জেনিনা ডিল
ভেনেজুয়েলার ওপর হামলার পক্ষে কোনও আইনি বৈধতা খোঁজার প্রয়াস না থাকা এই ধারণাকেই ইন্ধন জোগায় যে, আন্তর্জাতিক আইন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে না, করা উচিতও নয়— এমনটাই তারা মনে করে। আইনকে প্রকাশ্য ও নির্লজ্জভাবে অগ্রাহ্য করা— আইনের জন্য এবং তার ফলে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য— অনেক বেশি বিপজ্জনক। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপগুলোর ক্ষেত্রে যেমন দেখা যেত— অবিশ্বাস্য হলেও আইনি সাফাইয়ের আড়ালে লঙ্ঘনকে ঢাকার একটা চেষ্টা থাকত। সেটা অন্তত এর চেয়ে কম ক্ষতিকর ছিল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় লক্ষ্যবস্তুতে বোমাবর্ষণ করে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার চার দিন পর, এ নিয়ে প্রায় কোনও বিতর্কই নেই যে এই অভিযানটি আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
“অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজ়লভ”— যা সামরিক মানদণ্ডে নিঃসন্দেহে সফল— আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম মৌলিক নিয়মটিকেই লঙ্ঘন করেছে। নিয়মটি হল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগে নিষেধাজ্ঞা, যা জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা একে একটি আইনপ্রয়োগমূলক অভিযান (law enforcement operation) হিসেবে বর্ণনা করলেও তাতে এই বাস্তবতা বদলায় না যে যুক্তরাষ্ট্র তখনই ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘাতের সূচনা করেছিল। তদুপরি, কোনও রাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়া সেই রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে আইন প্রয়োগ করার কোনও আইনি অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই। বলপ্রয়োগের অংশ হিসেবে যে আইনপ্রয়োগমূলক অভিযান চালানো হয়েছে, সেটিও একইভাবে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। একজন রাষ্ট্রপ্রধান, তিনি যদি স্পষ্টতই অবৈধও হন, তাঁকে আটক করার ঘটনাটি সামরিক বলপ্রয়োগকে বৈধতা দেওয়ার বদলে আন্তর্জাতিক আইনের আরেকটি লঙ্ঘনই সূচিত করে।
আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে মার্কিন হামলা
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগের নিষেধাজ্ঞা থেকে যে কয়েকটি সীমিত আইনি ব্যতিক্রম রয়েছে, তার কোনওটিই যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
উপসংহারটি এড়ানো যায় না: কোনও আইনি যুক্তির সামান্য ছায়াও না মাড়িয়ে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ সালটা শুরু করল। বিষয়টি মোটেই জটিল নয়। এ নিয়ে বিতর্ক বন্ধ করা যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেট পাওয়ার কোনও চেষ্টাই করেনি। ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে বা তার ভূখণ্ডে সক্রিয় কোনও পক্ষের দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আসন্ন বা চলমান কোনও সশস্ত্র হামলাও ছিল না, যা আত্মরক্ষার অধিকারের অজুহাত দিতে পারত। অবৈধ এক নেতাকে ক্ষমতাচ্যুত করা, নির্মম স্বৈরশাসন থেকে ভেনেজুয়েলার জনগণকে “মুক্ত” করা, কিংবা অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই— এই উদ্দেশ্যগুলো অজুহাত হিসেবেই তোলা হোক বা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করা লক্ষ্য হিসেবেই হোক— অন্য কোনও রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে সামরিক বলপ্রয়োগের আইনি বৈধতা জোগায় না। অবশ্য, সমস্ত প্রমাণই ইঙ্গিত করে যে এগুলো ছিল অজুহাতমাত্র— যা ভেনেজুয়েলার জনগণ এবং সেখানে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এখন আমাদের দৃষ্টি দেওয়া উচিত সেখানে, যেখানে তার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন: প্রথমত, ভেনেজুয়েলার ওপর হামলাটি আইনি পরিভাষায় ব্যাখ্যা করা থেকে মার্কিন কর্মকর্তারা যে প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিরত থেকেছেন— এই সত্যের দিকে; এবং দ্বিতীয়ত, এই নির্লজ্জ আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্ব্যর্থক প্রতিক্রিয়ার দিকে।
