ভির দাসের ‘টু ইন্ডিয়াস’: রাজা-বিদূষকে দ্বন্দ্ব অহর্নিশ

দেবব্রত শ্যামরায়

 



গদ্যকার, রাজনৈতিক আলোচক

 

 

যা ঘটেছে

স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান ও অভিনেতা ভির দাস গত ১৫ নভেম্বর ইউটিউবে ছয় মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করেন, নাম— Two Indias বা দুই ভারত। ভিডিওটি সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াংশিটন শহরের কেনেডি সেন্টারের পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে ভির দাসের শো-এ তাঁর স্বগতকথন বা মোনোলগের রেকর্ডিং। ভিডিওটি আন্তর্জালে পা রাখা মাত্র চালু পরিভাষা অনুযায়ী ‘viral’ হয়, নানা প্রতিক্রিয়া ভেসে আসতে থাকে।

ভিডিওতে ভির মূলত ভারতবর্ষের দুই পরস্পরবিরোধী সত্তার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। যেমন তিনি এক জায়গায় বলছেন— ‘আমি সেই ভারত থেকে এসেছি যে দেশ দিনের বেলায় নারীর উপাসনা করে এবং রাতে সেই নারীই গণধর্ষিতা হন’, আবার আরেক জায়গায় বলছেন ‘আমি সেই ভারতবর্ষ থেকে এসেছি যে দেশ নিজেদের শাকাহারী হওয়ার জন্য গর্ববোধ করে অথচ যে কৃষক মাঠে শাকসবজি ফলায় এদেশে তার ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়।’ এইভাবে ভির দাস দুটি বিপরীত বা সাংঘর্ষিক স্টেটমেন্টের মালায় সাজিয়েছেন তাঁর মোনোলগ যা নারীনির্যাতন থেকে বলিউড, ক্রিকেট থেকে পেট্রোলের ক্রমঊর্ধ্বগামী দামের কথা বলে।

আর তাতেই চটেছেন দেশের বিশুদ্ধবাদীদের একাংশ। ভির দাস নাকি দেশ ও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অপমান করেছেন (‘আমি যে ভারত থেকে এসেছি সেখানে বিশ্বের সর্বাধিক অনূর্ধ্ব তিরিশ জনসংখ্যার বাস অথচ এ দেশে ৭৫ বছর বয়সি নেতারা দেড়শো বছর পুরোনো ধ্যানধারণা নিয়ে দেশচালনা করেন’)— মুম্বইয়ের এক আইনজীবী, যিনি মহারাষ্ট্রে ভারতীয় জনতা পার্টির আইন উপদেষ্টাও বটে— এই মর্মে মুম্বই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মুম্বই বিনোদন দুনিয়ার অনেকেই ভিরের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আবার অনেকেই নিন্দা করেছেন, তাঁর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করছেন। ভিরের প্রতি নিন্দায় এগিয়ে আছেন ২০১৪ সালে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী, তাঁর মতে— ভির একজন ক্রিমিনাল, যিনি জাতিবিদ্বেষ ও সন্ত্রাসে প্রচ্ছন্ন মদত দিচ্ছেন। দিল্লি বিজেপির সহসভাপতি জানিয়েছেন ভিরের এই কাজ মোটেই বরদাস্ত করা হবে না। ভির দাস ভারতীয় নারীর সম্মানহানি করেছেন— এই অভিযোগ জমা পড়েছে দিল্লি পুলিশের দপ্তরে। বস্তুত ভারতের ছোট-বড় নানা শহর থেকে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভিরের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে প্রচার হয়েছে ভির দাসের মধ্যনাম ‘আবদুল্লাহ’ অর্থাৎ তিনি মুসলিম, অতএব কেনেডি সেন্টারে তাঁর ওই শো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত— সোশাল মিডিয়ায় এই নিন্দাপ্রচার শুরু হয়েছে, কারণ কে না জানে ব্যক্তিনাম মুসলিম হলেই এই দেশে কাউকে নিগ্রহ করার অলিখিত স্বীকৃতি আমরা বেশ কয়েক বছর হল অর্জন করে ফেলেছি। মধ্যপ্রদেশ সরকারের গৃহমন্ত্রী ও বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা নরোত্তম মিশ্র ফতোয়া জারি করেছেন ভির দাস অবিলম্ভে তাঁর কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা না করলে তিনি মধ্যপ্রদেশে আর কোনওদিন অনুষ্ঠান করতে পারবেন না। এমনকি ভিরের বিরুদ্ধাচারীদের তালিকায় রয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস মুখপত্র অভিষেক মনু সিংভির নাম, তিনি টুইট করেছেন— সারা পৃথিবীর সামনে নিজের দেশকে ছোট করা ভিরের পক্ষে মোটেই উচিত কাজ হয়নি। অর্থাৎ মার্কিন দেশে কমেডি-সফর সেরে দেশে ফিরলে ভিরের জন্য যে বেশ রুক্ষ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করে আছে, তা বলাই বাহুল্য।

