রমজানের পিশাচ বাপ

আহমেদ খান হীরক

 

আমার বাপ একটা পিশাচ!

বাবা সম্পর্কে রমজানের এইটাই সব চাইতে কম ক্ষোভের কথা। এছাড়া বাপকে নিয়ে সে যা বলে, শুনলে আমাদের মতো রাস্তার ছেলেদেরও কান লাল হয়ে যায়। কিন্তু লাল হলে কী হবে? ঘরের ভেতরে কী ঘটে তা জানতে কি আগ্রহের কোনও খামতি আছে নাকি আমাদের?

আমরা তাই জিজ্ঞেস করি— পিশাচ বলিস ক্যান?

রমজান আবার সপাট জবাব দেয়— পিশাচরে পিশাচ বলমু না তো কি ফিরিশতা বলমু?

তা রমজানের বাপরে পিশাচ না বলে দৈত্য বলাই অবশ্য ভালো। দশাসই চেহারা। বড় বড় চোখ সব সময় লাল। একজোড়া মস্ত গোঁফ। তাতে ওপরের ঠোঁটটা একেবারে ঢাকা। থুতনির কাছে একটা গভীর কাটা দাগ; এবং সেই দাগ সত্ত্বেও দাগের দিকে যে প্রথমবার নজর যায় না, তার কারণ রমজানের বাপের ভুঁড়ি। ট্রাকের টায়ার যেন ফিট করা। রেডিমেইড কোনও শার্ট তার গায়ে হয় না। থান কাপড় কেটে আস্ত এক ঝোলার মতো জামা বানানো হয়। সেই জামা বানাতে পারে শুধু মুন্নু খলিফা। প্রতি রোজার ঈদে একটা করে এমন ঝোলা বানায় রমজানের বাপ।

আমরা বলি, তর বাপ তো পালোয়ান বে!

রমজান সিগারেটে টান দেয় জোরে। বলে, বালোয়ান!

রমজান চলে যায়। আমাদের আগ্রহ থেকে যায়। আগ্রহ থেকে কিঞ্চিত হাসাহাসিও থাকে। ফলে পরের দিনেও রমজানকে উস্কাই— আইজ কী বলছে তর বাপ?

‘কী আর কইব? বাগান নিয়া গেছে… বলছে পাত দেইখা আমের আন্দাজ করতে! শালা!’

তা রমজানের বাপের এই একটা ভীষণ গুণ। সে গাছের পাতা দেখেই গাছে কত আম হবে তার আন্দাজ করে নেয়। এই আন্দাজ বছর শেষে কাঁটায় কাঁটায় মেলে। রমজানের বাপকে তাই আম-ব্যবসায়ীরা ভাড়া করে। এই বাগান সেই বাগান নিয়ে যায়। দাম দর করে বাগান কেনে।

বজলু বলে, এইটা তো ভালো বে! বাপের সাথে থাইকা থাইকা শিইখ্যা নে এই কারবার। চউক্ষে দেইখা পাতা গুনবি আর পরে পকেটের টেকা গুনবি!

রমজান বলে, বালের ব্যবসা। এই সব বালছাল আমি করতাম না!

সাদ্দাম বলে, তুই চাইলেও করতে পারতি না বে! তোর বাপের শইল্যের ভিত্রে জিন বাস করে, জিন। বাপে পাত দেখে আর জিনে দেখে আম!

রমজান একটু ভাবে। কিন্তু পরক্ষণেই সে বলে, জিন না। হালায় পিশাচ। পিশাচ এইগুলা পারে!

আমরা হি হি করে হাসি।

বজলু বলে, তর বাপ তরে পিটায়?

রমজান তাকিয়ে থাকে৷ কিছু বলে না।

আমরা আরেকটু এগিয়ে যাই। বলি, তোর মায়েরে পিটায় তর বাপ?

