শতবর্ষে বিশ্বভারতীর প্রাসঙ্গিকতা

অচিরাংশু আচার্য

 



অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, বিশ্বভারতী

 

 

 

বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার প্রাককালে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানের সমাজে প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। এইরূপ আবাসিক ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উনি চেয়েছিলেন প্রাচীন ভারতের গুরু-শিষ্য পরম্পরাকে ফিরিয়ে আনতে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিদ্যাচর্চায় নিজেদেরকে নিয়োজিত করতে হবে। তিনি বিশ্বভারতীকে চেয়েছিলেন শিক্ষা ও জ্ঞানের পীঠস্থান করতে। তিনি লিখেছেন—

শিক্ষার প্রকৃত ক্ষেত্র সেই স্থানেই যেখানে বিদ্যার উদ্ভাবন চলিতেছে।

রবীন্দ্রনাথের বিশ্বভারতী নিয়ে যে চিন্তা আমাকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করে তা হল মাটির টান ও প্রকৃতির প্রেম। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন—

আমাদের দেশে কেবলমাত্র কেরানিগিরি, ওকালতি, ডাক্তারী, ডেপুটিগিরি, দারোগাগিরি, মুন্সেফি, প্রভৃতি ভদ্রসমাজে-প্রচলিত কয়েকটি ব্যবসায়ের সঙ্গেই আমাদের আধুনিক শিক্ষার প্রত্যক্ষ যোগ। যেখানে চাষ হইতেছে, কলুর ঘানি ও কুমারের চাক ঘুরিতেছে, সেখানে এ শিক্ষার কোনো স্পর্শও পৌঁছায় নাই। অন্য কোনো শিক্ষিত দেশে এমন দুর্যোগ ঘটিতে দেখা যায় না। তাহার কারণ, আমাদের নূতন বিশ্ববিদ্যালয়-গুলি দেশের মাটির উপরে নাই, তাহা পরগাছার মতো পরদেশীয় বনস্পতির শাখায় ঝুলিতেছে। ভারতবর্ষে যদি সত্য বিদ্যালয় স্থাপিত হয় তবে গোড়া হইতেই সে বিদ্যালয় তাহার অর্থশাস্ত্র, তাহার কৃষিতত্ত্ব, তাহার স্বাস্থ্যবিদ্যা, তাহার সমস্ত ব্যবহারিক বিজ্ঞানকে আপন প্রতিষ্ঠা-স্থানের চতুর্দিকবর্তী পল্লীর মধ্যে প্রয়োগ করিয়া দেশের জীবনযাত্রার কেন্দ্রস্থান অধিকার করিবে। এই বিদ্যালয় উৎকৃষ্ট আদর্শে চাষ করিবে, গো-পালন করিবে, কাপড় বুনিবে এবং নিজের আর্থিক সম্বল-লাভের জন্য সমবায়-প্রণালী অবলম্বন করিয়া ছাত্র শিক্ষক ও চারিদিকের অধিবাসীদের সঙ্গে জীবিকার যোগে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হইবে। এইরূপ আদর্শ বিদ্যালয়কে আমি “বিশ্বভারতী” নাম দিবার প্রস্তাব করিয়াছি।

উনিশ শতকে “মেকলে-মিনিটের” মাধ্যমে বাংলাদেশ-সহ ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চলে উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক পাশ্চাত্য শিক্ষাব্যবস্থা কার্যকরী করে। এই শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বাস্তব জীবনের ও দেশের সংস্কৃতির কোনও মিল না থাকায় রবীন্দ্রনাথ এ হেন শিক্ষাব্যবস্থার ঘোরতর বিরোধী ছিলেন। সেই সূত্রেই ওঁর প্রকৃত শিক্ষার আদর্শ প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠল বিশ্বভারতী।

বিশ্বভারতী শুধু মেকলে-বিরোধী দেশীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবেই গড়ে উঠল না, রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন এক প্রকৃতি-প্রেমী প্রতিষ্ঠান। সেই প্রকৃতি প্রেমের চিন্তা উনি পেয়েছিলেন প্রাচীন ভারতের “তপোবন” চিত্র থেকে। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—

