শতদ্রু নদীতীরে সিকন্দর-সেলুকস সংলাপ

অশোক মুখোপাধ্যায়

 



প্রাবন্ধিক, বিজ্ঞান ও মানবাধিকার কর্মী, সেস্টাস-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

 

 

 

 

সিকন্দর: সেলুকস, ইহা সত্যই তাজ্জব ব্যাপার! কী বলো?

সেলুকস: আজ্ঞে মহারাজ, কোন বিষয়ে বলিতেছেন, বুঝিতে অক্ষম রহিয়াছি।

সিকন্দর: বুঝিতে পারো নাই? আমি গুর্জর দেশের দুই দশক অনতিপূর্বেকার ইন্দুবীরত্বের সেই মহা ধুন্ধুমারিয়ার কথা বলিলাম। তাহা স্মরণে আছে নিশ্চয়ই?

সেলুকস: আজ্ঞে মহারাজ, অবশ্যই আছে। কিন্তু তাহাতে তাজ্জবিত হইবার সদৃশ আপনি কী দেখিতে পাইলেন জিজ্ঞাসা করিতে মন চাহে।

সিকন্দর: সেলুকস, তোমার বয়ঃবৃদ্ধি হইতেছে। সেই রক্তলাঞ্ছিত অতীতের সহিত বর্তমানের এক দৃশ্যশ্রাব্য গাথার সাযুজ্য লইয়া যে প্রলয় বাধিয়া উঠিতেছে, আমি তাহাতেই তাজ্জবীভূত হইয়াছি। তুমিও হইতেছ কিনা জানিতে চাহিলাম মাত্র!

সেলুকস: আজ্ঞে বীররাজ, একখানা প্রলয়ের সূচনা দেখিতে পাইয়াছি। কিন্তু তাহাতে আমার খুব তেমন আশ্চর্য লাগে নাই। দিল্লিপতির মতিগতি এখন সন্নছিন্নই হইয়া রহিয়াছে বলিয়া দেখিতেছি। দ্বিবিধ সমস্যা আসিয়া ঘিরিয়া ধরিতেছে উহাদের। তাহাতেই গোল বাধিয়া উঠিতেছে।

সিকন্দর: হে সেনাপতি সেলুকস, তুমি কি আকুলদানীর বিপণনের খাবিভক্ষণের কথা বলিলে?

সেলুকস: হাঁ রাজাধিরাজ, তাহাই আমার নিবেদন।

সিকন্দর: আচ্ছা সেলুকস, দুইটি ঘটনা কি একযোগে হস্তধারণপূর্বক সংঘটিত হইল? তোমার কী ধারণা?

সেলুকস: না মহারাজ, ইহাতে কোনও আপতন রইয়াছে বলিয়া আমার সন্দেহ হয় নাই। দুই মহাদেশের দুই ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি আপন আপন কর্ম সম্পাদন করিতে করিতে প্রায় একই কালরেখায় তাহাদিগের ফলাফল নিষ্কাশন করিয়া ফেলিয়াছে। তাহারা যে মিলিয়া গিয়াছে তাহা নিতান্তই দুর্বিপাক বই অন্যতর কিছু নহে। ইহা মদীয় অনুমান মাত্র।

সিকন্দর: মার্কণ্ডেয় উদয়নরা যে বচনে বাক্যজাল বুনিয়া থাকে তদনুযায়ী ইহা একই কালে অর্থনৈতিক সৌধ এবং তাহার উপরিতলের দুই অপ-ঘটনার সমাপতনের ন্যায় দেখিতেছি। তোমার বিচার কী বলে?

সেলুকস: আজ্ঞে রাজেশ্বর, আপনি একশত শতাংশই সঠিক বার্তা প্রাপ্ত হইয়াছেন বলিয়া আমার বিশ্বাস।

সিকন্দর: ধন্যবাদ সেনানায়ক।

সেলুকস: কিন্তু মহারাজ, আপনি কিসে আশ্চর্যান্বিত হইয়াছেন তাহা এক্ষণাবধি বুঝিতে অক্ষম রহিয়াছি। যদি নিতান্তই অপরাধ বলিয়া মনে না করেন, তাহা হইলে সানুগ্রহ সামান্য বিস্তারপূর্বক কহিলে সম্ভবত অধম গ্রহণ করিতে সক্ষম হইবে।

সিকন্দর: ওহে বীর যোদ্ধা সেলুকস, তুমি কি ভুলিয়া গিয়াছ গুজ্জর প্রদেশের সেই চতুর্দিবসীয় শোনিতহোলি ক্রীড়ার পরবর্তীকালে দিল্লিপতির পারিষদবর্গের উল্লাসের সেই তূর্যধ্বনিসকল? তোমার কি মনে পড়িতেছে, অতি সম্প্রতিও সেই প্রদেশের রাজ্যাভিষেক কালের প্রাকলগনে দিল্লির কোতোয়ালপতির সেই সুদৃপ্ত ঘোষণা— আমরা উহাদিগকে গুজ্জরভূমিতে যৎপ্রকার শিক্ষা প্রদান করিয়াছি, উহারা জন্মান্তরেও ভুলিবে না?

