মামাং দাই— এক অনন্যা

সোমনাথ মুখোপাধ্যায়

 

ছোট্ট শহরের নৈঃশব্দ্য, আমাকে
অমোঘ মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেয়।
গাছের ছায়ায় ঢাকা আমার একান্ত
প্রিয় শহর। গ্রীষ্ম অথবা শীত—
এক‌ইরকম রয়ে যায় আমার শহরের চেনা ছবিটা।
দুরন্ত বাতাস, খানিকটা ধুলো উড়িয়ে— অথবা
সঘোষে গিরিখাত বরাবর নেমে যায়,
অতলান্ত খাদের অচেনা পথে।
………

জানো! নদীর এক আত্মা আছে।
গ্রীষ্মে, একরাশ দুঃখ বুকে নিয়ে,
জমির বুক চিরে বয়ে যায় নদী।
অজ্ঞাত কোন্ ঠিকানায়।… একমাত্র
নদীই জানে
জলের চিরন্তন অমৃতবাণী।

ওপরের পংক্তি ক-টি কবি মামাং দাই-এর লেখা ইংরেজি কবিতা Small towns and the river কবিতার প্রথম দুটি স্তবকের অক্ষম ভাষান্তর। নামটি কি আপনাদের পরিচিত? না, না। তাঁকে বিদেশিনী ভাববার কোনও কারণ নেই। তিনি একজন নির্ভেজাল ভারতীয়। বাড়ি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেই রাজ্যে, যেখানে দেশের মধ্যে সবচেয়ে প্রথম সুয্যিমামা চোখ মেলে তাকান। এবারে ঠিকঠাক আন্দাজ করেছেন— মামাং অরুণাচল প্রদেশের মেয়ে। সবজান্তা উইকির দরজায় টোকা দিয়ে দেখুন সেখানে বড় বড় হরফে লেখা মামাং দাই হলেন একজন ভারতীয় কবি, ঔপন্যাসিক এবং সাংবাদিক। কিন্তু এটুকুই তাঁর পরিচয়ের সবটা নয়। মামাং তাঁর রাজ্যের প্রথম মহিলা আইএএস পদাধিকারী মহিলা। এখানেই শেষ নয়— মামাং পদ্মশ্রী পুরস্কারজয়ী এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার। এবারে হয়তো তাঁকে খানিকটা বোঝা গেল। আমি অবশ্য এসব কথায় মজে যাইনি। আমার আগ্রহ, প্রকৃতি পরিবেশ সম্পর্কে মামাং দাইয়ের স্পষ্ট, স্বচ্ছ ভাবনা নিয়ে।

১৯৫৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব সিয়াং জেলার পাসিঘাটে‌ এক আদি আদিবাসী পরিবারে তাঁর জন্ম। মেয়ে একটু বড় হতেই তাঁকে পাঠানো হল মেঘালয়ের শিলং শহরের পাইন মাউন্ট স্কুলে। স্কুলের পাঠ সাঙ্গ করে আসামের গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন মামাং। ১৯৭৯ সালে আইএএস, সরকারি চাকরিতে যোগদান। পরে সরকারি চাকরি ছেড়ে পুরোদস্তুর সাংবাদিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ।

কবিদের সঙ্গে, লেখকদের সঙ্গে প্রকৃতির এক নিগূঢ় সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতি হল সমস্ত সৃষ্টিকর্মের আদি ও অকৃত্রিম প্রেরণার উৎস। অরুণাচল প্রদেশের মুক্ত উদার পরিবেশের সাহচর্যে বড় হয়ে ওঠা মামাং এই নিয়মের বাইরে যাবেন কী করে? আর হয়তো তাই তাঁর সমস্ত লেখালেখির মধ্যেই রয়েছে গভীর প্রকৃত্যনুভূতির পেলব পরশ।

খুব সম্প্রতি মামাং দাইয়ের এক সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পৃথা, পৃথা ব্যানার্জি। ইনিও সাংবাদিক। বিখ্যাত পরিবেশ পত্রিকা ডাউন টু আর্থ-এর পক্ষ থেকে মামাং দাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এই আলাপচারিতায় উঠে এসেছে মামাং-এর মানের গভীরে রত্নরাজির মতো আগলে রাখা কিছু কথা। আজকের নিবন্ধে সেই আলাপের কথাই তুলে ধরার চেষ্টা করব। চারিদিকে যখন আস্ফালন আর অনর্থক হইচই কলরব তখন মামাং দাইয়ের অন্তর্লীন অনুভবের শরিক হতে বোধহয় খুব খারাপ লাগবে না আমাদের।

 

পৃথা ব্যানার্জি: আপনার লেখার মধ্যে প্রকৃতি ও মানুষের আবেগ, অনুরাগের মধ্যে খুব নিবিড় ঐকান্তিক সম্পর্কের কথা খুঁজে পাওয়া যায়। এই পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিকে আপনি ঠিক কীভাবে দেখেন?