তপোবনের যে প্রতিরূপ স্থায়ীভাবে আঁকা পড়েছে ভারতের চিত্তে ও সাহিত্যে, সে হচ্ছে একটি কল্যাণময় কল্পমূর্তি, বিলাস-মোহমুক্ত প্রাণবান আনন্দের মূর্তি।

এর পর উনি লিখছেন—

আর-একটা কথা আছে। ছেলেরা বিশ্বপ্রকৃতির অত্যন্ত কাছের। আরামকেদারায় তারা আরাম চায় না, সুযোগ পেলেই গাছের ডালে তারা চায় ছুটি। বিরাট প্রকৃতির নাড়ীতে নাড়ীতে প্রথম প্রাণের বেগ নিগূঢ়ভাবে চঞ্চল।… শিশুর প্রাণে সেই যেন গতি সঞ্চার করে।… বিশ্বপ্রাণের স্পন্দন লাগতে দাও ছেলেদের দেহে মনে, শহরের বোবা কালা মরা দেয়ালগুলোর বাইরে।

রবীন্দ্রনাথ বুঝেছিলেন যে শিক্ষার সঙ্গে প্রকৃতির যোগ না থাকলে সেই শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষাতে পরিণত হবে না।

রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ৭ আগস্ট ১৯৪১ সালে। তার আগেই উনি বিজ্ঞানের সুফল ও কুফল দেখে গেছেন। ইউরোপীয় আলোকিত স্রোতে যে বাঙালির নবজাগরণ শুরু হয়েছিল তার অগ্রগতিতে দেশীয় শিক্ষাধারা ও গরিব মানুষের অংশগ্রহণ যে একান্ত জরুরি, তা উনি বুঝেছিলেন। উনি চেয়েছিলেন সেরকমই এক শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বভারতীতে তৈরি করতে যেখানে মানবের কল্যাণে বিজ্ঞান, গবেষণা ও শিক্ষা ব্যবহৃত হবে। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—

আমরা অন্যের ইচ্ছাকে বহন করি, অন্যের শিক্ষাকে গ্রহণ করি, অন্যের বাণীকে আবৃত্তি করি, তাতে করে প্রকৃতিস্থ হতে আমাদের বাধা দেয়। এই জন্য মাঝে মাঝে যে চিত্তক্ষোভ উপস্থিত হয় তাতে কল্যাণের পথ থেকে আমাদের ভ্রষ্ট করে।

১৯৪১ সালে তার জীবনের শেষ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পড়ার জন্য একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ, সেই প্রবন্ধটি আমাদের সুপরিচিত ‘সভ্যতার সংকট’। এই লেখা এবং এই সময়ে রচিত আরও কিছু লেখায় সভ্যতার সঙ্কটের ও দেশের সঙ্কটের দিকটিকে তিনি নানাভাবে দেখার চেষ্টা করেছেন।

বিশ্বসভ্যতার সঙ্কটকে রবীন্দ্রনাথ যে দুটি প্রধান জায়গা থেকে দেখার চেষ্টা করেছেন তার একটি হল ফ্যাসিবাদ, যা তখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, আর অন্যটি হল সাম্রাজ্যবাদ ও দেশে দেশে তার চাপিয়ে দেওয়া পরাধীনতার অন্ধকার। এই বৈশ্বিক সঙ্কটের পাশাপাশি আমাদের দেশের ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতা ও জাতপাতের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে বিভাজনের অভিশাপের মতো দুটি বিষয় নিয়েও রবীন্দ্রনাথ ভেবেছেন। সেই সূত্রে বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব উনি বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—