রমজান উত্তর দেয় না। বাপের পিটানির কথা শুনে জোরে জোরে শুধু তাস পিটায় সে। এত জোরে যে বজলুদের বাগানের মাচাটা পর্যন্ত মচমচ করে ওঠে। আমাদের জমানো রেজগি আর খুচরা টাকা ছড়িয়েছিটিয়ে পড়ে যায় ইধার-উধার।

 

২.

সেদিনও জুয়া জমে উঠেছে। বজলু হারছিল। মাঝে দুইবার ফোটায় চুরি করতে গিয়ে ধরাও খেয়েছে। রমজানের মুখে হাসি। শ খানেক টাকা জিতে গেছে সে। আর পঞ্চাশ হলেই পারুলের ঘরে যাবে। পারুল শাবনূরের মতন সুন্দর। ভারী ভারী বুক। বুকের খাঁজে একটা তিল আছে। সেইটা পারুল দেখিয়ে দেখিয়ে হাঁটে। আমাদের বুক ঢিবঢিব করে। স্টেশনের পাশের যে ঘরটায় পারুল থাকে সেইখানে গিয়ে সবাই মিলে বসে থাকি। একদিন পারুল ঝাঁটা দিয়ে পিটিয়েছে সবাইকে। বলছে মাথাপিছু দেড়শো আনতে। রমজানের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে আজ যাবে সে ঝাঁটার বাড়ি খেতে!

দেড়শো টাকার আনচানি আমার ভিতরেও আছে। কিন্তু সত্তর টাকা অলরেডি হারছি। জিতার কোনও চান্সও দেখছি না। ফোটার জোর পিটাপিটি যখন চলছে, আরও বিশ টাকা যখন জিতে গেছে রমজান, তার মুখের হাসিটা যখন আরও চওড়া হয়ে গেছে, চোখের ভিতর মণি দুইটা যখন পারুলের বুকের খাঁজের তিলই হয়ে গেছে তখনই রমজানের কানের ওপর একটা ধাম করে থাপ্পড় পড়ে; রমজান প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে মাচা থেকে পড়ে যায়। আমরা তাকিয়ে দেখি লাল চোখ। তাকিয়ে দেখি দুর্গার পায়ের তলার অসুর। তাকিয়ে দেখি গোঁফ। তাকিয়ে দেখি দৈত্য। তাকিয়ে দেখি জিন। দেখি একটা পিশাচ!

আমরা ছুটে যে যার দিকে দৌড় দিই।

আর পিশাচটা রমজানকে প্রথমে ধরে। তারপর মারে। তারপর ছাড়ে। আবার ধরে। রমজান গোঁ গোঁ করতে থাকে। পিশাচটাও গোঙায়। আমরা পালিয়ে যাই। অনেক দূরে।

পরের দুই দিন মাচায় জুয়া বসে না।

আমরা এদিক ওদিক বসি। সিগারেট ফুঁকি। চা খাই। আর রমজানের মতোই বলি, শালা একটা পিশাচ!

তিন দিনের দিন রমজানের দেখা পাই। একটা চোখ এখনও ফুলে আছে। হাতটা ছড়ে আছে দুই জায়গায়। আমরা তাকে কিছু বলি না। সেও কিছু বলে না। তার বাপকে নিয়ে কিছু বলার বিন্দু পরিমাণ সাহস পাই না। কিছু বললেই যদি তার বাপ শুনে নেয়? শুনে আমাদেরকেও পেটায়?

তো, এই নিম তিতা সময়ে মিঠা খবর নিয়ে আসে মিঠু ভাই।

মিঠু ভাই বড়লোকের পোলা। টকটকা লাল ফরসা চেহারা। পোস্টারের শাকিব খান। বেনসন খায়। আমাদের হাতে পুরা এক প্যাকেট গোল্ডলিফ ধরিয়ে দেয়। বলে, কাজ আছে রে। যাইতে হবে সবাই রে!