 

ভির দাস যা বলেছেন, যা বলেননি

পাঠকদের মধ্যে অনেকেই এই লেখা পড়ার আগেই ভির দাসের ভিডিওটি দেখেছেন। যারা আগে দেখেননি, এই লেখায় প্রদত্ত ভিডিওটি থেকে তারাও নিশ্চয়ই এতক্ষণে সেটি দেখে নিয়েছেন। তাঁদের কাছে প্রশ্ন, ভির দাসের ‘টু ইন্ডিয়াস’ কতটা বৈপ্লবিক বা তা কি সত্যিই এতখানি মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য?

প্রশ্নের শেষ নেই। কেনেডি সেন্টারে দাঁড়িয়ে ভির যে ভারতের দুই বিপরীতমুখী সত্তার কথা তুলে ধরতে চেয়েছেন, ‘টু ইন্ডিয়াস’ তার যথাযথ রূপ দিতে পারল কি? ভারতের দ্বিচারী বাস্তবতার উল্লেখ করতে গেলে তা কি আদৌ জাতপাতের সমস্যার উল্লেখ না করে করা সম্ভব? ‘টু ইন্ডিয়াস’ নিয়ে কথা হচ্ছে অথচ দলিত ও নিম্নবর্গের মানুষদের প্রতি শোষণের সহস্রাব্দ-প্রাচীন বাস্তবতার কথা ভির একবারও তুললেন না কেন? যে মহাঘটনা নিয়ে মাত্র বছরখানেক আগেও দেশ উত্তাল ও দ্বিধাবিভক্ত ছিল, সেই এনআরসি-সিএএ ইস্যুর রেখাপাত ভিরের বক্তব্যের কোথাও পাওয়া গেল না কেন? কোভিডকাল ও লকডাউনের জোড়া সাঁড়াশিতে অভিবাসী শ্রমিকেরা যে গত দু বছর চরম অবহেলার সম্মুখীন হলেন, ভারতের এই দ্বিচারিতার উল্লেখও তো পাওয়া গেল না ভিরের ভিডিওতে! তাহলে? এই প্রসঙ্গগুলির উল্লেখ ছাড়া সাম্প্রতিক ভারতের দ্বিচারী সত্তার নির্মাণ কি আদৌ সম্ভব?

বরং নিজের ভাষণে যে ইস্যুগুলি ছুঁয়ে গেছেন ভির, তা-ও ক্ষেত্রবিশেষে অতিসরলীকৃত। যেমন ভিরের এই বক্তব্যটি— ‘আমি সেই ভারতবর্ষ থেকে এসেছি যে দেশ নিজেদের শাকাহারী হওয়ার জন্য গর্ববোধ করে অথচ যে কৃষক মাঠে শাকসবজি ফলায় এদেশে তার ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়!’ এখানে কৃষক আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়াতে দিয়ে সিনট্যাক্সে গোলমাল করে ফেললেন ভির দাস। ভারতবর্ষের মাত্র ৩০ শতাংশ শতাংশ অধিবাসী নিরামিষভোজী, বাকি ৭০ শতাংশ অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ আমিষাশী, নিরামিষ ভোজন নিয়ে এই ৭০ শতাংশের নিশ্চয়ই কোনও গর্ব থাকার কথা নয়। অথচ ‘টু ইন্ডিয়াস’-এর বক্তব্যে ‘পাঞ্চ’ তৈরি করার চক্করে ভির একটি স্টিরিওটাইপড ও ভুল বার্তা দিলেন।

