সূচক যে সেই আশঙ্কাকে সত্য প্রমাণ করল সেটা এখানে উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না।

পরিসংখ্যানগুলি কী বলছে?

এটা ঠিক যে, ক্ষুধার বিরুদ্ধে সামগ্রিকভাবে গোটা বিশ্বের লড়াইটাই বেপথু হয়ে পড়েছে। তবে এই যে ক্যাচ-২২ পরিস্থিতি একটা তৈরি হয়েছে তার জন্য একান্তভাবেই দায়ী ভারতের লাগাতার নিন্দনীয় অবনমন।

ভারতীয় জনগণের প্রায় ১৫.৩ শতাংশ অপুষ্টির শিকার।[2] তবে ২০০৫-০৭-এ এই সংখ্যাটা ছিল ১৯.৬ শতাংশ। শিশুমৃত্যুর হার ৩.৪ শতাংশ। ২০০০, ২০০৬ এবং ২০১২-তে যে অনুপাত ছিল যথাক্রমে ৯.২, ৭.১ এবং ৫.২ শতাংশ। ফলে এই দুই ক্ষেত্রেই আমরা কিছুটা এগোতে পেরেছি বলা যায়।

সারকথায় বলতে হলে, চাইল্ড স্টান্টিং এবং ওয়েস্টিং-এর উচ্চ হারের কারণেই ভারতের এই এত খারাপ স্কোর। যদিও চাইল্ড স্টান্টিং-এ ভারতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে— ২০০০ সালে যেখানে ৫৪.২ শতাংশ ছিল, সেটা ২০২০-তে ৩৪.৭ শতাংশে নেমে এসেছে— তবুও সারা বিশ্বের নিরিখে এই হার এখনও সবচেয়ে খারাপ-দেরই দলে।

ভারতের চাইল্ড ওয়েস্টিং-এর হার ১৭.৭ শতাংশ। খুবই উদ্বেগজনক এবং বিশ্বে সর্বোচ্চ। কিন্তু কী করে যে এই ব্যাপক হার দু দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় একই জায়গায় রয়ে গেল তা অনুমান করা বেশ কষ্টসাধ্য।

২০১০ থেকে ২০১৪— এই পাঁচ বছরে যদিও এই বিষয়ে কিছুটা অগ্রগতি দেখা গিয়েছিল, কিন্তু তা আবার হোঁচট খেয়েছে ২০১৫ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে। প্রায়শই দেখা যায়, তথ্য সংগ্রহে অসঙ্গতির বিষয়টিই এই ধরনের ওঠানামার মূল কারণ।

গ্রাম-ভারতের অধিকাংশ মানুশই যেহেতু কৃষির ওপর নির্ভরশীল, সেহেতু ভারতের ক্ষুধার চিত্রটা অনেকাংশেই মরসুমি। ফসল বোনা থেকে কাটার সময়টুকু বেশিরভাগ অঞ্চলেই শুখা মরসুম হিসেবে গণ্য হয়।

জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা-র তৃতীয় এবং চতুর্থ রাউন্ডের মধ্যেও এই মরসুমি তারতম্য লক্ষ করা যায়। ফলে এরকম হতে পারে যে, এই ক্ষুধা সূচক রিপোর্ট পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার যে রাউন্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, সেই চতুর্থ রাউন্ডে হয়তো ওয়েস্টিং-এর পরিমাণ বেশি ছিল। কারণ সেই তথ্য সংগৃহীত হয়েছিল ফসল বোনার পরে।

তবে ব্যাপক জাতীয় পুষ্টি সমীক্ষা (২০১৬-১৮)-তেও ওয়েস্টিং-এর এই একই হার— অর্থাৎ ১৭.৩ শতাংশ—দেখা গেছে।

দেশের মধ্যেই অনেক দেশ?

আরও গুরুতর বিষয় হল, জাতীয় স্তরের নিচে, অর্থাৎ রাজ্যস্তরের পরিসংখ্যানগুলি দেখলে বোঝা যায় চাইল্ড ওয়েস্টিং-এর ক্ষেত্রে জাতীয় গড় একটা বিভ্রান্তির জন্ম দিতে পারে। কারণ রাজ্যস্তরের এই পরিসংখ্যানগুলিতে অনেক বড় বড় সংখ্যা দেখা যাচ্ছে।

যেমন, ২০১৫-১৬ সালের রাজ্যস্তরে পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের ওয়েস্টিং-এর হিসেব দেখলে দেখা যায় যেখানে মিজোরামের হার ৬.১ শতাংশ, সেখানে উত্তরপ্রদেশের ১৭.৯ শতাংশ, এবং সর্বোচ্চ ঝাড়খণ্ডের ২৯ শতাংশ।