আমরা জানতেও চাই নাই কী কাজ। কিন্তু মিঠু ভাইয়ের দয়ার শরীর। আমাদের সব জানিয়ে দেয়।

মন্তার নগরে মিঠু ভাইদের একদাগের ৪৪ বিঘা জমি। সেই জমি মিঠু ভাইয়েরা আবাদ করতে পারছে না। স্থানীয় কিছু মানুষের ভোগ-দখলে আছে পুরা জমিটা। একবার আমাদের গিয়ে শো ডাউন দিয়ে আসতে হবে। ওরাও তাহলে বুঝবে এই জমির মালিক কারা।

মিঠু ভাই আমাদের সবার হাতে একটা করে পাঁচশো টাকার নোট ধরিয়ে দেয়। কাজ শেষে আরও দুইটা করে পাওয়া যাবে, আশ্বাস আসে।

মিঠু ভাইকে সালাম দিয়ে আমরা বাংলা দোকানে ঢুকে ধুমসে মদ খাই। গ্লাসে গ্লাসে বাংলা উড়ে যায়। তিন ডজন ডিম খেয়ে পিকলুকে এক ডজনের দাম দিই। আর ভর রাত্রে হানাদার হই পারুলের ঘরে।

কিন্তু পারুল নাই।

কোন পার্টির সাথে নাকি আমনূরা গেছে গা! এমন ঢোঁড়া কপাল নিয়ে আমরা কই যাব বুঝি না। আমরা ব্রিজের ওপর বসে চাঁদের দিকে তাকিয়ে পারুলের বুক কল্পনা করি। বুকের খাঁজের তিল কল্পনা করি। রমজান বমি করে দেয়। হাঁসফাঁস করতে করতে জানায় সে আর ওই পিশাচের বাড়িত জন্মেও যাবে না!

রমজানের রাত ভোর হয় আমার খুপরিতে।

আমরা এগারোজন।

মিঠু ভাইকে ধরলে অবশ্য বারো। একটা পাওয়ার ট্রিলার। মিঠু ভাইদেরই। তাতে বসেই রওনা দিই। সাথে আছে তিনটা রামদা, দুইটা হাইসা। আর মিঠু ভাই তার জামা তুলে লুকিয়ে দেখিয়েছে— আছে একটা ছক্কাও।

ছক্কা দেখে আমাদের ছাতি ফুলে কুলার মতো হয়ে গেছে গা!

সাড়ে তিন ঘণ্টার রাস্তা।

মাঝে পাওয়ার ট্রিলার একবার খারাপ হওয়ায় চার ঘণ্টা লাগে। সোজা দাগী জমিতে গিয়ে উঠি আমরা। ধান কাটাকাটি চলছে। মিঠু ভাই বলে, ধান টিলারে তুলো সবাই!

আমরা মুখ চাওয়া-চাওয়ি করি। ধান তোলার শক্তি আছে নাকি আমাদের?

মিঠু ভাই ইশারা দেয়। আমরা তিন জন চার জন মিলে ধানের ধামা ধরি। আর তখনই একটা ইট এসে লাগে বজলুর মাথায়। কানের ওপরটা ফেটে রক্তারক্তি ব্যাপার। দেখি আইল ধরে তিরিশ পঁয়ত্রিশ জন আসছে। তাদের হাতে বাঁশ, হাইসা, দা, বটি। বটি নিয়ে আছে মহিলারা। আমরা মিঠু ভাইয়ের দিকে তাকাই। মিঠু ভাই ইশারা দেয়। আমরা রাম দা হাইসা বের করি। কিন্তু এই দিয়ে হবে না যে! তবে মিঠু ভাইয়ের ছক্কা আছে। একটা বডি পড়লেই সব গায়েবের সুরা পড়বে!

ওরা এগিয়ে আসছে। একজন বলে, কোন লোটির ব্যাটা ধান নিয়া যাইতে চায় বে!

