মোদি ভারতকে দৃঢ়ভাবে ইজরায়েল-মার্কিন শিবিরের অংশ করে তুলেছেন

সুধা রামচন্দ্রন

 


ভারতের এই ইজরায়েল-মার্কিনঘেঁষা অবস্থান কিন্তু মোটেই সেই অবস্থান নয়, যে অবস্থান থেকে ভারত গ্লোবাল সাউথ-কে নেতৃত্ব দেওয়ার আশা করতে পারে। বিশেষ করে, গাজায় ইজরায়েলের অবিরাম হানাদারি এবং ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইজরায়েল সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে

 

 

গত ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েল সফরকে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু “অত্যাশ্চর্যরকম ফলপ্রসূ”[1] বলে বর্ণনা করেছেন। এই সফরে ২৭টি দ্বিপাক্ষিক পরিণতির কথা জানা গেছে— ১৬টি চুক্তি এবং ১১টি যৌথ উদ্যোগ— এগুলি গুরুত্বপূর্ণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তি, শ্রমশক্তির আদানপ্রদান, কৃষি, সংস্কৃতি এবং শিক্ষাক্ষেত্র পর্যন্ত বিস্তৃত।

এই সফরের সময় ভারত এবং ইজরায়েল তাদের ‘স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’কে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’[2]-র স্তরে উন্নীত করেছে। অনেকগুলি যৌথ উদ্যোগের কথা ঘোষিত হয়েছে— যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির ক্ষেত্রও রয়েছে যার পরিচালন-ভার থাকবে উভয় দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার হাতে। ভারতে একটি ‘ইন্দো-ইজরায়েল সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’-ও স্থাপন করা হবে। দুই দেশই প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে নিজেদের পূর্ব-প্রতিশ্রুতির কথা আরও একবার ঘোষণা করেছে। এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তি গত নভেম্বর, ২০২৫-এ স্বাক্ষরিত হওয়া মৌ[3], যাতে সামরিক সরঞ্জামের যৌথ উৎপাদন এবং উন্নয়নের কথা বলা ছিল, বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছিল উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর। দুই দেশ ঘোষণা করেছে যে, তাদের মধ্যে ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’[4]-র প্রথম রাউন্ডটি নয়াদিল্লিতে সাফল্যের সঙ্গেই সম্পাদিত হয়েছিল, পরের রাউন্ডটি আবার হবে আগামী মে মাসে। মোদি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন একটি চুক্তি “দ্রুত”ই সম্পন্ন হতে চলেছে। আগামী পাঁচ বছরে ভারতের ৫০,০০০ শ্রমিককে ইজরায়েলে যাতে কাজ দেওয়া হয় সে-বিষয়ে উভয় দেশই সহমত হয়েছে।

তবুও, মোদির এই ইজরায়েল সফল ভারত এবং বহির্বিশ্বেও কিছু তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

তাঁর এই সফর এমন একটা সময়ে ঘটল যখন ইরানের বিরুদ্ধে একটি মার্কিন-ইজরায়েল যুদ্ধ আসন্ন হয়ে উঠেছে, এবং সেখানে গিয়ে তিনি ভারতের দীর্ঘকালের বন্ধু ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের যাবতীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করলেন। যা নিয়ে বলতে গিয়ে বেঙ্গালুরুর একজন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় কূটনীতিক দ্য ডিপ্লোম্যাট-কে বলেছেন “বিশ্বের নজরে ভারতের মর্যাদা ধ্বংস হয়ে গেছে।” তিনি আরও বলেছেন, মোদির সফরের সময়কাল— তাঁর ইজরায়েল ছাড়ার পর ৪৮ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরানে মার্কিন-ইজরায়েল আক্রমণ শুরু হয়— থেকে বোঝাই যায় যে “ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এই সামরিক আক্রমণ সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন।”

নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক আদালতে যুদ্ধাপরাধে দোষী এবং ফেরার (ওয়ান্টেড)। কিন্তু সে-জন্য মোদির তাঁর সঙ্গে করমর্দন করতে, তাঁকে আলিঙ্গন করতে এবং জনসমক্ষে তাঁকে সমর্থন করতে কোনও অসুবিধা হয়নি। নেসেট-এ তাঁর ভাষণে মোদি বলেন: “ভারত দৃঢ়ভাবে, পূর্ণ প্রত্যয়ের সঙ্গে, এই মুহূর্তে, এবং পরবর্তীতেও, ইজরায়েলের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে।”[5]

প্যালেস্তিনীয়দের দুর্দশার বিষয়ে মোদির কোনও সহানুভূতি দেখা যায়নি। ২০২৩-এর ৭ অক্টোবর হামাসের “বর্বর সন্ত্রাসী হামলায়” যে-সমস্ত ইজরায়েলি মানুষ নিহত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য তিনি “গভীরতম সমবেদনা” জানালেও লক্ষণীয়ভাবে গাজায় ইজরায়েলের লাগাতার হামলা নিয়ে তিনি নিশ্চুপ। গত আড়াই বছরে এই হানাদারির বলি হয়েছেন ৭৩,০০০-এরও বেশি প্যালেস্তিনীয়, যাঁদের একটা বিরাট অংশ শিশু।

মোদিকে “চূড়ান্ত নৈতিক ভীরুতা”র অভিযোগে অভিযুক্ত করে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের বরিষ্ঠ সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেছেন— “এই ইজরায়েল সফর লজ্জাজনক, যেভাবে মিঃ মোদির দুজন ‘ভালো বন্ধু’ [নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প] একটা যুদ্ধ লাগিয়ে দিল, সেই প্রেক্ষিতে দেখলে তো আরও বেশি লজ্জাজনক।” তিনি আরও বলেন, “প্যালেস্তাইনে বিরামহীন গণহত্যা চালানোর মধ্যেই মোদির জায়নবাদী ইজরায়েলকে আঁকড়ে ধরা ভারতের উপনিবেশ-বিরোধী উত্তরাধিকারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা।”[6]

স্বাধীন ভারত উপনিবেশ-বিরোধী আন্দোলনের দৃঢ় সমর্থক ছিল, এবং তারা দশকের পর দশক ধরে প্যালেস্তিনীয় জাতীয় স্বার্থের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করতে সামনের সারিতে থেকে কাজ করেছে।[7] প্যালেস্তিনীয় জনগণের প্রতি তারা বরাবর সংহতি জানিয়ে এসেছে এবং ১৯৮৮ সালে প্যালেস্তাইন রাষ্ট্রকে যে-সমস্ত দেশ প্রথমেই স্বীকৃতি দিয়েছিল তাদের মধ্যে ভারত অন্যতম। মুসলিম বিশ্ব যেন বিক্ষুব্ধ না হয় সে-বিষয়ে সতর্ক থেকে ভারত ইজরায়েলের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি, যদিও ১৯৪৮ সালে তারা ইজরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

ইজরায়েলের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় কেবল এই ১৯৯২ সাল থেকে, এবং এই সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই তাদের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। যদিও ভারত তার পরেও ইজরায়েলি সম্প্রসারণবাদের এবং প্যালেস্তিনীয় জনগণের প্রতি ইজরায়েলের দমনপীড়নের বিরোধিতা চালিয়ে যায়। এই সময়ে, ভারত খুব সতর্কতার সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন বৈরিতামূলক সম্পর্কগুলির মধ্যে ব্যালেন্স করে চলতে থাকে। ইজরায়েলের সঙ্গে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক সত্ত্বেও তার সঙ্গে তেল-সমৃদ্ধ সুন্নি উপসাগরীয় দেশগুলি এবং শিয়া ইরানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়তে থাকে।