সেলুকস: আজ্ঞে না মহাধিপ, তাহা বিস্মরণে যাইবার নহে।

সিকন্দর: সুতরাং ইহাও তোমার বিস্মৃতিলোকের অভ্যন্তরে গমন করে নাই যে বর্তমান বিপন্ন আকুলদানী মহোদয় সেই রক্তপার্বণকালে তাহার মহাবীর প্রদেশনায়ক রূপে বর্তমান দিল্লিপতির যশোকীর্তির ধ্বজা কী উচ্চতায়ই না উড্ডীন করিয়াছিল! কী বলো?

সেলুকস: মহারাজ, তাহাও পূর্ণমাত্রায় স্মরণে আছে। ইন্দিকার ইহা এক অতি দুর্জ্ঞেয় রহস্য যে এই বিশাল ভূখণ্ডে কয়েক সহস্র জীবন ধ্বংস করিয়া, শত শত রমণীর সম্ভ্রম লুণ্ঠন করিয়া কেহ যে বীরকুলপতি শিরাজ্ঞা প্রাপ্ত হইতে পারে! তাহা গৌরবের বিষয় হইয়া উঠিতে পারে।

সিকন্দর: সেলুকস, ভ্রম, মহা ভ্রমে পতিত হইতেছ, সেনাপতি!

সেলুকস: আজ্ঞে ইহাকে ভ্রম কহিলেন মহারাজ?

সিকন্দর: ভয়ানক আকারের ভ্রমবাক্য উচ্চারিলে যে! আমাদিগের মহাদেশভূমিতে আতলান্তিকের সানুদেশে দ্বীপরাষ্ট্রের এক চলচ্চিত্রাচার্য চাঁড়াল চপলাকান্তের এক শ্রুতিদৃশ গাথিকার সেই অমর বাণী মনঃপটে পুনর্স্থাপনের প্রয়াস করো: দুই-চারিজন বধিলে তুমি হত্যাকারী মাত্র, দুই-চারি সহস্র নিধন করিতে পারিলে তুমি সর্বদেশ পূজ্য মহাশূর বলিয়া পরিগণিত হইবে।

সেলুকস: যথার্থ মহারাজ, স্মরণ করিয়াছি। অতএব এইরূপ বীরত্ব এতদ্দেশের মহাঘাতকের একাকী কৃতিত্ব নহে। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি মাত্র।

সিকন্দর: সুতরাং আমার কিসে তাজ্জব লাগিতেছে নিশ্চয়ই বুঝিতেছ?

সেলুকস: আজ্ঞে মহারাজ, এখনও অক্ষম।

সিকন্দর: এইবার দেখিতেছি আমাকে তোমার মগজস্থ উপাদানের বিকারত্ব সন্ধানে উদ্যোগী হইতে হইবে।

সেলুকস: কী হেতু রাজন? আমার কি বুদ্ধিহ্রস্বতার অধিকার নাই? যদি থাকিয়া থাকে, তবে কি তাহার শুশ্রূষার প্রয়োজন নাই? মহারাজ কি মদীয় অক্ষমতা মোচনে কৃপাবর্ষণ করিতে অনাগ্রহী হইয়া উঠিলেন?

সিকন্দর: আচ্ছা, শ্রবণ করো তবে। একদিকে, রক্তাম্বর পট্টধারী সার্থক নরমেধযজ্ঞ সম্পাদনপূর্বক এই দিল্লিপতি যে কৃতিত্বের বলে গর্বিত ও স্ফীতবক্ষ, অদ্য তাহা এমন একখানি কোম্পানি হইতে প্রস্তুত হইয়াছে, যাহাদিগের বাক্‌সজ্জায় সেই গর্ব ও গৌরবকে নিতান্তই বর্বরপ্রতিম হত্যালীলা ও ধ্বংসলীলা রূপে চিত্রিত করা হইয়াছে। সেইসকল চিত্রমালার অঙ্গে গেরুয়া বর্ণের তিলকাদি প্রলেপনের বিন্দুমাত্র সুবিধা হইতেছে না। শাসকদল হত্যা করিতেছে, নারী ধর্ষণ করিতেছে, আর প্রদেশের শাসক ময়ূরপক্ষীকে বাদাম ভোজন করাইতেছে। বিংশতি বৎসর কাল ধরিয়া এই নরমেধযজ্ঞের সুফলে শাসন পর্যায় বদল দিকভ্রষ্ট করিয়া আসিয়া আহমদাবাদ হইতে দিল্লি পর্যন্ত শাসনরজ্জু অধিকার করিয়া আজি তো তাহা অস্বীকার করিবার উপায় নাই। করিতে গেলে নিম্নতর কক্ষের হত্যাকারীপুঞ্জ বিশ্বাসহন্তা বিভীষণ বলিয়া গালি পাড়িবে। সম্ভবত ইহাতেই দিল্লিপতির নিদ্রাবিকর্ষণ ঘটিয়া গিয়াছে।