মামাং দাই: আমি অরুণাচল প্রদেশের আদি (Adi) সম্প্রদায়ের মানুষ। ফলে আমার সমস্ত লেখালেখির মধ্যেই এই সমাজের কথা, তাঁদের রীতিনীতি, অন্তর্গূঢ় যাপনের কথাই নানা প্রসঙ্গে উঠে এসেছে। এটাই তো খুব স্বাভাবিক ব্যাপার, তাই না? যেমন আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি নিয়ম বা সংস্কার হল, যদি বাড়িতে কেউ মারা যায়, পরিবারের সদস্যরা কেউই বাড়ির বাইরে যেতে পারেন না। একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর মৃতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে kutung kuyar নামে একটি স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওইদিনে বাড়ির সকলে মিলে নদীতে যাওয়া হয়। নদীর তীরে কাঠকুটো জড়ো করে আগুন জ্বালানো হয়। সকলে নদীতে স্নান করে জামাকাপড় সব ধুয়ে, প্রথাগত কিছু আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। যে কেউ এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারে। এইটি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে শোকজ্ঞাপনের প্রথম পর্বটি সমাপ্ত হয়। ঘরের বাইরে খোলা আকাশের নিচে প্রাকৃতিক পরিবেশে এই শোকজ্ঞাপনের ব্যবস্থাটির মধ্যেই নিহিত রয়েছে প্রকৃতি-পরিবেশের সঙ্গে মানুষের গভীর আত্মিক সম্পর্কের ভাবনাটি।

আমাদের গভীর শোকের সময়ে আমাদের মন গুটিয়ে যায়। মুক্ত প্রকৃতির সান্নিধ্য আমাদের মনকে প্রসারিত করে। কুলকুল করে বয়ে চলা নদী ওই শোকের মুহূর্তে সান্ত্বনা দিয়ে যেন বলে জীবন বহমান, শোক ক্ষণিকের। এই অনুভবের শরিক হতে পারলে ব্যক্তিগত শোককে আর তখন অতটা গভীর বলে মনে হয় না, মনটা অনেক অনেক প্রসারিত হয়।

আমার লেখার ভেতরে প্রকৃতি ও মানুষের এই পারস্পরিক আবেগের সম্পর্কের বিষয়টি ঠিক কতটা তুলে ধরতে পেরেছি তা বলা আমার পক্ষে খানিকটা কঠিন, কেননা লেখার সময় খুব সচেতনভাবে এই সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে কিছু লেখা হয় বা হয়েছে বলে কখনওই মনে হয় না। তবে যেহেতু এই যোগাযোগ বা সম্পর্কের ভাবনাটিকে এড়িয়ে যাওয়া আমার পক্ষে এককথায় অসম্ভব, সেহেতু এই সম্পর্কের প্রতিফলন অবশ্যই আমার লেখালেখির মধ্যে পাওয়া যাবে।

মামাং, আপনার মাতৃভাষা হল আদি, অথচ এই ভাষার কোনও বর্ণমালা বা লেখ্য রূপ নেই। এটি একান্ত‌ই একটি কথ্য ভাষা। তাহলে আমাকে বলুন, কীভাবে প্রকৃতি বা প্রকৃতি বিষয়ে আদি সমাজের চিরায়ত উপলব্ধিগুলোকে আপনি প্রকাশ করছেন বা প্রকৃতি পরিবেশের গুরুত্ব সম্পর্কে আদি সমাজের মানুষজন ঠিক কী ভাবছে?