আইনি বৈধতা দেখানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রচেষ্টাই নেই
শাসন পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী বলপ্রয়োগের ঘটনাগুলো বরাবরই আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে টানাপোড়েন তৈরি করেছিল। নিপীড়িত জনগণকে “মুক্ত” করা, অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করা, জ্বালানি সম্পদে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা কিংবা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা— এসব যুক্তি মার্কিন সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে নতুন নয়। আগ্রাসনের পরের দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাংবাদিক সম্মেলনে যে বিষয়গুলো বিশেষভাবে উঠে এসেছিল, তার অনেকগুলিই ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের ঘোষিত উদ্দেশ্যগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
তবে আরও চোখে পড়ার মতো বিষয় হল ‘অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম’-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক এই জোরপূর্বক শাসন পরিবর্তনের মার্কিন প্রচেষ্টার একটি মৌলিক পার্থক্য। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের আগে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন আদায়ের জন্য দীর্ঘ এক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি, মার্কিন পদক্ষেপগুলিকে আইনি ভাষায় ব্যাখ্যা করার জন্য বিস্তৃত উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, আজ আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই নীরবতা যেন কান ঝালাপালা করে দিচ্ছে।
ভেনেজুয়েলার ওপর হামলার পক্ষে কোনও আইনি বৈধতা খোঁজার প্রয়াস না থাকা এই ধারণাকেই ইন্ধন জোগায় যে, আন্তর্জাতিক আইন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে না, করা উচিতও নয়— এমনটাই তারা মনে করে। আইনকে প্রকাশ্য ও নির্লজ্জভাবে অগ্রাহ্য করা— আইনের জন্য এবং তার ফলে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য— অনেক বেশি বিপজ্জনক। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপগুলোর ক্ষেত্রে যেমন দেখা যেত— অবিশ্বাস্য হলেও আইনি সাফাইয়ের আড়ালে লঙ্ঘনকে ঢাকার একটা চেষ্টা থাকত। সেটা অন্তত এর চেয়ে কম ক্ষতিকর ছিল।
আইন যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে না— এই বোধটাই আরও তীব্র করে তোলে প্রশ্নটি: তবে আসলে কোন বিষয়টি তাকে নিয়ন্ত্রণ করে? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি পরিপন্থী একাধিক ভৌগোলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন— যার মধ্যে রয়েছে গ্রিনল্যান্ড দখল করার হুমকি। এসব হুমকি উনিশ শতকের সাম্রাজ্যবাদী ধারণা, অর্থাৎ মহান শক্তিগুলোর প্রভাববলয়ের চিন্তাকেই স্পষ্টভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। এতে ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মতো মৌলিক আইনি নীতির প্রতি সম্পূর্ণ অবহেলা প্রকাশ পায়।
মার্কিন হস্তক্ষেপবাদে একমাত্র যে সীমারেখাটি দেখা যায়, তা হল জাতীয় স্বার্থ— অথবা হয়তো আরও সঙ্কীর্ণভাবে বললে, “রাষ্ট্রপতির স্বার্থ”— এই ধারণার অস্পষ্ট ও অতিমাত্রায় নমনীয় ব্যাখ্যা।
ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির দুর্বল প্রতিক্রিয়া
পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রই— যে কোনও সরাসরি সংঘাতে সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবিলা করতে অক্ষম— আগ্রাসন নিষিদ্ধকারী আইনি বিধি ও প্রথাগুলো রক্ষার ক্ষেত্রে একটি বাস্তব স্বার্থ বহন করে। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবেই প্রত্যেক এমন রাষ্ট্রের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও রাষ্ট্রপ্রধানের অনাক্রম্যতার মতো আইনি নীতিগুলোর পক্ষে দাঁড়ানো উচিত। অর্থাৎ, কার্যত প্রত্যেক রাষ্ট্রেরই।
তাহলে কেন বহু দেশ— এর মধ্যে যুক্তরাজ্যও রয়েছে— মার্কিন এই অভিযানকে স্পষ্টভাবে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে? কেন তারা এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানাতে পারেনি?