সেলুকস: হাঁ মহারাজ, বুঝিয়াছি এইবার। উক্ত দ্বীপরাষ্ট্রে এতাবত কোনও নেহরু কিংবা গান্ধি-নাম্নী কেহও রাজসিংহাসনে উপবিষ্ট হয় নাই, যাহার স্কন্ধে বর্তমান বিপদের উড়ানিখানি চাপাইয়া দেওয়া যাইত।

সিকন্দর: সেলুকস, তোমার মগজের কোষরাশি পুনঃচঞ্চল হইয়া উঠিয়াছে, কী বলো?

সেলুকস: আজ্ঞে মহারাজ, সদ্য সেই দেশের রানিমাতা অন্তিম ভূশয্যা গ্রহণ করিলে ইন্দিকার কুলপতি পুরাতন ঐতিহ্যবাহী প্রভুভক্ত দাস রূপে শোকগ্রস্ত হইয়া জাতীয় পতাকা নিম্নাভিমুখী করিয়া ফেলিয়াছিল! সেই শোকের দুই মাসাধিক কাল অতিক্রান্ত না হইতেই তথা হইতে এ কী বিষম উপদ্রব আসিয়া পড়িল!

সিকন্দর: আকুলদানীর বানিয়াগিরির উত্থানের পশ্চাতে এই রক্তাম্বর পট্টধারীর চৌকিপ্রহরার ভূমিকাও বোধ করি তোমার ক্রমবর্ধমান স্মরণে উদিত হইতেছে!

সেলুকস: হইতেছে মহারাজ। আপনি আরও বলিয়া গেলে আমার স্মৃতিকক্ষ পুনর্গমগম করিতে থাকিবে।

সিকন্দর: আকুলদানীর বানিয়াগিরির উত্থানের পশ্চাতে দিল্লীশ্বরের অকৃপণ ন্যায্যাতীত সহায়তার প্রতি অঙ্গুলিনির্দেশের প্রয়াস যাহারা করিয়াছিল, শাসক বানিয়া ও আদালত কী রূপে তাহাদিগের মুখ ও হস্ত নিরস্ত করিয়াছিল, তাহাও অতঃপর তোমার স্মৃতির গগনে দেখা দিয়াছে বোধ হয়।

সেলুকস: দিয়াছে মহারাজ। ইহাও আমার মস্তিষ্কের গবাক্ষপথে আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে, গুজ্জরপ্রদেশের শোণিতযজ্ঞ লইয়া তোর্সা উষ্ণবাদী-নাম্নী অতিচিৎকারিনী এক অবোধ নারীকেও আইনের রজ্জু কীভাবে বাস্তিল ভ্রমণে বাধ্য করিয়াছিল।

সিকন্দর: বাঃ চমৎকার সেলুকস! এইবার তুমি ক্রমে ক্রমে আমার বাহিনির সেনাধ্যক্ষের পদে যোগ্য হইয়া উঠিয়াছ।

সেলুকস: প্রণাম মহারাজ। আপনার সহায়তায় আমার বোধহ্রস্বতা ক্রমেই হ্রস্বতর হইতেছে।

সিকন্দর: আকুলদানী কিন্তু একেলা নহে। আম্রবানিও এই রক্তাম্বর পট্টধারীর চৌকিপ্রহরার সুযোগ গ্রহণ করিয়াই আপন বিবিধ ব্যবসায়ে ক্রমশ স্ফীতকলেবর হইতেছে! আরও অন্যান্য এইরূপ বানিয়াকুলের সাক্ষাৎ মিলিবে।

সেলুকস: যথার্থ রাজন। তবে আকুলদানী সম্ভবত এবম্বিধ হরির লুঠ আত্মসাতামিতে সকলের ঊর্ধ্বে স্থান করিয়া লইয়াছে। আপনি আরও কী কী লক্ষ করিয়াছেন বলিয়া যান।

সিকন্দর: এই বানিয়াকুল ইন্দিকের কোষাগার হইতে ঋণ গ্রহণ করিতেছে এবং চৌকিপ্রহরীর বদান্যতায় অতি দ্রুতই তাহা হজম করিয়া চিরঋণী হইয়া পড়িতেছে। কোষাগার যেমন যেমন শূন্য হইতেছে, এতদ্দেশীয় নিরীহ জনকুলের উপরে দিল্লিপতি নানাবিধ জিজিয়া কর উপস্থাপনপূর্বক তাহার ক্রমপূরণের ব্যবস্থা করিতেছে।

সেলুকস: বুঝিলাম মহারাজ। পদার্থবিদ্যার পাঠশালে ইহাকে এক প্রকার সাইফন বলিয়া বর্ণনা দেওয়া হয়। যাহারা দিতে থাকে, তাহারা কেবল দিতেই থাকে। যাহাদের ভাণ্ডে রসের পতন হইতে থাকে তাহাদের রসের ভাণ্ডার ভরিয়া উঠিতেই থাকে। আপনি কি এই রূপ কিছু কহিতে চাহিলেন?