কিন্তু, এরপর ভারত যত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি আসতে শুরু করে ততই পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি সম্পর্কে তার বিদেশনীতির মূল বিষয়গুলিও পরিবর্তিত হতে শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত— তখন ক্ষমতায় কংগ্রেস-পরিচালিত সরকার— আইএইএ-তে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে ভোট দেয়।[8] আমেরিকার সঙ্গে ভারতের অসামরিক পরমাণু চুক্তি নিয়ে সে-সময়ে আলোচনা চলছে।

২০১৪ সালে হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের এই মার্কিন-ইজরায়েলপন্থী ঝোঁক আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০১৪ থেকে ২০২৩-এর মধ্যে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ভারতে ভোটিং কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে-দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইন্দো-ইজরায়েল সম্পর্কের বিশেষজ্ঞ নিকোলাস ব্লারেল ২০২৩-এর নভেম্বরে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে[9] আমাকে বলেছিলেন— “ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির (ইউএনজিএ) মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চগুলিতে ভারতের ভোটিং সুব্যবস্থিতভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। আগে তারা সবসময়েই প্যালেস্তাইনের পক্ষে ভোট দিত, ধীরে ধীরে সেটা হয়ে দাঁড়িয়েছে কখনও প্যালেস্তাইনের পক্ষে ভোট দেওয়া; কখনও, বিশেষ করে যখন সুস্পষ্টভাবে ইজরায়েলকে নিন্দা করার প্রশ্ন আসে, তখন ভোটদানে বিরত থাকা, কিন্তু একই প্রসঙ্গ যখন হামাসের বিরুদ্ধে আসে তখন কখনওই ভোটদানে বিরত না-থাকা; এবং কখনও-সখনও, যদিও সেটা ক্বচিৎ, বিশেষ করে যখন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে নিন্দা করার প্রসঙ্গ আসে, তখন ইজরায়েলের পক্ষে ভোট দেওয়া।”

সেই অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিকের কথায় “এই দোলাচল গাজায় ইজরায়েলের শেষ হামলা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।”

বাস্তবিকই, ভারত কখনও ইজরায়েলের সম্প্রসারণ-প্রস্তাবকে নিন্দা করে নেওয়া রেজোলিউশনে সমর্থন দিয়েছে,[10] আবার কখনও অস্ত্রবিরতি নিয়ে আনা ইউএনজিএ-র রেজোলিউশনে ভোটদানে বিরত থেকেছে,[11] এমনকি কখনও বিরুদ্ধেও ভোট দিয়েছে।[12]

ভারতের বিদেশনীতির পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভারত ক্রমশ ইজরায়েলের ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ছে।

সাংবাদিক ভারত ভূষণ ডেকান হেরাল্ড-এ লিখেছেন, এই সাম্প্রতিক সফরের মধ্যে দিয়ে মোদি ভারতকে “দৃঢ়ভাবে মার্কিন-ইজরায়েলি শিবিরে নিয়ে গিয়ে ফেলেছেন।”[13]

এটা কিন্তু মোটেই সেই অবস্থান নয়, যে অবস্থান থেকে ভারত গ্লোবাল সাউথ-কে নেতৃত্ব দেওয়ার আশা করতে পারে। বিশেষ করে, গাজায় ইজরায়েলের অবিরাম হানাদারি এবং ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইজরায়েল সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে।

সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারতের বিদেশমন্ত্রক প্রথম যে বিবৃতিটি[14] দেয় তাতে বলা হয়েছে যে, তারা “ইরান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।” তারা “সমস্ত পক্ষকে সংযমী হতে, উত্তেজনা প্রশমন করতে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে” আহ্বান জানিয়েছে। এবং “উত্তেজনা প্রশমন করতে ও বিবাদের বিষয়গুলি সমাধান করতে আলাপ-আলোচনা ও কূটনীতির ওপর” জোর দিতেও বলেছে।

