সাম্প্রতিক ধর্মীয় প্রতিহিংসা এবং ভারতীয় রাজনীতি: পল ব্রাসীয় ব্যাখ্যান

তাপস দাস ও জাদ মাহমুদ

 



তাপস দাস প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, জাদ মাহমুদ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

 

 

 

বিগত একদশক ধরে ভারতের সামাজিক এবং রাজনৈতিক অভিমুখ যে অসাম্প্রদায়িক গতিপথ ছেড়ে সাম্প্রদায়িকতার দিকে ধাবিত হচ্ছে সম্প্রতি রাজস্থানের উদয়পুরের নৃশংস হত্যাকাণ্ড আবারও সেটা প্রমাণ করল। কিছুদিন আগে একজন রাজনৈতিক নেত্রীর মন্তব্যকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সহ সারাদেশব্যাপী যে প্রতিহিংসার আগুন ছড়িয়ে পড়েছে উদয়পুরের ঘটনা তার চরমতম আত্মপ্রকাশ। তবে আমরা যা দেখছি— এগুলো ঘটনা মাত্র, ঘটনার কারণ নয়। বাহ্যিক দৃশ্যমান কারণ হিসেবে প্রায়শই অর্থনৈতিক বৈষম্য, নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক বৈষম্য ইত্যাদিকে চালিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমাদের মতে, এসব আসল কারণ নয়, এসব হল ‘কারণ-উদ্ভূত’, আর আসল ‘কারণ’ আরও গভীরের বিষয়। আর এই গভীরের কারণ নির্ণয়ে প্রাচীন রোমান দার্শনিক সিসরো-র (খ্রিঃপূঃ ১০৬-৪৩) একটি প্রশ্ন খুব গুরুত্বপূর্ণ; প্রশ্নটি হল “cui bono”— লাভটা কার?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমরা যার সাহায্য নিয়েছি, তিনি হলেন সম্প্রতি প্রয়াত ভারতের রাজনীতি বিষয়ক প্রখ্যাত গবেষক পল ব্রাস। গত ৩১ মে ৮৫ বছর বয়সে আমেরিকায় তাঁর জীবানাবাসন ঘটে। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন আমেরিকার ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির অধ্যাপক। ভারতের রাজনীতি গতিপ্রকৃতি বিষয়ে তাঁর গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য— দ্য প্রোডাকশন অফ হিন্দু-মুসলিম ভায়োলেন্স ইন কনটেম্পোরারি ইন্ডিয়া; থেফট অফ এন আইডল; ফর্মস অফ কালেকটিভ ভায়োলেন্স: রায়টস; প্রোগ্রাম অ্যান্ড জেনোসাইড ইন মডার্ন ইন্ডিয়া; দ্য পলিটিক্স অফ ইন্ডিয়া সিন্স ইনডিপেনডেন্স; ল্যাঙ্গুয়েজ; রিলিজিওন অ্যান্ড পলিটিক্স ইন নর্থ ইন্ডিয়া; এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম: থিওরি অ্যান্ড কম্পারিজন ইত্যাদি। আমরা এই গ্রন্থগুলিকে পাথেয় করে আমাদের এ লেখার যে মূল প্রশ্ন— লাভটা কার?— সেটি ভারতীয় রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সম্পর্কে পল ব্রাসের ধারণার মধ্যে দিয়ে বর্তমান সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতিকে বোঝার চেষ্টা করব।

 

ব্রাসের গবেষণার অন্যতম অনুসন্ধান ছিল ভারতীয় রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার এজেন্ট বা নির্ধারকগুলিকে খুঁজে বের করা। ব্রাস তাঁর গবেষণার মাধ্যমে আমাদের দেখান যে, কীভাবে নিজস্বার্থ বা নির্বাচনে রাজনৈতিক ফায়দা লাভের কারণে পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা বাধানো হয় এবং দাঙ্গাকে বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে জনসমক্ষে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে কীভাবে রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের উপরতলার কিছু ব্যক্তি লাভবান হয়। ব্রাস মনে করেন, দাঙ্গা কোনও প্রাকৃতিক ঘটনা নয়, এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত এবং এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকে রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের উপরতলার একাংশ মানুষ। যারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে জড়িত থাকে তারা জনসাধারণের মধ্যে ঘটনাটিকে এমন একটি নাটকীয় রূপ দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তুলে ধরে যেখানে সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। অর্থাৎ দাঙ্গার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে ঘটনাটিকে একটি নাটকীয় রূপ দান করে যা দেখে জনসাধারণ উদীপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রতিনিধিরা তাদের স্বার্থগুলিকে এই নাটকের মধ্যে এমনভাবে পরিবেশন যা জনসাধারণ বুঝে উঠতে পারে না।