একইসঙ্গে যা বলার, ওপরের ইস্যুগুলি ভির কেন ছুঁয়ে গেলেন না, সে প্রশ্ন অবান্তর। কারণ দিনের শেষে, ভির দাস একজন স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান মাত্র, রাজনৈতিক মতাদর্শে জারিত কোনও অ্যাক্টিভিস্ট নন। তাঁর ওপরে ভুবনের ভার তো নেই-ই, এমনকি দুই ভারতের ভারও নেই। কেনেডি সেন্টারের মঞ্চকে ব্যবহার করে দেশের বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে কোনও জ্বালাময়ী বা বৈপ্লবিক বার্তা দেওয়া মোটেই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ছ-মিনিট সময়ের মধ্যে কেনেডি সেন্টারে উপস্থিত দর্শকদের অর্থাৎ শিক্ষিত মধ্যবিত্ত-উচ্চমধ্যবিত্ত উচ্চ উপার্জনশীল প্রবাসী শ্রেণি-বন্ধুদের কাছ থেকে কিছু হাসি ও সমাদর আদায় করে নেওয়া (দর্শক ও ভির দাস, দুইজনেই ভাগ্যান্বেষণে ও অর্থোপার্জনে আমেরিকায় এসেছেন, দুজনের শ্রেণিগত অবস্থানে কোনও পার্থক্য নেই, যদিও নিজের বক্তব্যে আমেরিকায় কর্মরত ভারতীয়দের কাজ নিয়ে ‘জোক ক্র‍্যাক’ করতে গিয়ে সামান্য বেসুরো হয়ে পড়েছিলেন ভির, পরক্ষণে সামলে নেন)। এবং সে কাজে অর্থাৎ ছ-মিনিটের ইনস্ট্যান্ট হাস্য-নুডলস তৈরিতে তিনি সফল। আর এই রান্নাটুকু করতে গিয়ে যতটুকু বলিউড, ক্রিকেট, বা রাজনীতির মশলা দেওয়া দরকার, ততটুকুই ভির দিয়েছেন, তার বেশি নয়, কমও নয়।

 

কেন নিঃশর্তে ভির দাসের পাশে দাঁড়ানো উচিত

এখন প্রশ্ন— ভির দাসের এহেন নিতান্ত অর্ধপক্ক প্রায় স্যানিটাইজড স্ট্যান্ড আপে দেশের দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীর মূলত রাজনীতিবিদদের গায়ে এতখানি ফোসকা পড়ল কেন? আমরা তো জানতাম রাজনীতিবিদদের চামড়া মোটা হয়। চামড়া মোটা বলেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রাহ্য হতে এক বছর সময় ও প্রায় সাতশো কৃষকের লাশের প্রয়োজন হল। নাকি শিয়রে উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন না থাকলে শাসকের এই হৃদয় পরিবর্তন সম্ভবই হত না? তাহলে কি রাজনীতিকদের গায়ের চামড়া ক্ষেত্রবিশেষে মোটা, ক্ষেত্রবিশেষে পাতলা? এখানেও দ্বিচারিতা? টু স্কিনস অফ ইন্ডিয়ান পলিটিশিয়ানস?

হাস্য পরিহাস সরিয়ে রেখে এবার উদ্বেগের কথাটা জানানো যাক— ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতার এই প্রকাশ আসলে ফ্যাসিবাদের অন্যতম প্রধান চরিত্রলক্ষণ। আমাদের দেশে অসহিষ্ণুতার দীর্ঘ ইতিহাস আছে বটে, কিন্তু জরুরি অবস্থার অন্ধকার সময়টুকু বাদ দিলে তা মূলত ধর্মীয় মৌলবাদের পরিসরেই সীমিত ছিল। এই প্রসঙ্গে মকবুল ফিদা হুসেন, শিরিন দালভি বা সানাল এডামারাকুর কথা পাঠকদের মনে পড়তে পারে। কিন্তু বিগত এক দশকে অসহিষ্ণুতা আর শুধুমাত্র ধর্মীয় মৌলবাদের পরিসরেই সীমাবদ্ধ নেই, তার ব্যাপক সামাজিকীকরণ ঘটে গেছে। বলাই বাহুল্য, এই প্রবণতার বৃদ্ধির সঙ্গে দক্ষিণপন্থী ধর্মীয় আধিপত্যকামী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক উত্থানের সরাসরি যোগ আছে। কালবুর্গি, গোবিন্দ পানসারে, গৌরী লঙ্কেশ— একের পর এক ভিন্নমতের শহিদ-নাম বলে যাওয়া যায় যা সাম্প্রতিক কালে স্ট্যান স্বামীতে এসে শেষ হবে। অন্যদের শাহাদাতের সঙ্গে শাসকগোষ্ঠীর যোগাযোগ প্রমাণসাপেক্ষ হলেও স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু তো রাষ্ট্রের নির্ভুল বদান্যতায়। পঞ্চাশের বেশি সমাজকর্মী-অ্যাক্টিভিস্টদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেশের নানা জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে, জামিন পাওয়ার প্রশ্নই নেই— কারণ ‘অবাধ্য’ আন্দোলনকারীদের বাগে আনতে রাষ্ট্রের হাত শক্ত করেছে দানবিক ইউএপিএ।