সিকন্দর: হাঁ সেলুকস! তবে আমি নহে। দুই সমুদ্রঘেরা মহাদেশের জনৈক হিসাবপরীক্ষক বহু বৎসর যাবত খাতাপত্রের তালাশি করিয়া এই সাইফন কাণ্ডের পর্দা উন্মোচন করিয়া ফেলাতেই নাকি আকুলদানীর সর্বনাশ হইয়া গিয়াছে। আর আকুলদানী যৎকালে তদীয় প্রহরীকে কিছু কর্মনির্দেশ দিতে উদ্যত হইয়াছিল, সেই প্রহরী সেইকালেই দ্বীপরাষ্ট্রের এক শ্রুতিদৃশ্য চালিশায় আক্রান্ত হইয়া গর্ত সন্ধান করিয়া বেড়াইতেছে। যাহাতে এই বীরকুলপতি এতকাল গর্বিত হইতেছিল, এখন তাহার পরদেশি পুনরুচ্চারণ শুনিয়া কী কারণ সে শঙ্কাভয় পাইতেছে— ইহাতেই আমি তাজ্জবিত হইতেছি।

সেলুকস: বুঝিলাম নৃপতি। বস্তুত, উহাদিগের আপন আপন চক্ষে যাহাকে বীররসপৃক্ত কাব্য বলিয়া বোধ হইয়াছিল, সেই নরমেধযজ্ঞ এক্ষণে অপরের চক্ষে কীরূপ দেখাইতেছে প্রত্যক্ষ অবলোকন করিয়া দিল্লিপতিকুলের শিরঘূর্ণন উপস্থিত হইয়াছে।

সিকন্দর: বাঃ চমৎকার সেলুকস! তুমি আমার বোধাতীত রহস্যের অন্তর্বস্তুকে অনাবৃত করিয়া দিয়াছ। ইহাই সঠিক বিবরণ। নিজকুলের চক্ষে যাহা নির্দোষ বীররসাত্মক গাথা নির্ধারিত হইয়াছিল, তাহাই সেই রসবঞ্চিত পরদেশির চক্ষে নিতান্তই সহস্রাধিক অতিঘৃণ্য বর্বরোচিত হত্যালীলা বলিয়া উন্মোচিত হইতেছে।

সেলুকস: আরও ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটিতেছে মহারাজ। আপনি শুনিয়াছেন কি— বিভিন্ন বিদ্যাপীঠের বিদ্যার্থীগণ দলবদ্ধভাবে ইহা দেখিতেছে এবং দেখাইতেছে। বহুকাল ধরিয়া বহুবিধ পরিষ্করণী দ্বারা দিল্লিপতি তাহার হস্তদ্বয় হইতে যে শোণিতলাঞ্ছন প্রায় সর্বাংশে মুঞ্চিত করিয়া ফেলিয়াছিল, তাহা আবার দেশের ও দশের দৃশ্যপটে প্রত্যাবর্তন করিতেছে।

সিকন্দর: যথার্থ বলিলে সেলুকস! সারা ধরণীতেই একপ্রকার ধিক ধিক ধিক ধিক শব্দ উত্থিত হইতেছে। যে সকল যন্ত্রপাতির সাহায্যে তোর্সা উষ্ণবাদীর কণ্ঠে রন্ধ্রনিরোধক প্রদান করিয়াছিল, এইবেলা তাহা অকার্যকর বলিয়া প্রতিপন্ন। সুতরাং ধিক্কার-শব্দোত্থানের প্রতিষেধক মিলিতেছে না!

সেলুকস: মহারাজ। বানিয়া ও প্রহরীর এই দুর্দশা হইতে মুক্তির উপায় কী?

সিকন্দর: মুক্তি নাই সেলুকস। যেমত উপায়ে ইহারা পারস্পরিক হস্তধারণপূর্বক উঠিয়াছিল, সেমত উপায়েই ইহারা জালিয়াতি জুয়াচুরির রন্ধ্রযুক্ত তরণীতে আরোহন করিয়া আপন নিমজ্জন দর্শন করিতে পাইবে। তিষ্ঠ ক্ষণকাল!

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 4710 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...