তিনি আরও বলেন যে একটি দাঙ্গার যে বিভিন্ন ব্যাখ্যা হয় তার মধ্যে থেকে সরকার এবং মিডিয়া এমন কিছু ব্যাখ্যা জনসমক্ষে তুলে ধরে যা সমাজ এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী এলিটদের পক্ষে লাভজনক হয়। ব্রাস তাঁর রচনায় দেখিয়েছেন যে কীভাবে গণমাধ্যমে এবং সমাজে দাঙ্গা নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনার মাধ্যমে দাঙ্গাকে সামাজিক ব্যবস্থায় স্থায়িত্ব প্রদান করা হয়। দাঙ্গা সমাজে যে স্থায়িত্ব লাভ করে, ব্রাস মনে করেন তার জন্য আমরাই দায়ী। তিনি মনে করেন, প্রচারক, স্থানীয় সাংবাদিক, গুজব রটনাকারী, নিয়োগকারী প্রমুখ দাঙ্গার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। তবে তিনি বলেছেন, দুজন এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অবলম্বন করে। একজন যে সহিংসতার ঘটনাকে লক্ষ করে এবং অন্যজন ঘটনার সঙ্কেত বহন করে। ব্রাস এদের ‘ফায়ার টেন্ডারস’ এবং ‘কনভার্সন স্পেশালিস্ট’ নামে আখ্যায়িত করেছেন।

হিংসার যে আর একটি রূপ নিয়ে ব্রাস কথা বলেছেন সেটি হল সমবেত হিংসা বা কালেক্টিভ ভায়োলেন্স। ব্রাস মন্তব্য করেছেন যে, সমবেত হিংসা হল দাঙ্গাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ফল, যেখানে সংস্থা, পরিচালক, মতাদর্শ যেগুলি বিচ্ছিন্নতাবাদী হিংসা ছড়াতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে। ব্রাস, তাঁর গবেষণার মধ্যে দিয়ে দেখেছেন যে কালেক্টিভ ভায়োলেন্স প্রাথমিকভাবে মাতালদের মধ্যে ঝামেলা, ধর্ষণ, মূর্তি চুরি এইরকম কিছু স্থানীয় কারণে শুরু হয় কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রভাবশালীরা নিজেদের স্বার্থলাভের জন্য বিষয়গুলিকে বড় করে দেখিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে।

ব্রাস আরও বলেন যে ধর্ম (হিন্দু বনাম মুসলিম), বর্ণ (উচ্চ বনাম নিম্ন), ভাষা (হিন্দি বনাম সরকারি ভাষা), দুর্নীতি ইত্যাদি কীভাবে ভারতের বৈচিত্রময় জাতীয় সংহতিকে বিনষ্ট করে। তবে ব্রাস বার বার করে তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন যে দাঙ্গা কোনও পূর্বনির্ধারিত পরিচয়ের মাধ্যমে ঘটে না, বরং পরিকল্পিতভাবে একাংশ ক্ষুদ্র প্রভাবশালী মানুষের স্বার্থ চরিতার্থ করতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার, মতাদর্শ ইত্যাদির সাহায্যে এগুলিকে নির্মাণ করা হয়। তবে তিনি কিন্তু পূর্বনির্ধারিত পরিচয়কে অস্বীকার করছেন না। তিনি যেটা বলতে চেয়েছেন সেটি হল, বৈচিত্র্যপূর্ণ ভারতবর্ষে এত ভাষা এবং জাতিগত বৈশিষ্ট্যযুক্ত জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও কেন মাত্র কয়েকটি নির্বাচিত জনগোষ্ঠী সরকারের কাছ থেকে বেশি সুযোগসুবিধা ভোগ করছে। ব্রাস মনে করেন, নির্বাচিত সরকার এমন একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো সৃষ্টি করে যেখানে সংস্কৃতি, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কোনও একটি বিশেষ গোষ্ঠী রাজনৈতিক চেতনাসম্পন্ন মধ্যবিত্ত গোষ্ঠী গড়ে তুলতে সক্ষম হয় যারা সরকারের মতামতকে প্রভাবিত করে, সরকারের আনুগত্য লাভ করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি অধিকার করতে সক্ষম হয়।

 

তবে ব্রাসের এই ধারণা বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। টমাস হ্যানসেন ব্রাসের সমস্ত কাজগুলিকে পর্যালোচনা করে তিনি বলেছেন পল ব্রাস দাঙ্গা রুখে দেওয়ার ক্ষেত্রে দাঙ্গাকারীর বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিক বা পুলিশের যে ভূমিকা থাকে সেদিকে গুরুত্ব দেননি। তিনি আরও বলেন যে, ব্রাস দাঙ্গাকে বিভিন্ন সময় এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে পর্যালোচনা করেছেন কিন্তু হ্যানসেন মনে করেন দাঙ্গা সমাজে যে স্থায়িত্ব লাভ করে সেটিকে ভালোভাবে বোঝা যায় হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শ দিয়ে যেখানে হিন্দুরা নিজেদের আধিপত্য থেকে সরে আসছে বলে এইরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সুজান এবং লয়েড রুডলফ (১৯৯৩)-এর মতো পণ্ডিতরাও অযোধ্যার ঘটনাকে ঐতিহ্যগত হিন্দু আধিপত্যের উত্থান এবং চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেছেন। ব্রাস তাঁর সমালোচনার প্রত্যুত্তরে যুক্তি দিয়ে বলেছেন যে, সাম্প্রদায়িক হিংসার কাঠামোগত এবং জনসংখ্যাগত কারণগুলির পরিবর্তে, হিংসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং সংস্থাগুলির উপর নজর দেওয়া, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একটি প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান খোঁজা বেশি জরুরি ছিল।