আমরা মিঠু ভাইয়ের দিকে তাকাই। মিঠু ভাই কিছু বলে না।

ওরা আরও এগিয়ে আসে। এক মহিলা ঝাঁঝিয়ে ওঠে— এই ধান হাঁড়গে! এই জমি হাঁড়গে বাপদাদোগো!

আমরা মিঠু ভাইয়ের দিকে তাকাই। মিঠু ভাই কিছু বলে না।

ওরা আরও এগিয়ে আসে। বাঁশ এগিয়ে আসে। হাইসা এগিয়ে আসে। দা এগিয়ে আসে। বটি এগিয়ে আসে।

আমরা মিঠু ভাইয়ের দিকে তাকাই। মিঠু ভাই ছক্কা বের করে। আমাদের ঘাম ছুটে যায়। কিন্তু বুকে আমাদের ভরসাও আসে।

ওরা আরও এগিয়ে আসে। মিঠু ভাই ছক্কা তাক করে। বলে, গুলি কইরা উড়ায়া দিবো সব শালাদের! ভাগ চুতমারানি, ভাগ!

আমাদের বুক আবার কুলা হয়ে যায়। বাঁশ-বটি থমকে যায়। ওদের নজর ছক্কায়। আমাদের নজরও ছক্কায়। মিঠু ভাইয়ের নজর ধানে।

কিন্তু ওরা এক মুহূর্ত পরেই আবার নড়ে ওঠে। একটা হেড়ে গলা বলে, চালা শালা চালা গুলি! চালা…

ওরা এবার ছুটে আসতে থাকে। মিঠু ভাই ছক্কা চালায়। চালায় কিন্তু খটখট। গুলি বাহির হয় না যে বে!

মিঠু ভাই আবার চালায়। আবার খটখট। ডাম্প ধরে গেছে নাকি বে!

থমকে গেছে ছক্কা। আটকে গেছে সব। মিঠু ভাই এইবার আমাদের দিকে তাকায়। ভয়ে তার মুখটা স্টার ফিল্টারের ভচকানি প্যাকেট হয়ে গেছে। ওরা এবার ঝাঁপিয়ে পড়ে। একটা বাঁশের বাড়ি লাগে আমার পিঠে। অন্যদেরও। বজলু বটির কোপ খায়। পিঠে আটকে থাকা বটি নিয়েই বজলু দৌড়াতে থাকে। আমরাও দৌড়াই। কই দৌড়াই জানি না। কিন্তু দিকবিদিক দৌড়াতে থাকি।

পেছন থেকে ওদের আওয়াজ আসে। বটি আসে বাঁশ আসে, আমাদেরই রাম দা আমাদেরই গোয়া কামড়ায়। আমরা পেছন ফিরে তাকানোর সময়ও পাই না। আমরা দৌড়াতে থাকি।

পাঁচ ছয় বছর দৌড়াতে দৌড়াতে আমরা নদীর দেখা পাই। কিন্তু আমাদের গলা শিরিষ কাগজ। আমাদের বুক শুকনা তামাকের মতো শুকনা।

আর দেখি ওরাও কয়েক জন, ছুটে আসছে এখনও। রমজান বলে, পালা ভাই, পালা…

রমজানের শেষ পালাটা শুনতে পাই না। দম তার বাহির হয় না বে! আমরা ঢাল থেকে লাফ দেই নদীতে।

আর ওরাও নদীতে নেমে লাফায়। পানির ভেতরেও আমাদের পেটায়। আমরা তার মধ্যে হাতড়াই। তার মধ্যে ভেসে যাই। পুনর্ভবার স্রোতে ভাসতে আমাদের আগে এত ভয় লাগে নাই।