কোনো জাতি যদি স্বাজাত্যের ঔদ্ধত্য-বশত আপন ধৰ্ম ও সম্পদকে একান্ত আপন বলে মনে করে, তবে সেই অহংকারের প্রাচীর দিয়ে সে তার সত্য সম্পদকে বেষ্টন করে রাখতে পারবে না। যদি সে তার অহংকার দ্বারা সত্যকে কেবলমাত্র স্বকীয় করতে যায় তবে তার সে সত্য বিনষ্ট হয়ে যাবে। আজ পৃথিবীর সর্বত্র এই বিশ্ববোধ উদ্বুদ্ধ হতে যাচ্ছে। ভারতবর্ষে কি এই যুগের সাধনা স্থান পাবে না? আমরা কি এই কথাই বলবো যে মানবের বড়ো অভিপ্রায়কে দূরে রেখে ক্ষুদ্র অভিপ্রায়কে নিয়ে আমরা থাকতে চাই? তবে কি আমরা মানুষের যে গৌরব তার থেকে বঞ্চিত হব না? স্বজাতির অচল সীমানার মধ্যে আপনাকে সংকীর্ণভাবে উপলব্ধি করাই কি সবচেয়ে বড়ো গৌরব? এই বিশ্বভারতী ভারতবর্ষের জিনিস হলেও একে সমস্ত মানবের তপস্যার ক্ষেত্র করতে হবে।

 

রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পরে বিশ্বভারতীর প্ৰয়োজনীয়তা

অনেকেই মনে করেছিলেন যে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পরে বিশ্বভারতী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসাবে তার মর্যাদা হারাবে। রবীন্দ্রনাথ নিজেও বিশ্বভারতীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন। তিনি আর পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো বিশ্বভারতীকে করতে চাননি। আবার ভিন্নভাবে বিশ্বভারতীকে পরিচালনা করতে যে অর্থের প্রয়োজন তা তাঁর ছিল না।

১৯৪০ সালে শেষবারের মতো মহাত্মা গান্ধি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধিজির মধ্যে বিশ্বভারতীর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু আলোচনা হয়। গান্ধিজি বিদায় নেওয়ার দিন রবীন্দ্রনাথ তাঁর হাতে একটি চিরকুট তুলে দেন এবং অনুরোধ করেন ওঁর অবর্তমানে সেটি পড়তে। গান্ধিজি চিরকুট খুলে দেখেন যে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বভারতীর ভবিষ্যৎ তাঁর হাতেই সপে দিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে, স্বাধীন ভারতে প্রধানমন্ত্রী জওহারলাল নেহেরু ও শিক্ষামন্ত্রী মৌলানা আজাদের উদ্যোগে এবং কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথের সহায়তায় ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতীকে একটি স্বাধীন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়, যার প্রথম আচার্য হন প্রধানমন্ত্রী জওহারলাল নেহেরু ও উপাচার্য হন কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ। রথীন্দ্রনাথ দুই বছরের মধ্যে উপাচার্য হিসেবে পদত্যাগ করেন, কিন্তু বিশ্বভারতী তার মধ্যে অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও অনেক। তাই বিশ্বভারতী আর থেমে থাকেনি। নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যেও সে এগিয়ে গেছে।

এই প্রসঙ্গে দুটি কথা বলে রাখা ভালো। প্রথমত, গান্ধি ও নেহেরুর সাহায্য ছাড়া বিশ্বভারতী কখনওই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারত না। দ্বিতীয়ত, বিশ্বভারতী নিছকই যে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয় তা তাঁরা ভালোই জানতেন। শুধু যে বিশ্বভারতী গোটা ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক পীঠস্থান ছিল তাই-ই নয়, তার সঙ্গে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় আশেপাশের গ্রামের উন্নয়ন।

বিশ্বভারতীর অন্য শাখা শ্রীনিকেতন স্থাপিত হয় ১৯২২ সালে মূলত পল্লী পুনর্গঠন ও গ্রামোন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে। এই কাজে কবির প্রধান সহায় ছিলেন ইংল্যান্ডের কৃষিবিজ্ঞানী লেনার্ড এল্মহার্স্ট। রবীন্দ্রনাথ পল্লী উন্নয়নে তাঁর ভাবনার কথা নিয়ে লিখেছেন—

“দেশের সমস্ত গ্রামকে নিজের সর্বপ্রকার প্রয়োজন-সাধনক্ষম করিয়া গড়িয়া তুলিতে হইবে। কতকগুলি পল্লী লইয়া এক একটি মণ্ডলী স্থাপিত হইবে। সেই মণ্ডলীর প্রধানগণ যদি গ্রামের সমস্ত কর্মের এবং অভাব মোচনের ব্যবস্থা করিয়া মণ্ডলীকে নিজের মধ্যে পর্যাপ্ত করিয়া তুলিতে পারে তবেই স্বায়ত্ত-শাসনের চর্চা দেশের সর্বত্র সত্য হইয়া উঠিবে। নিজের পাঠশালা, শিল্প শিক্ষালয়, ধর্মগোলা, সমবেত পণ্যভাণ্ডার ও ব্যাঙ্ক স্থাপনের জন্য ইহাদিগকে শিক্ষা সাহায্য ও উৎসাহ দান করিতে হইবে।”