২০১৯-২০-তে এনএফএইচএস-৫-এর পঞ্চম রাউন্ডেও[3] রাজ্যস্তরের হারগুলি একইরকম। যে ২২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সমীক্ষা করা হয়েছে, সবগুলিতেই চাইল্ড ওয়েস্টিং হয় বেড়েছে, নয় একই রয়ে গেছে।

স্টান্টিং-এর ক্ষেত্রেও রাজ্যগুলির পারফর্ম্যান্স আলাদা রকম কিছু নয়। বস্তুত, এই স্টান্টিং এবং ওয়েস্টিং-এর ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন জায়গার মধ্যে এতটা ফারাক সমাজের বিভিন্ন স্তরে বৈষম্যের ব্যাপ্তিকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এবং সেই বৈষম্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রকট লিঙ্গবৈষম্য।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা যায়, যেসব মায়েদের শিক্ষা কম এবং শারীরিক গঠন ছোটখাট, তাদের বাচ্চাদের স্টান্টেড হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সামাজিক ক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্রে, স্বাস্থ্য-পুষ্টি-সুরক্ষা— দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই ব্যাপক বৈষম্যের মোকাবিলা করতে হয়।

এগুলির সঙ্গে পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে আরও কিছু বিষয়— বাল্যবিবাহ, কম বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই[4], ব্যাপক মাত্রায় অ্যানিমিয়ার প্রাদুর্ভাব এবং জন্মনিরোধক বিষয়ে জ্ঞান এবং পছন্দের প্রতুলতা।

মায়ের স্বাস্থ্যের এই নেতিবাচক জিনিসগুলির প্রভাব অবশ্যম্ভাবীভাবেই বাচ্চাদের ওপরে পড়ে। আর একটি বিষয় হল ডায়েরিয়া— যা মূলত সঠিক শৌচব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে ঘটে, এবং চাইল্ড স্টান্টিং ও ওয়েস্টিং-এর ক্ষেত্রে যার গুরুতর অবদান রয়েছে।

এনএফএইচএস-৪-এর তথ্য থেকে দেখা যায় দেশের ৪০ শতাংশ পরিবার খোলা জায়গায় শৌচকার্য করে, এবং মাত্র ৩৬ শতাংশ পরিবার বাচ্চাদের মল নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারে। এর সঙ্গেই যোগ করুন, প্রতি দশজন শিশুর মধ্যে একজন ডায়েরিয়াতে ভোগে।

এই ধরনের পরিবেশ-পরিস্থিতি শুধু মহিলাদেরই নয়, শিশুদেরও খাদ্য এবং পুষ্টির সুরক্ষার ক্ষেত্রে নেতিবাচক অনুঘটকের কাজ করে।

বহুমুখী কারণসমূহ

আমরা যদি ভারতের ১৯৯১ থেকে ২০২০ পর্যন্ত তথ্যগুলি দেখি তাহলে এটা স্পষ্ট বোঝা যায় যে, যে সমস্ত পরিবারগুলিকে জীবনযাপনের ক্ষেত্রে বহুবিধ বঞ্চনার মোকাবিলা করতে হয়, তাদের শিশুরাই এই ওয়েস্টিং এবং স্টান্টিং-এর স্বাভাবিক শিকার।

এর মধ্যে খাদ্যে বৈচিত্রের অভাব, মাতৃত্বকালীন শিক্ষার দুরবস্থা এবং পরিবারগুলির দারিদ্র্যের বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিসংখ্যান থেকে জানা যাচ্ছে এই সময়কালে ভারতে পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের মৃত্যুহার কমেছে।

এই সঙ্কোচনের প্রাথমিকভাবে দায়ী জন্মকালীন শ্বাসরোধজনিত মৃত্যু বা আতঙ্কজনিত মৃত্যু, নবজাতকদের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং ডায়েরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা কমা।

যদিও দরিদ্রতর রাজ্যগুলিতে এবং গ্রামীণ অঞ্চলে অপরিণত প্রসব এবং জন্মকালীন ওজন কম থাকার কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই অপরিণত প্রসব এবং জন্মকালীন ওজন কম থাকার দরুণ মৃত্যুগুলি কমানোর উপায় হল উন্নত প্রসবপূর্ব চিকিৎসাব্যবস্থা, শিক্ষা এবং মায়েদের অ্যানিমিয়া কমানো। ভারতে পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের মৃত্যু কমানোর এগুলিই সবচেয়ে কার্যকরী উপায়।