রামায়ণ, মহাভারতের মতো আদি সমাজের একটি মহাকাব্যিক নির্দেশনা রয়েছে, যার নাম আ: বাং (A: bang)। আচার-অনুষ্ঠান পালনের সময় কতকটা পাঁচালির ঢঙে এটি পাঠ করা হয়। সবটাই প্রাচীন আদি ভাষায়। আ: বাং-এর সরলার্থ হল একটি কাহিনি বা গল্প। আমাদের সমাজে ওঝা জাতীয় বিশেষ ক্ষমতাবান মানুষকে বলা হয় মিরি; এঁরা আদি সমাজের ইতিহাস সম্পর্কে জানেন এবং যে কোনও অনুষ্ঠানেই এঁরা উপস্থিত হয়ে আ: বাং থেকে কাহিনি পরিবেশন করেন। এখানে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জন্মকথা থেকে শুরু করে সবুজ উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের উদ্ভব, মানুষের আবির্ভাবের কথা ধারাবাহিকভাবে বলা আছে। এই সমস্ত কাহিনিই আমাদের প্রকৃতি, পরিবেশ সম্পর্কে নানান কথা জানায় এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে একাত্ম হয়ে থাকার কথা বলে। আ: বাং-এর কাহিনিগুলোর ভাষ্য নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা অবশ্য রয়েছে। শহরের যাবতীয় কোলাহলকে এড়িয়ে যাঁরা বহুদূরের গ্রামে থাকেন তাঁদের জীবনের প্রতিদিনের যাপনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে প্রকৃতি পরিবেশের নিবিড় ভালোবাসার সম্পর্ক। বন থেকে দূরে থাকার ব্যাপারটা আমাদের কাছে একটা টানাপোড়েনের মতো। আমরা সবাই এভাবে থাকতে অভ্যস্ত ন‌ই। আমাদের আদি ভাষায় Nature বা প্রকৃতি বলে কোনও শব্দ নেই। কিন্তু আমরা পৃথিবী, জল, সূর্য, চন্দ্র, পশু, পাখি এইসব কিছুকেই প্রকৃতি বলে মানি। আর পরিবেশ বা এনভায়রনমেন্ট হল আমাদের বাসস্থানকে ঘিরে থাকা সবকিছুই।

সাম্প্রতিক সময়ে আপনার হোমটাউনের প্রাকৃতিক পরিবেশ কতটা বদলে গেছে বলে মনে করেন? এর প্রভাব আপনার বা আপনার গোষ্ঠীর মানুষজনের ওপর কতটা পড়েছে?

আমার পাসিঘাট অনেক অনেক বদলে গেছে। আমাদের ছেলেবেলায় স্কুলছুটির দিনগুলোতে শহরে থাকাটা অত্যন্ত একঘেয়েমির বিষয় ছিল। আমার দাদুর বাড়ির খুব কাছেই একটা নদী ছিল; আর এই নদীর তীরে সময় কাটানোর জন্য আমরা সবাই উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করে থাকতাম। আমরা সবাই মিলে নদীর তীরে খেলতাম, নদী থেকে মাছ আর কাঁকড়া ধরতাম। এখন নদীটা আর নেই, উধাও হয়ে গেছে। অধিকাংশ বড় নদীও কেমন সংকটের মধ্যে রয়েছে। পুরনো সময়ের মানুষেরা এই অবস্থাটাকে বলত dujit। এই কথাটার অর্থ হল নদীর খাত দখল করে করে আমরা নদীকে নিকেষ করে ফেলেছি।

আমার চেনা পাসিঘাট শহর এখন স্মার্ট সিটির তকমা জুড়েছে তার সাবেক শরীরে। আমার কখন‌ও কখনও মনে হয় এই গোটা কাহিনিটাই জলের সঙ্গে জড়িত— সিয়াং নদী পার হয়েই একদা আমাদের আদি সমাজের মানুষজন এখানে এসে বসতি স্থাপন করেছিল। এই শহরের সঙ্গেই জুড়ে আছে ব্রিটিশদের ভারতে প্রবেশ, সিয়াং নদীর তীরে যুদ্ধ, ভূমিকম্প আর বন্যার জলে ভেসে যাওয়া; আর এখন সিয়াং নদীর ওপর বিশাল নদীবাঁধ নির্মাণের বিতর্কিত পর্ব।

নদীকে ঘিরেই এখন চলছে তথাকথিত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। নদীর ওপর তৈরি করা হয়েছে একাধিক বড় বড় সেতু— বোগিভিল ব্রিজ ও ভূপেন হাজারিকা সেতু। এর ফলে পাসিঘাট আর আগের মতো দূরবর্তী নয়। আজ পাসিঘাটকে কেন্দ্র করেই গড়ে তোলা হয়েছে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস কমপ্লেক্স। বহু মানুষের উপস্থিতি আমাদের স্মৃতিতে ধরে রাখা ছোট্ট শহরটাকে একদম বদলে দিয়েছে।

আপনাকে যদি বলি আপনার লেখা কোন্ উপন্যাস বা কবিতা সঙ্কলনটি পরিবেশ অবনমন অথবা পরিবেশ শঙ্কার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত, তাহলে আপনি কোন্ ব‌ইয়ের কথা বলবেন এবং কেন?