ভাসতে ভাসতে কিছুটা দূরে আসতে পারি আমরা। বেশি পারি না— স্রোত যতটুকু পারে, ততটুকুই। কারণ আমাদের দম নাই। আমরা এগারোজন ডুবতে ডুবতে ভাসি। ভাসতে ভাসতে ডুবি। আমাদের কান ফেটে রক্ত বের হয়। আমাদের পা ব্যথায় স্তব্ধ হয়ে আসে। আমাদের পিঠের ক্ষত থেকে রক্ত মিশে যায় পুনর্ভবায়। পুনর্ভবা মাতাল হতে থাকে। কেউ একজন পানি খেয়ে কেশে ওঠে। বুকের ধুকপুকানির শব্দ পাই। আমার না রমজানের ঠাহর করতে পারি না। হঠাৎই রমজান পিছিয়ে পড়ে। আমি ওর মধ্যেই পেছনে তাকাই। বলতে চাই— কী হইল বে!

কিন্তু বলতে পারি না।

কিন্তু রমজান শুনতে পায়। আমার দিকে তাকিয়ে কেমন যেন হাসে। বলে, হামি আর পারনু না ভাই…

রমজান তলিয়ে যায়। রমজানের উঁচিয়ে রাখা হাতটা তলিয়ে যায়। আমি চিৎকার করে রমজানকে ডাকতে যাই— উঠ শালা উঠ… চুতমারানি শালা… উঠ বে উঠ…

আমার গলা থেকে কোনও আওয়াজ বের হয় না। আমি ডুবে যেতে থাকি। ডুবেই যাই। আর তখনই একটা নৌকা আমাকে টেনে তুলে নেয়। শুইয়ে দেয় পাটাতনে। আমি চিৎ হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। ফিসফিস করে ওদের বলি, রমজান রমজান…

 

৩.

পরের দুই দিন পুনর্ভবা তছনছ করে রমজানকে খোঁজা হয়। কিন্তু তাকে পাওয়া যায় না। আমাদের বুকে শান্তি আসে। রমজান তাহলে তলিয়ে যায় নাই। হয়তো সে কোনওমতে উঠতে পেরেছিল। হয়তো ওদিক দিয়ে রমজান ইন্ডিয়া চলে গিয়েছে। আগেও তো ওর বাপের টাকা চুরি করে মালদাহ পালিয়েছিল। সেখানে সোলজার সিনেমা দেখে এসে আমাদের সাথে সারা দিন সোলজার সোলজার মিঠে বাত বোল কার গাইত। হয়তো এখন মালদাহর সিনেমাহলে বসে কাহোনা পেয়ার হ্যে দেখছে।

আমরা খুশি হই। আমাদের বুক ভরে যায়। আমরা কাহোনা পেয়ার হে গলা ছেড়ে গাই…

কিন্তু তিন দিনের সকালে আমাদের খুশিতে চুনকালি মাখিয়ে রমজান ভেসে ওঠে। পুনর্ভবা তাকে আর রাখতে পারে না। একটা পাতাল জিনের মতো ভুস করে সে ভেসে ওঠে। ভেসে ওঠে পারুলের ঘাটেই। কুলিরা তাকে তুলে পারুলের ঘরের সামনেই ফেলে রাখে৷ তার শরীর ফুলে প্যান্ট চেপে বসেছে। চোখ ঠুকরে নিয়েছে মাছে। ঠোঁটের সাথে সামনের দাঁত চেপে বসেছে আজন্মের।

আমরা বিশ্বাস করতে পারি না এটা রমজানের শরীর। কিন্তু তার চেয়েও আমাদের কাছে অবিশ্বাসের ঠেকে যে রমজানের শরীরটা একটা পুতুলের মতো ধরে তার পিশাচ বাপটা হাউমাউ করে কাঁদছে। কাঁদছে আর বলছে— আমার সোনাবাপ! আমার জাদুর ধন রে! আমার বাজান… আ বাজান রে… ফির‍্যা আয় বাপ… আমার কাছে ফির‍্যা আয় বাপ! আয়!

আমরা এখন জানি মানুষের কান্না হয়তো গিলে ফেলা যায়; কিন্তু পিশাচ কাঁদলে তা দেখার শক্তি কারও থাকে না।

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 3090 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...