পল্লী উন্নয়নের এই চিন্তাভাবনা থেকে পরবর্তী সময়ে ভারতবর্ষের সরকার দেশে পঞ্চায়েতব্যবস্থা, গ্রামীণ ব্যাঙ্ক ও সমবায় প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্ব সহকারে প্রচলন করে।

 

বিশ্বভারতীকে আমাদের কতটা প্রয়োজন?

১৯২১ থেকে ২০২১, একশো বছর পরেও, বিশ্বভারতী বেঁচে আছে। সব বিভাগেই ছাত্রছাত্রী পড়তে আসে। বিশ্বভারতী ধারে ও ভারে বেড়েছে। প্রশ্ন হল, বিশ্বভারতী কি যুগোপযোগী হতে পেরেছে? বিশ্বভারতী আজ কতটা প্রাসঙ্গিক?

আমার মনে হয় বিশ্বভারতীর চিন্তা ও আদর্শ আজ সারা বিশ্বের কাছে ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক। আজ আমরা যে পৃথিবীতে বাস করছি, সেখানে প্রকৃতির অবস্থা শোচনীয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যে আর্থিক উন্নয়নের পথ অধিকাংশ দেশ অনুসরণ করেছে, তা প্রকৃতিকে ধংস করে। এই ব্যাপারে রবীন্দ্রনাথ আমাদের বারে বারে তাঁর সাবধানবাণী শুনিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর “The Robbery Of the Soil” বক্তৃতা-প্রবন্ধে লিখেছেন—

The standard of living in modern civilization has been raised far higher than the average level of our necessity. The strain which this entails serves at the outset to increase our physical and mental alertness. The claim upon our energy accelerates growth. This in its turn produces activity that expresses itself by raising life’s standard still higher. When this standard attains a degree that is a great deal above the normal, it encourages the passion of greed.

রবীন্দ্রনাথ তাঁর রচনায় কখনও ব্যথিত, কখনও বা ক্রুদ্ধও, কারণ তাঁর আদর্শ যোগসূত্রকে বিনষ্ট করে দিচ্ছে যে হন্তারক শক্তি, তা হল লোভ, ঈর্ষা আর অত্যধিক বিলাসস্পৃহা। রবীন্দ্রনাথের অস্ত্র তাই উদ্যত সেই রিপুর বিরুদ্ধে যা নির্বিচার বিলাসকে প্রশ্রয় দেয়, লোভের বাসনা পূরণ করতে গিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার করে। রবীন্দ্রনাথ আক্রমণ করেছেন সেই মানসিকতাকে যাকে আমরা ভোগবাদ বা “Consumerism” বলি।

রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করতেন প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক কর্তৃত্বের নয়, হওয়া উচিত সহিত্ত্বের। আজকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আবহাওয়া পরিবর্তন এবং মানুষের প্রকৃতিকে নিয়ে যে দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা তা কিন্তু মানুষই প্রকৃতিকে ধ্বংস করে তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে পথ দেখাতে পারে বিশ্বভারতী। আমরা যাকে “সুস্থিত-উন্নয়ন” বা “Sustainable Development” বলি তার উদহারণ তো বিশ্বভারতী নিজেই যেখানে মানুষ ও পরিবেশ মিলেমিশে একে অপরকে রক্ষা করে চলে। তাই বিশ্বভারতীর যে শিক্ষা, যে আদর্শ, তা আমাদের পাথেয়।

 

তথ্যসূত্র:

  1. ভূ-সম্পদের বিত্তহরণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মুক্তিমন। ২০০৬।
  2. পল্লীপ্রকৃতি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিশ্বভারতী, কলিকাতা। ২০১০।
  3. বিশ্বভারতী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিশ্বভারতী, কলিকাতা।
About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 4007 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...