গোটা বিবৃতিতে মার্কিন-ইজরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা করা দূরস্থান, সে-সম্পর্কে উল্লেখটুকুও নেই। অথচ যে আলোচনার কথা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সেই আলোচনাটা থামিয়ে দিয়েছে এই আগ্রাসনই।

এই আক্রমণের ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের নিহত হওয়া, বা দক্ষিণ ইরানে মার্কিন-ইজরায়েলি বোমাবর্ষণের কারণে বেশিরভাগ শিশু-সহ ১৬৫ জনের মৃত্যু[15]— এসব নিয়ে নয়াদিল্লি কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি।

শোনা যাচ্ছে ইরানের প্রত্যাঘাতের ফলে যেসব উপসাগরীয় দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেসব দেশে ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে এবং যেসব দেশে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী ভারতীয় আছে, মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সেসব দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

গত রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে মোদি বলেন তিনি “দৃঢ়ভাবে আরব আমিরশাহিতে আক্রমণের নিন্দা করেছেন এবং সেই আক্রমণের ফলে যা প্রাণহানি হয়েছে তার জন্য গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।”[16] যদিও প্রধানমন্ত্রী ইরানের নাম করেননি, কিন্তু যুদ্ধের শুরু থেকেই আমিরশাহি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার সম্মুখীন হচ্ছে।

দ্রুত হারে পরিবর্তিত হয়ে চলা পশ্চিম এশীয় সংকটের এই সময়ে এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষের উদ্দেশ্যে ভারতের এটাই একমাত্র সরকারি নিন্দা-বিবৃতি।

 


[1] Roy, Shubhajit. ‘Extraordinarily productive’: India, Israel elevate ties, sign 17 pacts. Indian Express. Feb 27, 2026.
[2] India – Israel Joint Statement (February 26, 2026). Ministry of External Affairs. Government of India.
[3] India, Israel sign MoU to deepen defence cooperation. The Hindu. Nov 4, 2025.
[4] India, Israel to resume FTA talks in May as both sides push for deeper trade ties. TOI. Feb 27, 2026.
[5] India-Israel partnership is grounded in shared experience and shared aspirations: PM Modi at the Knesset.
[6] ‘War launched by two of Modi’s good friends’: Congress slams PM’s ‘moral cowardice’ of Israel visit. The Telegraph Online. Feb 28, 2026.
[7] Ramchandran, Sudha. India’s Modi Voices Solidarity With Israel After Hamas Attack. The Diplomat. Oct 12, 2023.
[8] Vote not linked to deal with U.S., says India. The Hindu. Sep 25, 2005.
[9] Ramchandran, Sudha. Nicolas Blarel on India’s Growing Proximity With Israel. The Diplomat. Nov 28, 2023.
[10] PTI. India reaffirms support for two-state solution to Palestine issue condemning Israel’s expansion in West Bank. Economic Times. Updated Feb 20, 2026.
[11] Singh, Satyam. In big move, India votes in favour of Palestine’s statehood at UN. India Today. Updated Sep 13, 2025.
[12] Mitra, Devirupa. As UNGA Overwhelmingly Backs Gaza Ceasefire, India Is an Outlier. The Wire. Jun 13, 2025.
[13] Bhushan, Bharat. Modi in Israel | A diplomatic embrace that will cost India dear. Deccan Herald. Updated Feb 27, 2026.
[14] Statement on the evolving situation in West Asia. Ministry of External Affairs, Government of India. Feb 28, 2026.
[15] Death toll in Israeli strike on southern Iran school rises to 165. ALJAZEERA. Feb 28, 2026.
[16] Laskar, Rezaul H. India stands in solidarity with UAE: PM Modi as Iran strikes continue. Hindustan Times. Mar 1, 2026.


*নিবন্ধটি দ্য ডিপ্লোম্যাট-এ গত ২ মার্চ ইংরেজিতে প্রকাশিত

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 5333 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...