কী করা যেতে পারে

তাহলে, এই ধাঁধার কী কোনও সমাধান আছে? এই সমস্ত সমস্যাগুলিকে এক লহমায় সমাধান করে দেবে এমন কোনও জাদুদণ্ড যে নেই সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

এখানে অনেকগুলি বিষয় রয়েছে। খাদ্য-নিরাপত্তার অভাব, শৌচকর্ম এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের বেহাল দশা, শোচনীয় ঘরবাড়ির অবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থার নাগাল পাওয়ার অক্ষমতা…। এই সবগুলি মিলেই বাস্তব পরিস্থিতি দুর্বিষহ করে তুলেছে।

এগুলিই ভারতের শিশুদের মধ্যে চোখে পড়ার মতো পুষ্টি-ঘাটতি তৈরি করছে। বিষয়টি আরও কদর্য হয়ে ওঠে যখন আমরা জানতে পারি, যে ভারত খাদ্যে স্বয়ম্ভর। বিগত কয়েক দশকে ভারতে খাদ্যশস্য উৎপাদন তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো।

কিন্তু দরিদ্র এবং নিপীড়িত পরিবারগুলিকে উন্নত মানের পুষ্টিকর খাবারের জোগান দেওয়া এখনও একটা আকাশকুসুম কল্পনা হয়েই রয়ে গেছে।

সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে সরকার নির্ধারিত সুষম খাদ্যের যে তালিকা সেই অনুযায়ী সম্ভাব্য সবচেয়ে সস্তা খাবারটাও ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে চারজনের মধ্যে তিনজনই জোগাড় করে উঠতে পারেন না।

গত পঞ্চবার্ষিকীতে স্বচ্ছ ভারত মিশন-এর ফলে শৌচব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে আশা করা হয়েছিল, ভাবা গেছিল এনএফএইচএস-এর পঞ্চম রাউন্ডে তার প্রতিফলন দেখা যাবে। কিন্তু প্রাথমিক তথ্য যা পাওয়া গেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে সে আশা সুদূরপরাহত।

পুষ্টি এবং খাদ্যসুরক্ষার বহুবিধ সমস্যা মোকাবিলার জন্য ভারতে কিন্তু প্রচুর প্রকল্প কার্যকরী রয়েছে। প্রয়োজন হল, সেই প্রকল্পগুলির পুনর্বিন্যাস— যার লক্ষ্য হবে খাদ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি নয়, পুষ্টির নিরিখে খাদ্যের গুণমান উন্নত করা।

কৃষিতে বিনিয়োগগুলিকে যদি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলির দিকে চালনা করা যায়, তবে তা একটি চেন-রিয়্যাকশনের জন্ম দেবে, যার ফলে দেশের পুষ্টিচিত্রই শেষ বিচারে উপকৃত হবে।

এইগুলি নিশ্চিত করতে আমাদের পরস্পর-বিচ্ছিন্ন সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে। আর তার জন্য জরুরি সরকারের সর্বস্তরে সমন্বিত প্রয়াস।

এর সঙ্গেই যেহেতু যথেষ্ট তথ্য এবং পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া পুষ্টির ক্ষেত্রে অগ্রগতি বোঝা সম্ভব নয়, তাই একটি জাতীয় পুষ্টি তদারকি ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। এই পুরো তদারকির কাজটি তাদের দায়িত্বেই থাকবে।

ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম-এর সাহায্যে পুষ্টির পরিমাপকগুলির ওপর ভিত্তি করে এই রিয়েল-টাইম ডেটা সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ একটি অবশ্যপ্রয়োজনীয় বিষয়।

বিষয়টা হল, আমাদের সামনে পুষ্টি সংক্রান্ত যে চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে, এবং সেগুলির সমাধান যা যা উপায়ে হতে পারে— এ-সবই সবার জানা এবং খুব যন্ত্রণাদায়কভাবে থেকে থেকে এর কেবল পুনরুচ্চারণই চলে।

ফলে পুষ্টি সংক্রান্ত পলিসিগুলিকে সঠিকভাবে কার্যকর করতে তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে যে সমস্ত বাধাগুলি রয়েছে, সেগুলির প্রতি মনোনিবেশ করা এবং তাদের অনুধাবন করাই বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি।


[1] Pandey, Kiran. India slips 7 spots to rank 101 among 116 countries on Global Hunger Index. DownToEarth. 15 Oct 2021.
[2] Number of undernourished people declines in India; obesity in adults on the rise: UN report. The Hindu. 14 July 2020.
[3] NHFS-5: Child mortality drops, prevalence of malnutrition remains high. DownToEarth. 18 Dec 2020.
[4] Half of Indians above 45 either undernourished or overweight: Health ministry study. DownToEarth. 14 Jan 2021.

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 3909 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...