আমার মনে হয় ২০২৪ সালে Speaking Tiger Publication থেকে প্রকাশিত Escaping the Land এমন সব ভাবনা নিয়েই লেখা হয়েছে। বেশ কিছু বছর আগেই আমি সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার সময়ই এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোকে নিয়ে ভাবতে শুরু করি। আসলে আমি তখন ইনসার্জেন্সি সম্পর্কে ছোট গল্প লিখেছিলাম। তখন‌ই আমি অনুভব করতে শুরু করি যে কাঠের ব্যবসায় বিপুল মুনাফার হাতছানি বনভূমিকে ঘিরে একটু একটু করে গড়ে ওঠা সমস্ত বিশ্বাস আর ভালোবাসাকে ভেঙেচুরে দিচ্ছে। এখান থেকেই আমার রাজ্যে জঙ্গি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, বিশ্বাসহীনতার জন্ম।

পৃথিবী ক্রমশই উষ্ণ হয়ে উঠছে। এর ফলে বাড়ছে ব্যক্তিমানুষের ওপর সুস্থিতভাবে বেঁচে থাকার চাপ। এরপরও আপনি কীভাবে এতটাই আত্মমগ্ন, সৃষ্টিশীল হয়ে থকতে পারেন? এর পেছনে রহস্যটা কী?

আমি সকালে উঠি আমার ছোট্ট বাগানের কথা মাথায় নিয়ে। ভাবি কোন্ কোন্ নতুন ফুল গতরাতে ফুটেছে! ওরা আমার জন্য‌ই হয়তো অপেক্ষা করে আছে! আমার মনে হয় কোনও একটা বিষয় চিন্তা নিয়ে মজে থাকলে চারপাশের সব সব খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর রাখা সহজ হয়। আমি খাবার নষ্ট করি না, স্থানীয়ভাবে উৎপন্ন ফল ও সবজি খরিদ করি এবং খাই, প্রসেসড খাবারের পেছনে অহেতুক খরচ করি না এবং কোনও অবস্থাতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে মজুত করি না। এটা আমাকে অপব্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। আমি ভাবি আমার মা বাগানের জন্য কম্পোস্ট সার তৈরির ব্যাপারে আগ্রহী না হয়ে বা অন্যান্য গাছের সঙ্গে একগোছা লিলিফুলের চারা না লাগিয়ে কতখানি ভুল করেছেন। এখন আমি দেখছি গাছেরা তাদের খুব পছন্দের জায়গায় প্রতিস্থাপিত না হলেও কীভাবে আলোর অভিমুখে ডালপালা মেলে ধরতে চায়। তবে আরও আরও বাড়িয়ে তুলতে গিয়ে বেশি বেশি করে জল, সার এসব দিলে কিছুদিন পরেই তারা মারা যায়। এমন করাটা ঠিক নয়। গাছেরা এত বেশি হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না।

তার চেয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করাই ভালো। যেমন ঘটছে তাকে সেভাবেই ঘটতে দাও।

 

এটা নিছক একটি সাক্ষাৎকার মনে করলে বোধহয় মামাংকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে না। এটি এক সংবেদনশীল মানুষের কথা যিনি প্রকৃতি পরিবেশের সঙ্গে নিজের অনুভবকে একাত্ম করে রাখতে ভালোবাসেন। প্রকৃতির ক্যানভাস অনেক বড়। তার পরতে পরতে মজুত অপার রহস্য। তার থ‌ই পাওয়া খুব সহজ মোটেই নয়। ঘরের পাশে ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দুতেই রয়েছে তার আভাস। এই সৌন্দর্য যিনি উপভোগ করতে পারেন, তিনিই বিশ্বজুড়ে থাকা পঞ্চভূতের রসময় রূপের রহস্যের সন্ধান পান। মামাং তা পেরেছেন বলেই তিনি অনন্যা।

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 5300 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...