অবশ্য যাঁদের কথা এখানে বলা হল, তাঁদের সুষ্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও প্রতিরোধময় জীবনের সঙ্গে ভির দাসেরা কোনও কষ্টকল্পনাতেও তুলনীয় নন। বরং তুলনায় ভির দাস একজন চুনোপুঁটি, তাঁর না আছে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার ইচ্ছে, না আছে দায়। বিশ্বায়িত দুনিয়ার মুক্ত বাজারে বাজারের নিয়ম মেনেই লঘুচপল পায়ে এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ানো ও কিছু রৌপ্যমুদ্রা অর্জনই তাঁর একমাত্র কাজ।

কিন্তু এই লঘুতাও শাসক বা শাসকঘনিষ্ঠদের অসহিষ্ণুতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না— এটাই ভয়ের। হোলির সময় প্রচারিত ডিটারজেন্টের বিজ্ঞাপন অথবা কদিন আগের ডিজাইনার মঙ্গলসূত্রের অ্যাড, নির্বাচনের আগে শিল্পী-অভিনেতাদের বাঁধা রাজনৈতিক গান অথবা কোনও ইতিহাস-আশ্রিত সিনেমা— দক্ষিণপন্থার নির্বোধ আক্রোশ থেকে বাদ পড়ছে না কেউ-ই। যা আরও ভয়ের তা হল, আইনব্যবস্থার তোয়াক্কা না করেই নেতা-মন্ত্রীরা আজকাল সরাসরি ফতোয়া দিচ্ছেন— অমুকে তমুক সময়ের ক্ষমা না চাইলে তাকে নিদারুণ ফলভোগ করতে হবে, আর সুড়সুড় করে বাধ্য ছেলেটির মতো ফতোয়া মেনে নিচ্ছেন একের পর এক ব্যক্তি, সংস্থা, বিজ্ঞাপনদাতা। প্রতিটি সাফল্য থেকেই একটু একটু করে সাহস বাড়ছে ফতোয়াবাজদের। আম আদমির গলায় চেপে ধরা শাসকের মুঠো একটু একটু করে শক্ত হচ্ছে রোজ। আর সেকারণেই ভির দাসদের পাশে নিঃশর্তে ও বিনাপ্রশ্নে দাঁড়ানো দরকার। ভির দাস নিমিত্তমাত্র, তিনি বা তাঁরা যা-ই বলুন, যতই লঘু বা অপর্যাপ্ত হোক সে ভাষ্য, বক্তার কথা বলার অধিকার যেন কোনওমতে খর্ব না হয়। কথা বলার অধিকার ভির দাসের যতটা, মুনায়র ফারুকির যতখানি, কঙ্গনা রানাওতের ঠিক ততটাই— সে কথা আমার বা আপনার বা অন্য কারও যতই অপছন্দের হোক না কেন।

কাঞ্চীর রাজা কর্ণাট জয় করে ফেরার পথে ‘দুষ্ট’ ছেলের দল ও তাদের পিতামাতার কী হাল করেছিলেন তা আমরা সবাই জানি। মন্ত্রী-পাত্র-মিত্র সকলে যখন কাঞ্চীর রাজাকে ধন্য ধন্য করছিল, শুধুমাত্র বিদূষক রাজ্য থেকে বিদায় চেয়ে বলেছিল— মহারাজ, আপনার রাজ্যে থাকলে আমি হাসতে ভুলে যাব। কাঞ্চীর রাজার মতোই ‘অচ্ছে দিন’-এর রাজা-মন্ত্রী-সভাসদ সবাই মিলে আমাদের হাসতে ভুলিয়ে দিতে চান। আমাদের বিদূষকরা যেন হাসতে-হাসাতে ভুলে না যান, তাঁদের যেন দেশ ছেড়ে চলে যেতে না হয়, যেন সাধারণ নাগরিকের কণ্ঠরোধ না করা হয়— এসব আমাদেরই সুনিশ্চিত করতে হবে। এরকম গোমড়ামুখো, ফতোয়াবাজ ও প্রহারবাগীশ রাষ্ট্র বৈচিত্র্যময় ভারতের প্রাপ্য হতে পারে না।

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 4007 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

1 Comment

  1. চমৎকার শব্দবন্ধনে এমন যুক্তিশীল লেখা আরও চাই।

আপনার মতামত...