ব্রাস আরও বলেন যে ধর্ম (হিন্দু বনাম মুসলিম), বর্ণ (উচ্চ বনাম নিম্ন), ভাষা (হিন্দি বনাম সরকারি ভাষা), দুর্নীতি ইত্যাদি কীভাবে ভারতের বৈচিত্রময় জাতীয় সংহতিকে বিনষ্ট করে। তবে ব্রাস বারবার করে তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন যে দাঙ্গা কোনও পূর্বনির্ধারিত পরিচয়ের মাধ্যমে ঘটে না, বরং পরিকল্পিতভাবে একাংশ ক্ষুদ্র প্রভাবশালী মানুষের স্বার্থ চরিতার্থ করতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার, মতাদর্শ ইত্যাদির সাহায্যে এগুলিকে নির্মাণ করা হয়। তবে তিনি কিন্তু পূর্বনির্ধারিত পরিচয়কে অস্বীকার করছেন না। তিনি যেটা বলতে চেয়েছেন, সেটি হল বৈচিত্র্যপূর্ণ ভারতবর্ষে এত ভাষা এবং জাতিগত বৈশিষ্ট্যযুক্ত জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও কেন মাত্র কয়েকটি নির্বাচিত জনগোষ্ঠী সরকারের কাছ থেকে বেশি সুযোগসুবিধা ভোগ করছে।

 

পল ব্রাস ভারতবর্ষে বহু ভাষাভাষী, জনগোষ্ঠী, বর্ণ ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট সামাজিক এবং রাজনৈতিক চ্যুতি-বিচ্যুতির কথা বললেও তিনি কিন্তু এই বৈচিত্র্যগুলিকে অস্বীকার করেননি, বরং গুরুত্ব দিয়ে বিচার করেছেন। ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে ভাষা এবং বর্ণের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রাজ্য গড়ে উঠেছে, সেই সময় দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এই কৌশল ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে। এমনকি জাতীয় কংগ্রেস যখন দেশের সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছিল সেই গণতান্ত্রিক পরিবেশেও কিন্তু এই সাস্কৃতিকে নষ্ট করা হয়নি।

তবে সময় যত পরিবর্তন হয়েছে, রাজনীতির অভিমুখ অন্যদিকে ঘুরেছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটে, যখন গুজরাটের গোধরায় বিশেষ একটি জনগোষ্ঠীর উপর আক্রমণের মধ্যে দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি হয়, যখন দিল্লিতে বিশেষ কোনও এলাকাকে কেন্দ্র করে দাঙ্গার পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়, সর্বোপরি যখন কোনও এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক প্রতিহিংসার আগুন জ্বলে এবং তার পাশাপাশি সুরক্ষার সাংবিধানিক বিধি দেখিয়ে কোনও রাজ্যে সামরিক বাহিনি মোতায়নের জিগির তুলে দেওয়া হয়, তখন পল ব্রাসের ধারণাকে পাথেয় করে আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না যে বৈচিত্রময় ভারতবর্ষে কাদের স্বার্থে এই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ভারতীয় রাজনীতির আঙিনায় জায়গা করে নিয়েছে।

বর্তমানে জাতি, ভাষা, সামাজিক, অর্থনৈতিক বৈচিত্রকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় রাজনীতির কৌশলে ধর্মকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, শুধুমাত্র কিছু ক্ষমতালোভী ব্যক্তির জন্য। যার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বৈচিত্র্যময় ভারতবর্ষে সমস্ত বিভিন্নতা ভুলে শুধু দেখা যাচ্ছে ধর্মীয় উস্কানি। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই আজ যে হিন্দু-মুসলিম পরিচয়কে বড় করে দেখিয়ে সাম্প্রদায়িক হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, সেটি আসল কারণ নয়, প্রধান কারণ লুকিয়ে আছে রাষ্ট্র এবং উপরতলার নেতৃত্বের একাংশের স্বার্থের মধ্যে। অতএব, ভারতবর্ষে যখনই সাম্প্রদায়িক পরিবেশ সৃষ্টি হবে পল ব্রাসের গবেষণা আমাদের প্রধান চ্যুতি-বিচ্যুতি সম্পর্কে সজাগ করবে। পল ব্রাসের এই চিন্তা এবং গবেষণা তাঁকে আমাদের মধ্যে অমর করে রাখবে।

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 3960 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

1 Comment

  1. অত্যন্ত জরুরি লেখা।
    হীরক সেনগুপ্ত

Leave a Reply to হীরক সেনগুপ্ত Cancel reply