এক দিক থেকে উত্তরটি স্পষ্ট বলেই মনে হয়। এই ধরনের লঙ্ঘনকে চিহ্নিত করা ও নিন্দা জানানো অনেকের কাছে হয়তো নিষ্ফল বলে প্রতীয়মান হয়। যখন পারমাণবিক অস্ত্রধারী কোনও মহাশক্তি— যে আবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য— আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে, তখন বলপ্রয়োগের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, অর্থাৎ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদই কার্যত অচল হয়ে পড়ে। আবার আগ্রাসনের শিকার রাষ্ট্রকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া গুরুতর মাত্রার উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তবুও, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পরবর্তী অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি যে ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়াও সম্ভব।
২০২২ সালে ১৪১টি দেশ ভোট দিয়ে “রুশ ফেডারেশনের ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে সর্বাধিক কঠোর ভাষায় নিন্দা” জানিয়েছিল। বৈশ্বিক ভ্রান্ত তথ্যপ্রচারের এই যুগে— বিশেষ করে অত্যন্ত মেরুকৃত পরিস্থিতিতে— সামরিক বলপ্রয়োগকে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীনভাবে “ভুল” বলে চিহ্নিত করতে পারার ক্ষমতাটা মূল্যবান। এর মাধ্যমে সঠিক ও ভুলের পার্থক্য নির্ধারণের একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে আইনের ভূমিকা বজায় থাকে। যদি এমন প্রেক্ষাপটে বাস্তব সময়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কোনও আইনি মূল্যায়ন করা সম্ভব না হয়, তবে আইন আদৌ কোন কাজে লাগবে?
এই অর্থে, আগ্রাসন নিয়ে জার্মানির সরকারি বিবৃতি— যেখানে বিষয়টিকে “জটিল” বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং আইনি মূল্যায়নের জন্য সময় নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে— আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের পক্ষে ঠিক ততটাই ক্ষতিকর, যতটা ক্ষতিকর ছিল বহু ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তার প্রকাশ্য আইনঅবজ্ঞা। তদুপরি, যথাযথ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার জন্য একটি স্পষ্ট আইনি মূল্যায়ন অপরিহার্য ভিত্তি— বিশেষ করে আগ্রাসকের সঙ্গে অসহযোগিতা ও নিন্দা জানানোর ক্ষেত্রে। এর দ্বারাই একটি বেআইনি আগ্রাসন আইনি নজিরে পরিণত হওয়া থেকে রোধ করা যায়।
এই নির্লজ্জ আগ্রাসনকে যে-কোনও রাষ্ট্র স্পষ্টভাবে চিহ্নিত ও নিন্দা করতে ব্যর্থ হলে, সে কার্যত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার কুঠারের হাতল ধরে রাখার কাজে অংশীদার হয়ে ওঠে।
সংক্ষেপে বললে, আগ্রাসকের ওপর কোনও বাস্তব মূল্য চাপাতে বা ভবিষ্যতে নিরস্ত করার প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের এই বেআইনি আগ্রাসনকে চিহ্নিত করা ও নিন্দা জানানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আক্রমণকারী যখন নিরাপত্তা পরিষদের পারমাণবিক অস্ত্রধারী সদস্য, তখন এমন ফলাফল অর্জন কম সম্ভাব্য হলেও তা মোটেই অসম্ভব নয়।
আইনি নিন্দা যে অর্থহীন— তা যদি কারণ না হয়, তবে বহু রাষ্ট্র যে এই প্রশ্নটি এড়িয়ে যাচ্ছে, তার ব্যাখ্যা কী?
তাদের ধারণা হতে পারে যে পর্দার আড়ালে কূটনীতি চালানো এবং প্রকাশ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতার ভান করাই তাদের জাতীয় স্বার্থকে ভালোভাবে রক্ষা করে। তবে এই কৌশলের মূল্য আগেই বলা হয়েছে: যে রাষ্ট্রই এই নির্লজ্জ আগ্রাসনকে প্রকাশ্যে চিহ্নিত ও নিন্দা করবে না, সে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার কুঠারের হাতল ধরতে সহায়তা করে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনকে তুষ্ট করার চেষ্টা করে এবং পর্দার আড়াল থেকে সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার আশা রাখার সুফল অনিশ্চিত। যেহেতু ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের সময় রাষ্ট্রগুলি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তোষামুদে প্রতিক্রিয়া দেয়নি, তাই এখন তারা প্রশ্ন করতে পারে, এই কৌশল কোন ভিন্নতার কারণে সফল হতে পারে বলে তারা মনে করছে।
*অধ্যাপক জেনিনা ডিল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লাভাতনিক স্কুল অফ গভর্নমেন্ট-এ বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে ডেম লুই রিচার্ডসন চেয়ার। বর্তমান নিবন্ধটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গত ৭ জানুয়ারি ইংরেজিতে প্রকাশিত। মতামত ব্যক্তিগত

